Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুন, ২০১৯ ২৩:১৫

স্বাসেপের সংবাদ সম্মেলন

দেশে এক শতাংশ নির্ভেজাল খাদ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে এক শতাংশ নির্ভেজাল খাদ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেছেন, বিভিন্ন পরিসংখ্যানে বলা হয়, দেশের ৫০ ভাগ খাদ্যে ভেজাল। কিন্তু বাস্তবতা হলো এক শতাংশ নির্ভেজাল খাদ্য খুঁজে পাওয়াই কঠিন। দেশের নাম করা ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলোর খাদ্যে ভয়ঙ্কর রকমের ভেজাল। সব খাবারে রং মেশানো হচ্ছে। যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। এ অবস্থায় আমরা যাব কোথায়? গতকাল স্বাধীনতা সেনিটারিয়ান পরিষদ (স্বাসেপ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৬ হাজার ৬৯৪টি ‘নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক’ সরকারি পদ সৃষ্টির দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে স্বাসেপ।

সম্মেলনে আলোচক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) সভাপতি আবু নাসের খান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব রফিকুল ইসলাম মিলন, ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমদ, স্বাসেপ-এর সাংগঠনিক উপদেষ্টা এম খছরু চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নেতারা। সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মৌসুমী ম ল। সভাপতিত্ব করেন স্বাসেপের আহ্বায়ক এ এফ জুনায়েদ আহমদ।

অধ্যাপক ফারুক বলেন, নৈতিকতার সঙ্গে সবাইকে ভেজালের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। তাহলে পদ সৃষ্টি করে কাজ হবে। তিনি বলেন, যুুক্তরাষ্ট্রে এফবিএ (ফুড অ্যান্ড বেভারেজ অ্যাসোসিয়েশন) খাদ্যভেজাল রোধ করেছে। আমাদের দেশেও সব সংগঠনকে একত্রিত করে এফবিএর মতো উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। আগে ৭০০ টন ফরমালিন আমদানি করা হতো। আমাদের দাবির পর ২০১৫ সালে সরকার ১০০ টন ফরমালিন আমদানি শুরু করে। এতে মেডিকেলের কাজে বা গবেষণার কাজে ফরমালিন ঘাটতি পড়েনি। তার মানে ৬০০ টন ফরমালিন মানুষের পেটে যাচ্ছিল। বাজারে ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। স্বাসেপ নেতারা বলেন, সঠিক তদারকির অভাবে ভেজাল রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। নিরাপদ খাদ্য অধিকার নিশ্চিত না করা গেলে জাতি ধ্বংসের দিকে এগিযে যাবে। তারা বলেন, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার ৫৫৬ নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক পদ সৃষ্টি করেছিলেন। এরপর নতুন কোনো পদ সৃষ্টি হয়নি। ফলে সঠিক তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর