শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মার্চ, ২০২১ ২২:৪১

দখল রুখতে অ্যাকশন

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

দখল রুখতে অ্যাকশন
Google News

রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় সড়ক ও ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখতে অ্যাকশনে নেমেছে কর্তৃপক্ষ। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিদিনই নগরীতে অভিযান পরিচালনা করছে। গত এক সপ্তাহে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, ১২ মার্চ নগরভবন গেট থেকে শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বর হয়ে শালবাগান বাজার, আলিফ লাম মিম ভাটার মোড় হয়ে ছোটবনগ্রাম বারো রাস্তার মোড় হয়ে নাদের হাজির মোড়, মেহেরচ-ী মোড় হয়ে ফ্লাইওভার হয়ে চৌদ্দপায় হয়ে বিনোদপুর বাজার,  বিশ্ববিদ্যালয় মেইনগেট হয়ে কাজলা হয়ে তালাইমারী মোড় হয়ে ভদ্রা স্মৃতি অম্লান পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের ১০০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানকালে ১৩ মামলা দায়ের করে ২৬ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ১০ মার্চ ১৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানকালে ৫৮টি মামলা দায়ের করে ১ লাখ ৫ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। গত এক সপ্তাহে উচ্ছেদ অভিযানে দেড় শতাধিক মামলা করা হয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর দুই পাশের ফুটপাথ তো বটেই রাস্তা পর্যন্ত দখল করে ছোট ছোট ইউনিটের দোকানপাট বসে। ফুটপাথ জুড়ে আছে কাপড়ের দোকান, পান-সিগারেটের দোকান, চা দোকান, ফলের পসরা, ফুটপাথ দখল করে নির্মিত হচ্ছে আসবাবপত্র, মেরামত হচ্ছে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল, বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল ও ডিজেলের মতো দাহ্য পদার্থ। চেয়ার, সোফা, র‌্যাক-কী নেই ফুটপাথে? কোথাও কোথাও ফুটপাথের ওপর হাল্কা যানবাহন যেমন- অটোবাইক, ভ্যান, মোটরসাইকেল কিংবা রিকশা পার্কিং করা থাকে।

ফুটপাথের কোথাও কোথাও সম্পূর্ণ দখল করা আছে, কোথাও ৫০ থেকে ৮০ ভাগ পর্যন্ত দখল করা থাকে। ফুটপাথের ওপরই বেঞ্চ বসিয়ে চায়ের দোকান চলছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, পরিকল্পিত নগরী গড়তে মানুষের হাঁটার পথ থাকতে হবে। কিন্তু কিছু মানুষের কারণে ফুটপাথ থাকছে না। এগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছিল। ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেছিলেন। কিন্তু তারা আবার দখল শুরু করেছেন। এই দখল উচ্ছেদে আবারও অভিযান শুরু করা হয়েছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমর পালন বলেন, ‘এসব ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে অনেক আগে থেকেই আমরা চেষ্টা করে আসছি। কয়েকবার আমরা উচ্ছেদও করেছি। তবে তারা আবারও ফিরে এসেছে। এগুলো ঠিক করার জন্য সচেতনতার দরকার, যারা ব্যবসা করছেন তাদের। আমরা চেষ্টা করছি এটি যাতে আবার দৃষ্টিনন্দন হয়।’