শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৯

করোনার ধকল কাটিয়ে চাঙ্গা আখাউড়া স্থলবন্দর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

করোনার ধকল কাটিয়ে চাঙ্গা আখাউড়া স্থলবন্দর

করোনাভাইরাস মহামারীর ধকল কাটিয়ে আবার চাঙা হয়ে উঠেছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম আখাউড়া স্থলবন্দর। এখন স্বাভাবিক সময়ের মতোই পণ্য রফতানি হচ্ছে। রফতানি হওয়া পণ্যের সিংহভাগই মাছ। প্রতিদিন গড়ে এ বন্দর দিয়ে ১০০ টন মাছ যাচ্ছে ভারতে। যার মূল্য আড়াই লাখ মার্কিন ডলার। রফতানি করা মাছের মধ্যে অন্যতম পাঙ্গাস, রুই, কাতল, মৃগেল, কার্ফু ও পাবদা। এ সব মাছের ৫০ শতাংশ যায় ত্রিপুরা আর বাকি ৫০ শতাংশ শিলচরে। সব মাছই হিমায়িত। দুই দেশের বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাজার ধরতে পারেন না। ফলে তাজা মাছ রপ্তানি করা যায় না। ত্রিপুরা ও শিলচরের বাজারে এখন পাঙ্গাস মাছের চাহিদাই বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন রফতানি হওয়া ১০০ টন মাছের মধ্যে ৩০ টনই পাঙ্গাস। মূলত মাছের ওপর ভর করেই চাঙা হয়ে উঠেছে বন্দরের রফতানি বাণিজ্য। জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে প্রথম আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে পণ্য আমদানি শুরু করেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। ২০১০ সালের ১৩ আগস্ট পূর্ণাঙ্গ বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় আখাউড়া। বন্দর প্রতিষ্ঠার পর প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার খাদ্যসামগ্রীসহ অর্ধশতাধিক পণ্য রফতানি হতে থাকে ভারতে। ব্যবসায়ীরা পণ্য আমদানি না করায় সরকার আখাউড়া থেকে কোনো রাজস্ব না পেলেও রফতানি বাণিজ্য থেকে রেমিট্যান্স পেয়ে থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে আখাউড়া বন্দরের রফতানি বাণিজ্য অর্ধেকে গিয়ে ঠেকে। ধীরে ধীরে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় রফতানিও বাড়তে থাকে। এখন প্রতিদিন গড়ে তিন লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি হচ্ছে ভারতে। এর মধ্যে মাছ ছাড়াও আছে সিমেন্ট, কয়লা ও তুলা ও খাদ্যসামগ্রী। আখাউড়া বন্দরের সুয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রাজীব উদ্দিন ভ’ইয়া বলেন, বন্দরের রফতানি বাণিজ্যে আগের চেয়ে এখন ভালো। প্রতিদিন আশানুরূপ হারে পণ্য রফতানি হচ্ছে। আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, সব পণ্য না নিলেও প্রচুর মাছ নিচ্ছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। ব্যবসা ভালো হলে বন্দরের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে বলে আশা করছি। বন্দরের মাছ রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক মিয়া বলেন, গত বছর শীতকালের তুলনায় এবার মাছ রফতানির পরিমাণ দ্বিগুণ। মাছই ব্যবসায়ীদের আশার আলো দেখাচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর