শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৮:৪৩

চিকিৎসক সংকট থাকলেও

হাবিপ্রবি’র মেডিকেল সেন্টারে এবার সেবার সাথে ওষুধও মিলবে

দিনাজপুর প্রতিনিধি

হাবিপ্রবি’র মেডিকেল সেন্টারে এবার সেবার সাথে ওষুধও মিলবে

চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি এবার বিনামূল্যে ওষুধও পেতে যাচ্ছেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারটিতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা ও মান উন্নয়নে এখনও জনবলসহ চিকিৎসক সংকট রয়েছে। যদিও সেটা দুর হয়ে যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। 

১১ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী হাবিপ্রবিতে অধ্যয়ন করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ছিল না কোনো ওষুধ সেবা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অবসান হতে চলেছে এ সমস্যার। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক বাজেটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে এ প্রকল্পটি। 

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নও অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নজরুল ইসলাম জানান, আমরা রোগীর অসুখের মাত্রা দেখে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করি। জনবল কম থাকায় শিক্ষার্থীদের সব সময় চিকিংসাসেবা প্রদান করা সম্ভবপর হয় না। সার্বক্ষণিক চিকিংসা সেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল সেন্টারে কমপক্ষে ১০ জন ডাক্তার প্রয়োজন। বর্তমানে ৬ জন কর্মরত রয়েছেন। এরপরেও চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি যদি ওষুধ দেয়া হয়, তখন আরও দুইজন ফার্মাসিস প্রয়োজন হয়ে পড়বে। যা বর্তমানেও নেই। 

হাবিপ্রবি’র কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড.বিধান চন্দ্র হালদার জানান, হাবিপ্রবির উপাচার্য ইউজিসিকে দীর্ঘদিন থেকে উক্ত বিষয়ে অবগত করে আসছিলেন। অবশেষে মুজিববর্ষে এসে তারা আমাদের প্রস্তাবের সম্মতি দেন। ওষুধ সেবা আগামী অর্থবছরের আগেই চালু হতে পারে। এখানের মেডিকেল সেন্টারের ওষুধ ক্রয় বাস্তবায়নে কমিটি হবে এবং টেন্ডারের মাধ্যমে ওষুধ ক্রয় করা হবে। 

সার্বক্ষণিক খোলা রাখার জন্য মেডিকেল সেন্টারে আরও একজন ডাক্তার ও দু’জন নার্স চলতি নিয়োগেই যুক্ত হবেন বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, হাবিপ্রবিতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিনতলা বিশিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের সম্প্রসারণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিচ্ছে। যা এ বছরেই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।  

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর