শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ জুন, ২০১৯ ০৬:০৪

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের স্মারকলিপি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের স্মারকলিপি

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিতর্কিতদের পদ দেওয়া নিয়ে সৃষ্ট ‘সংকট’ নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ধানমন্ডিতে আওয়ামী সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার কাছে এই স্মারকলিপি দেন পদবি তদের একটি প্রতিনিধিদল। 

পদবঞ্চিতদের মূখপাত্র ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব জানান, ‘আমরা বিপ্লব দাদার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। তিনি এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন।’ এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদানের কথা জানায় পদবঞ্চিতরা।

সংবাদ সম্মেলনে পদবি তদের মুখপাত্র রাকিব হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ২৩ দিন ধরে এখানে (রাজু ভাস্কর্যে) মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। ছাত্রলীগের গত মাসে (১৩ মে) কমিটি দেওয়ার পর থেকে একমাস হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমাদের পদ-পদবি মুখ্য নয়, আমরা ছাত্রলীগকে কলঙ্কমুক্ত করতে চাই।’

একটি নতুন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ছাত্রলীগে সংকট তৈরি করা হয়েছে দাবি করে জসীম উদ্দীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান বলেন, আমাদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৯ জন বিতর্কিতের পদ শুন্য ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু তাদের নাম পদ প্রকাশ করেননি। এই কানামাছি খেলার মাধ্যমেই ছাত্রলীগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে। আর কতদিন এখানে বসিয়ে রেখে আমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে? কার স্বার্থ চরিত্রার্থ করার জন্য তারা আমাদের এখানে বসিয়ে রাখছে?’

এর আগে, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাওয়া ‘বিতর্কিত’দের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পনে গত ২৭ মে ছাত্রলীগ সভাপতি  ও সাধারণ সম্পাদকের ঘোষণার পর ওই দিন মধ্যরাত থেকেই অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন পদবঞ্চিতরা। অবস্থান কর্মসূচি থেকে তারা অবিলম্বে কমিটি থেকে ‘সকল বিতর্কিত’-কে বহিষ্কার, যোগ্যদের পদায়ন ও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ কামনাসহ চার দফা দাবি জানান। 


বিডি-প্রতিদিন/ তাফসীর আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য