শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০৩:১২
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ১১:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

নারায়ণগঞ্জে ২৫ বসতঘরে অগ্নিকাণ্ড

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে ২৫ বসতঘরে অগ্নিকাণ্ড

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মুসলিমনগর এলাকায় প্রায় ২৫টি ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। এতে টিনসেডের ঘরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে তবে সরু সড়কের কারণে সেখানে আগুন নেভাতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারছে না ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জানান, সরু সড়কের কারণে সেখানে পানির ট্যাঙ্কগুলো আমরা প্রবেশ করাতে পারিনি। তিনটি ইউনিট কাজ করছে, আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। সেখানে ২৫টির মত আধাপাকা ঘর রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

খুপরি ঘরে বাস করেও সরকারি বরাদ্দের ঘর পেলেন না সুমন-সাথী দম্পতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

খুপরি ঘরে বাস করেও সরকারি বরাদ্দের ঘর পেলেন না সুমন-সাথী দম্পতি

সহায়-সম্পদ না থাকায় দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে একটি গন-শৌচাগারের সেফটিক ট্যাকিংর উপর কোনমতে খুপরি ঘর নির্মাণ করে ৫ সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন সুমন-সাথী দম্পতি। স্বামী সুমন পঙ্গু। আশা ছিল মুজিববর্ষে গৃহ ও ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেয়া একটি ঘর পাবেন তিনি। কিন্তু না, তাকে কেউ বিবেচনায় রাখেনি। 

এখনও খুপরি ঘরে কোনমতে স্বামী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন পেশায় সুইপার (মেথর) সাথী বেগম। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বাবুগঞ্জ বন্দরে গন-শৌচাগারের সেফটিক ট্যাকিংর উপর কোনমতে টিনের ছাউনি দিয়ে এক কক্ষ বিশিষ্ট একটি খুপরি ঘরে বসবাস তাদের। 

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জীবিকার তাগিদে ২০০৩ সালে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে স্ব-পরিবারে বরিশালের বাবুগঞ্জে আসেন সুমন-সাথী দম্পতি। নিজস্ব কোন জমিজমা কিংবা বসতি না থাকায় তারা বাবুগঞ্জ বন্দরের গন-শৌচাগারের সেফটিক ট্যাংকির উপর টিনের ছাউনি দিয়ে মানবেতর পরিবেশে বসবাস শুরু করেন। টিনের ঘরটিও এখন জরাজীর্ণ। স্বামী সুমন শারীরিকভাবে অক্ষম। 

মেথরের কাজ করে সংসারের ব্যয়ভার নির্বাহ করেন স্ত্রী সাথী। এক মেয়ে ও ৪ ছেলের মধ্যে বড় ছেলে একটি মোবাইলের দোকানে সেলসম্যানের কাজ করেন। করোনা প্রকোপের প্রথম দিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার মাহমুদ, সমাজসেবক আতিকুর রহমান এবং থানার ওসি মিজানুর রহমান কিছু খাদ্য সহায়তা করেন ওই পরিবারকে। এরপর আর কেউ তাকায়নি তাদের দিকে। 

মুজিব বর্ষে সরকারিভাবে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের খাস জমি সহ ঘর দেয়ার খবরে একটি ঘর পাওয়ার আশা করেছিলেন সাথী-সুমনের পরিবার। গত ২৩ জানুয়ারি বাবুগঞ্জ সহ সারা দেশের সকল জেলা উপজেলায় ভূমি ও গৃহহীনদের খাস জমি সহ ঘর দেয়া হলেও সেই তালিকায় নাম নেই গন-শৌচাগারের সেফটিক ট্যাংকির উপর বসবাস করা সুমন-সাথী পরিবারের। 

বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে বাবুগঞ্জে ১৭০জন ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১১০টি ঘরের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বাকী ৬০টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলছে। শীঘ্রই বাকী ৬০টি ঘরের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য জিলানী সাজোয়াল জানান, সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেতে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা আবশ্যক। কিন্তু ওই দম্পতির জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। সময়ের স্বল্পতার কারণে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা যায়নি। এ কারণে তারা ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি সহ ঘর থেকে বঞ্চিত হয়েছে। 

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কি কারণে ভূমি ও গৃহহীন ওই পরিবারের নাম সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়নি তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। একই সাথে সুমন-সাথীর পরিবার ভূমি ও গৃহহীন হলে তাদের সরকারিভাবে যথা সম্ভব সকল সাহায্য সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। 

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০০
প্রিন্ট করুন printer

অবন্তিকা বড়াল কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক

অবন্তিকা বড়াল কারাগারে

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অবন্তিকাকে আজ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আজ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে সোমবার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন তাকে প্রথম দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। 

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি পি কে হালদারের আরেক সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে দুদক। ওই দিনই তাকে আদালতে হাজির করে এক আবেদনের প্রেক্ষিতে অবন্তিকার বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

এই চার কোম্পানি হল ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলএফএসএল), পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)। এসব কোম্পানি থেকে তিনি ঋণের নামে বিপুল অংকের টাকা সরিয়ে বিদেশে পাচার করেছেন বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে। পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারি করা হয়েছে। তার মা লীলাবতী হালদারসহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৬
প্রিন্ট করুন printer

রংপুরের ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় আরও ৫ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরের ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় আরও ৫ জন কারাগারে

রংপুরে ঠাকুরপাড়ায় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়াসহ মালামাল লুট ও তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও ৫ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুরে রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আল মেহেবুর এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন সাবেক ইউপি সদস্য নুর ইসলাম, হানিফ মিয়া, রায়হান, তারিকুজ্জামান, মোজাহারুল ইসলাম। এনিয়ে ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় মোট ৫৫ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হল। 

আসামি পক্ষের আইনজীবী শফি কামাল ও একরামুল হক জানান, ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় গঙ্গাচড়া থানায় দায়ের করা মামলায় ৫ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি আরও ৬ আসামি আত্মসমর্পণ করেন। তাদেরও জেল হাজতে পাঠানো হয়। এছাড়া ৫ জানুয়ারি ওই মামলায় আরও ৪৪ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে হিন্দুপল্লী ঠাকুরপাড়ায় হামলা চালিয়ে অর্ধ শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মালামাল লুট করা হয়। এ ঘটনায় রংপুরের গঙ্গাচড়া থানায় একটি মামলা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত করে ২৬৮ জনের নামে চার্জশীট দাখিল করে। আদালত চার্জশীট গ্রহণ করে আসামিদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

গ্রাহকের টাকা তুলে নেওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তার নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

গ্রাহকের টাকা তুলে নেওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তার নামে মামলা
গ্রাহকের হিসাব থেকে ছয় লাখ টাকা তুলে নেওয়ায় অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের এক কর্মকর্তার নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। এই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন মামলাটির বাদী।
 
মামলার আসামির নাম আহসান হাবীব নয়ন। তিনি অগ্রণী ব্যাংকের রাজশাহীর গোদাগাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন। 
 
সাবের আলী নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ছয় লাখ টাকা ব্যাংক থেকে কৌশলে তুলে নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী শাখা এবং অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের তদন্তে বিষয়টি ইতোমধ্যেই উঠে এসেছে।
 
দুদকের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের অনুসন্ধান তারাও করেছেন। অভিযোগ সঠিক হওয়ায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। 
 
দুদক অনুসন্ধান করে দেখেছে, ছয় লাখ টাকা উত্তোলনের এক সপ্তাহ আগে তৎকালীন ব্যবস্থাপক আহসান হাবীব নয়ন গ্রাহক সাবের আলীকে অবহিত করেন যে, তার ঋণ হিসাবটি শূন্য করার জন্য একটি ফাঁকা চেক প্রয়োজন। এ জন্য আহসান হাবীব নয়ন ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরী আফজাল হোসেনকে ১৬ জুন সাবের আলীর পাড়িতে পাঠান। সরল বিশ্বাসে ওই চেকটি দিয়েছিলেন। নিরাপত্তা প্রহরী চেকটি এনে শাখা ব্যবস্থাপক নয়নকে দেন। এরপর নয়ন চেকে নিজ হাতে ছয় লাখ টাকার পরিমাণ লেখেন। ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার আবু বকর সিদ্দিক চেকের প্রথম ক্যানসেলেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকলেও তাকে এড়িয়ে নয়ন নিজেই চেক ক্যানসেলেশন করে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে গিয়ে ক্যাশ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামানকে চেকটি দিয়ে টাকা তার কক্ষে আনতে বলেন। আকতারুজ্জামান চেকটি সিডি ইনচার্জ আবু বকর সিদ্দিকের হাতে দেন। এ সময় আবু বকর সিদ্দিক চেকটি কম্পিউটারে পোস্টিং করে ক্যানসেলেশন করে পুনরায় আকতারুজ্জামানকে দেন। এরপর আকতারুজ্জামান চেকটি ক্যাশ করে ছয় লাখ টাকা ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক নয়নের কক্ষে গিয়ে তাকে বুঝিয়ে দেন। এভাবে নয়ন গ্রাহকের টাকা আত্মসাত করেন। পরবর্তীতে অগ্রণী ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে তার অপরাধ প্রমাণিত হলে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি তিনটি জমা ভাউচারে সাবের আলীর হিসাবে ছয় লাখ টাকা ফেরত দেন। ভাউচারগুলো হলো- ০৯৩৬৫১৪, ০৯৩৬৫১৫ ও ০৯৩৬৫১৬। এই টাকা ফেরত দিয়ে তিনি নিজেই তার অপরাধকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে দুদক মনে করে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে এই নিয়মিত মামলা করা হলো।
 
জানা গেছে, আসামি আহসান হাবীব নয়ন রাজশাহী মহানগরীর বহরমপুর ব্যাংক কলোনীর বাসিন্দা। তার বাবার নাম হারেজ উদ্দিন। গ্রাহকের টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত হলেও তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি। তবে বিষয়টি জানাজানির পর তাকে গোদাগাড়ী শাখা থেকে বদলি করা হয়। বর্তমানে রাজশাহীতেই তিনি অগ্রণী ব্যাংকের ডিজিএমের কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে কর্মরত আছেন। শাখা ব্যবস্থাপক থাকার সময়ও তিনি এই পদে ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২০
প্রিন্ট করুন printer

জালিয়াতির মামলায় বরিশালে ২ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল


জালিয়াতির মামলায় বরিশালে ২ জন 
কারাগারে
প্রতীকী ছবি

জাল-জালিয়াতি মামলায় কারাগারে গেলেন বরিশালের চিহ্নিত জালিয়াত চক্রের অন্যতম হোতা তাসাদ্দুক হোসেন ও তার সহযোগী খগেন্দ্র গঙ্গাভার। বুধবার দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলি আফরোজ তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। 

নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নথুল্লাবাদ লুৎফর রহমান সড়কের জনৈক জালাল মিয়ার বসতবাড়িসহ ৪ শতাংশ জমি ২০১৬ সালে জবর দখল করে জালিয়াত চক্রের অন্যতম হোতা তাসাদ্দুক হোসেন ও তার সহযোগীরা। পরে ওই দখল পাকাপোক্ত করতে একজন ভ‚য়া দাতা সাজিয়ে একটি আমমোক্তারনামা তৈরি করে তাসাদ্দুক। একই সাথে জমির মালিক ব্যবসায়ী জালাল মিয়াকে এ পর্যন্ত ৪টি মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে সে। 

এ ঘটনার প্রতিকার পেতে জমির মালিক জালাল মিয়া ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাসাদ্দুক ও তার কথিত দাতা খগেন্দ্র গঙ্গাভারের বিরুদ্ধে একটি জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। আদালত এই মালার অভিযোগ তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। পিবিআইর উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমান ২০২০ সালের ২৯ জুলাই আদালতে ওই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে তাসাদ্দুককে জাল-জালিয়াতির হোতা উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া প্রতিবেদনে তাসাদ্দুকের আমমোক্তার নামাসহ তার যাবতীয় কাগজপত্র অস্তিত্বহীন বলে উল্লেখ করা হয়। ওই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেয়। বুধবার ধার্য তারিখে তাসাদ্দুক ও তার কথিত দাতা খগেন্দ্র গঙ্গাভার আদালতে হাজিরা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে বিচারক পলি আফরোজ হলে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন বলে জানান বাদীর আইনজীবী নুরুল হক দুলাল মোল্লা। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর