শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:২৯

১৫ কেজি চালের পরিবর্তে ১০ কেজি দেওয়ার অভিযোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি

১৫ কেজি চালের পরিবর্তে ১০ কেজি দেওয়ার অভিযোগ

করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় হতদরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের জন্য জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলায়। সরকারি নির্দেশনা মতে ফরিদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হতদরিদ্র পরিবারের প্রত্যেককে ১৫ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও ব্যতিক্রম শুধু নগরকান্দা উপজেলায়। এ উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার জন্য মোট চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় ২২ হাজার মেট্রিক টন। যা দেওয়ার কথা ১ হাজার ৪৬৭টি পরিবারের মাঝে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরকান্দা উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় চাল বিতরণ করা হয়েছে প্রত্যেককে ১০ কেজি করে। উপকারভোগীদের মধ্যে চরযশোরদী ইউনিয়নে ২২১ জনের বিপরীতে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৩১৫ মেট্রিক টন। পুরাপাড়া ইউনিয়নে ১১৩ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৬৯৫ মেট্রিক টন। শহীদনগর ইউনিয়নে ১১০ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন। ফুলসূতি ইউনিয়নে ৭০ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫০ মেট্রিক টন। কাইচাইল ইউনিয়নে ১২১ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৮১৫ মেট্রিক টন। তালমা ইউনিয়নে ২১৮ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ২৭০ মেট্রিক টন। রামনগর ইউনিয়নে ১৪৮ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ২২০ মেট্রিক টন। ডাঙ্গী ইউনিয়নে ১৬৩ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৪৪৫ মেট্রিক টন। লস্করদিয়া ইউনিয়নে ১৬৯ জনের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন। নগরকান্দা পৌরসভায় ১৩৪ জনের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৫ মেট্রিক টন। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু নগরকান্দা উপজেলার কোনো ইউনিয়নেই তা মানা হয়নি। এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইকবাল কবির বলেন, ১৫ কেজি করে চাল দিতে হবে এমন কোনো পরিপত্র আমার কাছে নেই। উপজেলা মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে।

তাছাড়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তাও ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা বলেছেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর