শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১৪, বুধবার, ০৭ জুন, ২০২৩ আপডেট:

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন

চরম সংকটকালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগান্তকারী পদ্ধতি আবিষ্কার!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
চরম সংকটকালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগান্তকারী পদ্ধতি আবিষ্কার!

বর্তমান আধুনিক যুগে অন্যতম নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু হিসেবে বিবেচিত বিদ্যুৎ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপক প্রভাবের ফলে এই বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদ্ধতি নিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। কেননা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মানব সভ্যতার অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ঠিক এমন সময় দূষণহীন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ তৈরির অভাবনীয় এক পদ্ধতির আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার পরিবেশসম্মতভাবে জ্বালানি উৎপাদনে বিপ্লব আনতে পারে।

পদ্ধতিটিও চমৎকার। ইতঃপূর্বেও জলীয়বাষ্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। ২০২০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায় ব্যাকটেরিয়া থেকে সংগ্রহ করা উপাদান বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প শুষে নিতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণাটি আগের সেই গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই এগোয়। গত ৫ মে ‘অ্যাডভান্সড মেটেরিয়ালস’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এর বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ। 

এতে বিজ্ঞানীরা জানান, কাঠ বা সিলিকনসহ যেকোনও উপাদান দিয়েও জলীয়বাষ্প শুষে নেওয়া সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, প্রথমে পদার্থটিকে পিষে ছোট ছোট খণ্ডে রূপ দিতে হবে, এরপর আনুবীক্ষণিক ছিদ্র-যুক্ত করে তা পুনরায় তৈরি করতে হবে।  

গবেষণা নিবন্ধের জ্যেষ্ঠ লেখক এবং ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক জুন ইয়াও বলেন, “আমরা যা আবিষ্কার করেছি, তাকে সামনে ছোটখাট মানব-নির্মিত মেঘ হিসেবেও কল্পনা করতে পারেন। খুব সহজে এটা সবাই ব্যবহার করতে পারবে। মিলবে সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ। একবার ভাবুন, এটি নিয়ে যেখানেই যান না কেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবেন অনায়সে।”

হোক সে পাহাড়, অরণ্য, মরুভুমি বা প্রত্যন্ত গ্রাম অথবা চলতি পথ; বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানি পোড়ানো বা নির্দিষ্ট স্থানে অবকাঠামো নির্মাণের দরকার হবে না আর। অনেকটা ভ্রাম্যমাণ জেনারেটরের কাজই করবে এই আবিষ্কার। এজন্য এর নামও দেওয়া হয়েছে ‘এয়ার-জেন’ বা বায়ু জেনারেটর। 

এয়ার-জেন- এর বড় সুবিধা হচ্ছে, মোটামুটি সব পরিবেশেই থাকে জলীয়বাষ্প। আর সেই বাষ্প থেকেই উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ। 

অন্যদিকে, সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের মতো পরিচ্ছন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আবহাওয়া অনেক বড় বিষয়। যেমন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে বা রাতের বেলায় সোলার পাওয়ার উৎপাদন হয় না। বাতাসের গতি না থাকলে থমকে যায় বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন। 

সব পরিবেশে কাজ করলেও, কিছু পরিবেশে বেশি সক্ষম হবে এয়ার-জেন। যেমন শুস্ক বাতাবরণে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে সীমিত, আবার উষ্ণ জঙ্গলের আবহাওয়ায় বিপুল বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।  

ইয়াও বলেন, সব মিলিয়ে বলা যায় প্রায় সর্বত্রই নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে এয়ার-জেন’কে। তবে শীতকালে এবং শুস্ক, হিম বায়ুপ্রবাহ আছে এমন অঞ্চলে কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। সে তুলনায়, গ্রীষ্মকালে ভালো পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করবে।  

সবচেয়ে আশ্চর্য হলো, এয়ার-জেন এর আকার একটি চুলের চেয়েও পাতলা; যার গায়ে আছে খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়, এমন অজস্র ছিদ্র। এসব ছিদ্র প্রস্থে ১০০ ন্যানোমিটারের চেয়েও ছোট, যা দিয়ে জলীয়বাষ্প প্রবেশ করতে পারে। আর প্রবেশ করা মাত্রই ডিভাইসটির উপরের অংশের সাথে নিচের অংশের এক ধরনের বৈদ্যুতিক চার্জের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। ফলে ধণাত্মক ও ঋণাত্মক দুই মেরু তৈরি হয়ে এটি কার্যত একটি ব্যাটারি হয়ে ওঠে।  

ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের গ্যাজুয়েট ছাত্র এবং গবেষণা নিবন্ধের অপর লেখক জিয়াওমেং লিউ বলেন, “স্রেফ বায়ু থেকে দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ আহরণের নতুন দুয়ার খুলেছি আমরা।”

ইয়াও জানান, তাদের তৈরি ক্ষুদ্র এয়ার-জেন বর্তমানে কম্পিউটার স্ক্রিনে একটি বিন্দুর মতোন দেখায়– এত ছোট বাল্বকে জ্বালাতে পারে। কারণ, ডিভাইসের আকার ছোট হওয়ায় উৎপাদন শক্তিও তেমনই কম। তবে এ ধরনের বহু ডিভাইসকে একত্রিত করা সম্ভব। মাঝে শুধু বাতাস চলাচলের মতো ছোট ফাঁক রাখলেই চলবে। এভাবে যে বিপুল বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে– তা সংরক্ষণের জন্য ভিন্ন ব্যবস্থার দরকার হবে।  

ইয়াও এর হিসাবমতে, ১০০ কোটি এয়ার-জেনকে একের পর এক রাখলে, তার উচ্চতা হবে একটি রেফ্রিজেরেটর এর সমান। উৎপাদন করতে পারবে এক কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যা সাধারণ অবস্থায় একটি বাড়ির আংশিক বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে পারবে।

বিজ্ঞানীরা এখন চেষ্টা করছেন এয়ার-জেন এর সক্ষমতা বাড়াতে, তারা সফল হলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরও কম সংখ্যক ডিভাইস দরকার হবে। তাছাড়া, ডিভাইসের আকার বড় করার চিন্তাও করছেন তারা। আদ্রতা শুষে নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস না করেই সেটা করা যাবে এমন আশাবাদ ইয়াওয়ের। 

তবে এসব কাজে কতদিন লাগতে পারে, সে সম্পর্কে কোনো ধারণা দিতে পারেননি তিনি। শুধু বলেন, “আমরা যদি একে আরো উন্নত করতে পারি, তাহলে যেকোনও জায়গায় এটি রাখা যাবে।”  সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
আংশিকভাবে অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেল চালুর অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র
আংশিকভাবে অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেল চালুর অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ গড়তে একসঙ্গে কাজ করার চুক্তি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ গড়তে একসঙ্গে কাজ করার চুক্তি
এআই কি সত্যি কেনাকাটা ও ভ্রমণের বুকিং করতে পারে?
এআই কি সত্যি কেনাকাটা ও ভ্রমণের বুকিং করতে পারে?
শেয়ার বাজারে আসতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে ওপেনএআই
শেয়ার বাজারে আসতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে ওপেনএআই
সুপার কম্পিউটারে চীনের বাজিমাত
সুপার কম্পিউটারে চীনের বাজিমাত
ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের দাম বাড়াল অ্যাপল
ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের দাম বাড়াল অ্যাপল
বিশ্বকাপ ঘিরে সক্রিয় সাইবার প্রতারকরা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি
বিশ্বকাপ ঘিরে সক্রিয় সাইবার প্রতারকরা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি
সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'ফিনিক্স সামিট ২০২৬'
সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'ফিনিক্স সামিট ২০২৬'
অচেনা নম্বরের মেসেজ চেনা সহজ করবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার
অচেনা নম্বরের মেসেজ চেনা সহজ করবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার
মানুষের কাছ থেকে বর্ণবাদ ও লিঙ্গবৈষম্য শিখছে এআই: জাতিসংঘের প্রতিবেদন
মানুষের কাছ থেকে বর্ণবাদ ও লিঙ্গবৈষম্য শিখছে এআই: জাতিসংঘের প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে
সর্বশেষ খবর
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৫৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক