শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৪১

কাজ শেষ না করেই টাকা উত্তোলন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

কাজ শেষ না করেই টাকা উত্তোলন
Google News

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল খালিয়াজুরীতে হাওরের সংযোগ সড়কের কাজ শেষ না করেই অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ করেছেন কৃষকসহ স্থানীয়রা। যে কারণে এবারও ফসল ঘরে নিতে বিপাকে কৃষকরা। হাওরাঞ্চলের অবকাঠামো ও জীবনমান উন্নয়ন (হিলিপ) প্রকল্পের কাজ গত কয়েক বছরেও শেষ না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি আজও। এতে এবারও হাওরের ধান পরিবহনে চরম ভোগান্তিতে পড়বেন খালিয়াজুরীর সীমান্ত কৃষ্ণপুর ছায়ার হাওরের কৃষকরা। দীর্ঘদিন ধরে কাজ না করেই অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠলেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ জনপ্রতিনিধিসহ কৃষক ও স্থনীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চল ও সুনামগঞ্জের সীমানা খালিয়াজুরীতে বিভিন্ন ইউনিয়নে ২০১৬ সাল থেকেই সরকারের অবকাঠামো ও জীবনমান উন্নয়নে (হিলিপ) প্রকল্পের আওতায় এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চলছে প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন। বিশেষ করে হাওরের কৃষকদের একমাত্র ফসল ঘরে তুলতে ব্যবহৃত হাওর সংযোগ সড়ক পাকাকরণ প্রকল্পগুলো চলমান বেশ কয়েক বছর ধরে। এর মাঝে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে কৃষ্ণপুর কলেজ থেকে ছায়ার হাওর পর্যন্ত মাত্র ৩ কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি।

শুধু গাইডওয়াল করেই প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ কৃষকসহ স্থানীয়দের। ফলে এবারও হাওরের ধান পরিবহনে চরম ভোগান্তিতে পড়বেন তারা। প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চল হওয়ায় কাজ না করেই অর্থ আত্মসাদের অভিযোগ উঠলেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন জনপ্রতিনিধিসহ স্থনীয়রা। প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের শুরু থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতায় কাজ না করেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রকল্পে উপকারভোগীদের বোকা বানিয়ে এ ধরনের অনিয়ম করেছেন খালিয়াজুরীতে কর্মরত হিলিপের কো-অর্ডিনেটর এমন অভিযোগ কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামীম মড়লের। খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন সদ্য প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে গচ্ছিত ছিল। যে কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অনিয়মের কথা স্বীকার করে অসমাপ্ত কাজ অচিরেই শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন নেত্রকোনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিত কুমার কুন্ডু।

এই বিভাগের আরও খবর