শিরোনাম
প্রকাশ : ৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ২০:১৪
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে রাতে পাহাড় কাটে, দিনে গাছ দিয়ে ঢেকে রাখে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে রাতে পাহাড় কাটে, দিনে গাছ দিয়ে ঢেকে রাখে

রাতের আঁধারে পাহাড় কাটা হয়। আর দিনের বেলায় গাছ কেটে গাছের ঢালাপালা দিয়ে পাহাড়ের সেই কাটা অংশ ঢেকে রাখা হয়। এভাবে কৌশলে পাহাড় কাটছে দুষ্কৃতকারী একটি একটি চক্র। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে এ চিত্র দেখা যায়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এমন চিত্র দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। পাহাড় কাটা অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালতকে দেখে স্কেভেটর রেখে পালিয়ে যায় চালক। ঘটনাস্থলে স্কেভেটর জব্দ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্কেভেটরটি ধ্বংস করা হয়। 

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, ‘গত বুধবার রাত ১১টায় মির্জাপুর ইউনিয়নের মনসুরাবাদ এলাকায় পাহাড় কেটে ট্রাক ভর্তি করে মাটি নেয়ার সময় ট্রাকটি আটক করা হয়। গাড়ি দেখে চালক পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা না গেলেও ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

এরপর সেই ট্রাকের মাটির ধরন দেখে পাহাড় খেকোদের ধরতে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত আবারও অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে ১নং ওয়ার্ডের বাধের পরে একটা পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া যায়। 

সেখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুষ্কৃতকারী রাতে পাহাড় কাটে আর দিনে গাছ দিয়ে সেই কাটা অংশ ঢেকে রাখে। পাহাড় কাটা অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালতকে দেখেই স্কেভেটর রেখে পালিয়ে যায় চালক। ঘটনাস্থলে স্কেভেটর জব্দ করা হয় এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিদের উপস্থিতিতে স্কেভেটর ধ্বংস করা হয়।’

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৪৪
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫১
প্রিন্ট করুন printer

চকবাজারের বিএড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চকবাজারের বিএড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন শাহাদাত
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন মা শায়েস্তা খানমকে সালামের পর ভোট কেন্দ্রে যাবেন। ভোটাধিকার প্রয়োগের পর নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে পরিদর্শন করবেন।

ভোটের দিনের পরিকল্পনা নিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ভোটের দিন সকালে মাকে সালাম করে দিনের কার্যক্রম শুরু করবো। এরপর ভোটের সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজ খবর নেব। 

এর মাঝে নগরীর চকবাজার এলাকার বিএড কলেজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো। ওই কেন্দ্রে কিছু সময় অতিবাহিত করার পর অন্যান্য কেন্দ্র পরিদর্শন করবো। মূলত ভোটের দিন পুরোটাই নির্বাচনী কার্যক্রম মনিটরিং করবো।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:০৭
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:০৪
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচনে মাঠে থাকবে ৮ হাজার পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

চসিক নির্বাচনে মাঠে থাকবে ৮ হাজার পুলিশ
ফাইল ছবি

আগামীকাল বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের আট হাজার সদস্য মাঠে থাকবে।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সদর দফতর এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চসিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার মো. আবদুল ওয়ারিশ বলেন,‘চসিক নির্বাচনে নগর ও হাটহাজারী উপজেলা মিলিয়ে ৭৩৫টি কেন্দ্র আছে। কেন্দ্রগুলোর অতীতের সহিংসতার ইতিহাস, প্রার্থীদের অবস্থান এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রায় ৮ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েনসহ বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল টিমে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে সব কেন্দ্রে কাজ করবে।’

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:০২
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন: নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চসিক নির্বাচন: নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ শুরু

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে ৭৩৫টি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি বিতরণ শুরু হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ৮৮৬টি কক্ষে ৯ হাজার ৭৭২ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এইদিন। 

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নগরের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়াম হল, আগ্রাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নাসিরাবাদ বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সরঞ্জামাদি বিতরণ শুরু হয়।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চসিকের নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ইতিমধ্যে নির্বাচনের সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাচ্ছে। সেখানে আবার সরঞ্জামাদিগুলো চেক করে দেখা হবে। সমস্যা হলে তা দ্রুত সমাধান করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নির্বাচনে এবার মেয়রসহ ২৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। এখানে মেয়র ৭ জনসহ সংরক্ষিত ১৪ ওয়ার্ড এবং সাধারণ ৪১ ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৫৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৭২ জন প্রার্থী রয়েছেন। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ভোটার ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে নারী ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ জন এবং পুরুষ ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:২৬
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:১০
প্রিন্ট করুন printer

‘জামাইকে তো জেলে ঢুকাইছি, এবার বউকেও পিটাইতে হবে’

অনলাইন ডেস্ক

‘জামাইকে তো জেলে ঢুকাইছি, এবার বউকেও পিটাইতে হবে’

‘জামাইকে তো জেলে ঢুকাইছি, এবার বউকেও পিটাইতে হবে দেখতেছি’- এমন হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল কাদেরের স্ত্রী নুসরাত জাহান। জেলে থাকা স্বামীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের কর্মী সমর্থকদের কাছ থেকে এ হুমকি পান তিনি। আব্দুল কাদের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী।

পাঠানটুলীতে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত বাবুল হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা আব্দুল কাদের ও তার সমর্থকদের মুক্তির দাবিতে প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমন অভিযোগ করেন নুসরাত।

সোমবার(২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ৩ ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দায়ের করা বাবুল হত্যা মামলায়’ কারাগারে থাকা আব্দুল কাদের ও তার সমর্থকদের মুক্তির দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন আব্দুল কাদেরের পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আব্দুল কাদেরের স্ত্রী নুসরাত জাহান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই আমার স্বামীকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে নানা হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছিল। যেই ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হয় সেদিন আগে থেকেই মগপুকুড় পাড় এলাকায় গণসংযোগ ছিল তার। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর গণসংযোগ করছিলেন মতিয়ার পুলে। সেখান থেকে এসে এক ঘণ্টা ধরে তিনি মোস্তফা কামাল টিপুর বাসায় অবস্থান নেন। গণসংযোগ করতে করতে আমার স্বামী টিপুর বাসার কাছাকাছি পৌঁছাতেই নজরুল ইসলাম বাহাদুর সেই বাসা থেকে বের হন। তিনি বের হতেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

আর ওই সংঘর্ষে প্রাণ হারান বাবুল। টিপুকে চিহ্নিত সন্ত্রাসী উল্লেখ করে ঘটনার দিন তার বাসায় এসে কেন বাহাদুর এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছিলেন সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কদমতলীর হারুন মার্ডার, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের কর্মী সোহেল খন্দকার, আগ্রাবাদে মারুফ চৌধুরী মিন্টু হত্যাকাণ্ডে মোস্তফা কামাল টিপু প্রকাশ কসাই টিপু জড়িত ছিল তা প্রশাসন অবহিত। পরপর এতোগুলো হত্যাকাণ্ডে যার সংশ্লিষ্টতা, বাবুল হত্যাকাণ্ডের আগ মুহূর্তে তার বাসায় কী করছিলেন বাহাদুর?

বাবুলের মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে সেদিন কাদেরের অবস্থান ব্যাখ্যা করে নুসরাত বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যদি আব্দুল কাদের কিংবা তার কর্মী সমর্থকরা এই পরিকল্পনার সাথে জড়িত থাকতো তাহলে তারা নিশ্চয় একটা বাসায় ঢুকে গ্রেপ্তার হওয়ার অপেক্ষা করতো না। ঘটনার দিন আত্মরক্ষার জন্য তাহেরা ম্যানশন নামে একটা বাসায় ঢুকে গেট লাগিয়ে দেয় আমার স্বামী ও তার কর্মী সমর্থকরা। পরে সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এসময় তাদের কাছ থেকে কোন অস্ত্র পায়নি পুলিশ। অন্যদিকে পুলিশ যাওয়ার আগে জিয়া নামে একজনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাহেরা ম্যানশনের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে কাদেরকে আক্রমণ করতে চায়। পরে জিয়া অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও কার নির্দেশে হত্যাকাণ্ডের স্থান থেকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়া জিয়াকে ছেড়ে দিল পুলিশ?

ঘটনার সময় বাহাদুরের কর্মী সমর্থকদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে নুসরাত বলেন, ‘সংঘর্ষের মুহূর্তের মধ্যে শত শত বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ঘটনাস্থলে ভাংচুর চালায় বাহাদুরের সমর্থকরা। একই সাথে কাদেরকে আক্রমণ করে একটি গ্রুপ। একই সময়ে ঘটনাস্থল থেকে দূরে আমাদের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় অন্য একটি গ্রুপ। মুহূর্তের মধ্যে এত লোকজন তারা সংগঠিত করলো কীভাবে তাও আবার বেশিরভাগ বহিরাগত! তবে তাদের এসব পরিকল্পনা করাই ছিল? ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ভাঙার সাথে বাহাদুরের সমর্থকরা জড়িত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার দিন পুলিশের সামনেই ভাংচুর করছিল বাহাদুরের সমর্থকরা। আর সেখানে সিসিটিভিগুলোও পাওয়া গেল ভাঙা অবস্থায়। এলাকার আরও কিছু জায়গায় তারা সিসিটিভি ভাঙ্গছে এমন প্রমাণও আমাদের কাছে রয়েছে।

মূলত পরিকল্পিতভাবে বাবুলকে হত্যা করে সেই মামলায় কাদেরকে আসামী করতেই সেদিন সংঘর্ষ বাঁধানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করে কাদেরের স্ত্রী বলেন, ‘সেই সংঘর্ষের ঘটনায় কাদেরের সাথে থাকা ওবায়দুর রহমান মিন্টুও গুরুতর আহত হয়েছে। তারা এখনো চিকিৎসাধীন। অথচ বাহাদুরের সাথে থাকা বাবুল ছাড়া অন্য কেউ আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। এক্ষেত্রে বাবুল সংঘর্ষে মারা গেছে এই অভিযোগটিও সত্য নয়। বরং পরিকল্পিতভাবে বাবুলকে হত্যা করে সেই হত্যার দায় কাদেরের ঘাড়ে চাপাতেই অত্যন্ত সুচতুরভাবে ওই সংঘর্ষ বাঁধানো হয়েছিল বলে আমরা মনে করছি।’

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন

রেজাউলকে সঙ্গে নিয়ে মিছিলে আজম নাছির

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

রেজাউলকে সঙ্গে নিয়ে মিছিলে আজম নাছির

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে শেষ মুহুর্তের প্রচারণায় ও মিছিলে ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

সোমবার নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার আশ-পাশেসহ বিভিন্ন এলাকায় মিছিলে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এ সময় রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ দেয়া হচ্ছে, এর কোন ভি‌ত্তি নেই। য‌দি কা‌রো বিরু‌দ্ধে মামলা থা‌কে এবং ওয়া‌রেন্টভূক্ত আসামিকে প্রশাসন খোঁ‌জে বা গ্রেফতারের পদ‌ক্ষেপ নেয়। এতে আপনার আমার কোন হাতও নেই আপ‌ত্তিও নেই। বিএন‌পি মূলত জনসমর্থন হা‌রি‌য়ে, জনগণ দ্বারা প্রত‌্যাখ‌্যাত হ‌য়ে অজুহাত ও অ‌ভি‌যোগ পা‌র্টি‌তে প‌রিণত হ‌য়ে‌ছে।

আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম না‌ছির উ‌দ্দিন ব‌লেন, বিএন‌পি আস‌লেই কোন এ‌জেন্ট দি‌চ্ছেন কিনা কিংবা আ‌দৌ নির্বাচন কর‌তে চায় কিনা তা এখ‌নো প‌রিস্কার নয়।

তাছাড়া নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়ায়, পাড়ায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ নেতৃবৃন্দরা মিছিল সমাবেশ করেছেন শেষ মুহুর্তের প্রচারণায়। এতে প্রতিটি এলাকায় কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চসিক নির্বাচনের সর্বশেষ প্রচারণায় ও মিছিলে অংশ নেন মেয়র পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, চন্দন ধর, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা আবদুল কাদের সুজন ও দক্ষিণ জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান প্রমুখ। এসময় আওয়ামী লীগ নেতারা রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর