৯ আগস্ট, ২০২১ ১৬:৩৭

বরিশালে প্রতিদিন ৮ হাজার মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষমাত্রা স্বাস্থ্য বিভাগের

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালে প্রতিদিন ৮ হাজার মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষমাত্রা স্বাস্থ্য বিভাগের

টিকা কেন্দ্রে আগ্রহীদের ভিড়।

বরিশালে করোনা টিকায় দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। জেলা ও মহানগরীর ৩৩টি কেন্দ্রে অধির আগ্রহে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা দিচ্ছেন তারা। জেলা ও মহানগরীতে বর্তমানে প্রতিদিন ৮ হাজার মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের। 

এদিকে, ইতিপূর্বে যারা কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন তাদের এখন দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মনোয়ার হোসেন। এর আগে, গত শনিবার (৭ আগস্ট ) একদিনের ক্যাম্পেইনে জেলা ও মহানগরীর ১৪১টি কেন্দ্রে ৭৬ হাজার ৪২০ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

একদিনের ক্যাম্পেইনের পর থেকে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ২৪টি কেন্দ্রের ৩৫টি বুথে দেয়া হচ্ছে মডার্নার টিকা। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টিকা দেয়া হচ্ছে প্রতিটি কেন্দ্রে। প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে টিকায়
আগ্রহীদের ভিড় দেখা গেছে। 

লাইনে দাঁড়ানো মানুষরা জানান, সুস্থ থাকতে তারা নিজেদের ইচ্ছায় টিকা নিচ্ছেন। টিকা নিতে কোন সমস্যা বা ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি তাদের। টিকা কেন্দ্রের দায়িত্বরত সেবিকারা জানান, যারা ইতিপূর্বে রেজিস্ট্রেশন করে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পেয়েছেন শুধুমাত্র তাদের মডার্নার টিকা দেয়া হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল হাজবুন জানান, নগরীর ২৪টি কেন্দ্রে প্রতিদিন ৫ হাজার মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তাদের। একদিনের ক্যাম্পেইন শেষে জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেয়া হচ্ছে সিনোফার্মের টিকা। 

জানা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল থেকে টিকায় আগ্রহী মানুষের ভিড় জমে যায়। কেন্দ্র সংখ্যা কম হওয়ায় মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সকাল থেকে কয়েক ঘন্টা লাইন দাড়িয়ে দুপুরে টিকা পেয়েছেন অনেকে। এতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দুর্ভোগ এড়াতে টিকা কেন্দ্র বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। 

এদিকে, জেলার ৯টি কেন্দ্রে প্রতিদিন ৩ হাজার মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের।
এদিকে এর আগে যারা কোভিড শিল্ডের প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের একই টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ড. মো. মনোয়ার হোসেন। 


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ আল সিফাত

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর