শিরোনাম
১৪ আগস্ট, ২০২১ ২২:৩২

ফোন করলেই করোনা রোগীর বাসায় চলে যাচ্ছে ‘বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফোন করলেই করোনা রোগীর বাসায় চলে যাচ্ছে ‘বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা’

অক্সিজেন সেবা নিয়ে করোনা রোগীর পাশে ছাত্রলীগ

করোনায় আক্রান্তদের জীবন বাঁচাতে বিনামূল্যে ‘বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা’ চালু করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ফোন করলেই পৌঁছে যাচ্ছে এ সেবা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মদিনে এই সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

গত ৮ আগস্ট থেকে এই সেবা চালু করায় শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা দেওয়া হয়েছে। যখন যেখান থেকেই ফোন আসছে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসছে।

বিনামূল্যে বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা চালু প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধুতে রূপান্তর করার পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। বঙ্গবন্ধুর জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাগারে থাকতে হয়েছে। এই সময়টাতে বঙ্গমাতা ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সবসময় সুসংঘবদ্ধ করে রাখতেন। তাঁর জন্মদিনে অক্সিজেন সেবা চালুর মধ্য দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে ছাত্রলীগ। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম থেকে আমরা যে কার্যক্রমগুলোকে চালাচ্ছি তার একটি অংশ হলো অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম। সারাদেশে এই কার্যক্রম চলমান আছে। বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবাটি মূলত সংগঠনের মেয়েরাই নেতৃত্ব দিয়ে চালাচ্ছেন।’

ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সকল শক্তি ও সাহসের মূল অনুপ্রেরণার জায়গা ছিলেন বঙ্গমাতা। সকল সফলতার পেছনের ইতিহাসগুলো যেমন সামনে না এসে পেছনে থেকে যায় ঠিক তেমনি বঙ্গমাতা নিজের জন্য চিন্তা না করে মানুষের জন্য কাজ করেছেন, ভালোবেসেছেন, দলীয় নেতাকর্মীদের লালন করেছেন। তার রেখে যাওয়া আদর্শের মাধ্যমে আমরা নারী ক্ষমতায়ন ও নারী স্বাধীনতার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। সে কারণেই বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা চালু করেছি। যেখান থেকেই ফোন আসছে, সেখানেই আমরা এই সেবা পৌঁছে দিচ্ছি।’

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তিলোত্তমা সিকদার বলেন, ‘জাতির পিতার সহধর্মীর নামে অক্সিজেন সেবা চালু করে আমরা করোনা আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। সংগঠনের ভাই-বোনেরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। আমরা ফোন পেলেই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছি অক্সিজেন। আজও রাজধানীর পল্টন এলাকায় অক্সিজেন সেবা পৌঁছে দিয়েছি।’

ছাত্রলীগের আরেক সহ-সভাপতি জিয়াসমিন শান্তা বলেন, ‘গত ৮ আগস্ট থেকে আমাদের এই সেবা চালু হয়েছে। অনেক ফোন পাচ্ছি। ফোন পাওয়া মাত্রই আমাদের সহকর্মী ভাই-বোনেরা ছুটে যাচ্ছেন রোগীর বাসায়। প্রতিদিনই অন্তত ১০টা অক্সিজেন সিলিন্ডার সেবা দেওয়া হচ্ছে।’

 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর