শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৫৪

জাতিসংঘে শাহরিয়ার আলম

রোহিঙ্গা সমস্যায় ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়েছে

প্রতিদিন ডেস্ক

রোহিঙ্গা সমস্যায় ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়েছে

“বৈশ্বিক মানবিক চাহিদা অনুযায়ী ২০১৭ সালে বৈশ্বিক সংকট ব্যবস্থাপনায় মানবিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় ২৩.৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যা ছিল সর্বোচ্চ। আর মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সীমান্ত এলাকায় এ যাবতকালের মধ্যে সংঘটিত সর্বাপেক্ষা বড় মানবিক বিপর্যয় অর্থাৎ প্রায় এক মিলিয়ন রোহিঙ্গার বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয়দানের কারণে মানবিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পাশাপাশি এই ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে”। জাতিসংঘ সদরদফতরে বুধবার ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের ফোরামের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এমপি। খবর এনআরবি নিউজের। সাধারণ পরিষদে ১৯৭৪ সালে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ভাষণের বৈশ্বিক শান্তি বিষয়ক উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারাবিশ্বের সব নর-নারীর গভীর আশা-আকাক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে”। তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—আমাদের পররাষ্ট্র নীতির এই মূলমন্ত্র থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকেই শান্তির সংস্কৃতির প্রবক্তা।’ ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদের সরকারের সময় জাতিসংঘে উত্থাপন করা হয় মর্মে জানান প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। আসন্ন ৭৩তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যখন রেজ্যুলেশনটির ফলোআপ করা হবে তখন সব সদস্য রাষ্ট্র ১৯৯৯ সালে গৃহীত এই ডিক্লারেশনের ২০ বছর পূর্ণ করবে মর্মে প্রত্যাশার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের এই ফোরামের দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকালে ‘শান্তির সংস্কৃতি : টেকসই শান্তির নিশ্চিত পথ’ শিরোনামে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেল আলোচনাটিতে সিভিল সোসাইটির ব্যাপক উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। প্যানেল আলোচনা অংশের মডারেটর ছিলেন জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী। দিনব্যাপী আয়োজিত এই আলোচনা অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যও দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিরোস্লাভ লাইচ্যাক।


আপনার মন্তব্য