শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১১

সেতু ধসের আশঙ্কা

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

সেতু ধসের আশঙ্কা
Google News

নওগাঁর ধামইরহাট-আগ্রাদ্বিগুণ সড়কের বীরগ্রাম সেতুটি সংস্কারের অভাবে ধসের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ফলে জটিল আকার ধারণ করেছে সেতু এলাকা। যে কোনো সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বর্ষা মৌসুমের আগে সেতুটি মেরামত করা না হলে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী সাপাহার, পোরশা উপজেলা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হাজার হাজার মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হবে। এতে ওই এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জানা গেছে, ধামইরহাট-আগ্রাদ্বিগুণ উপজেলা সড়কের বীরগ্রাম সেতুটির মাঝখানে ঢালাই উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। সেতুর মাঝখানে বালু, খোয়া উঠে গিয়ে রড বের হয়ে আছে। সেতুর মাঝখানে এ গর্ত হওয়ায় শুধুমাত্র দক্ষিণ পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছিল। পুরো সেতুটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় পুরো সেতু ভেঙে যেতে পারে। সেতুর ওপর পূর্বে একটি বড় গর্তে স্টিলের পাত দিয়ে কোনোরকমে সচল করা হয়েছে। কিন্তু পূর্ব পাশে আরও একটি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। দিন দিন এ গর্তের আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কোনো সময় গর্তের চারদিকে ঢালাই উঠে গিয়ে পুরো সেতু অচল হয়ে যেতে পারে। সেতুটি বন্ধ হলে এলাকার হাজার হাজার মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে। এ রাস্তা দিয়ে উপজেলার আলমপুর, খেলনা, আগ্রাদ্বিগুণ ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী সাপাহার, পোরশা উপজেলা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হাজারো মানুষ ধামইরহাট, জয়পুরহাট হয়ে দিনাজপুর, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। তাছাড়া এ রাস্তা দিয়ে এলাকার হাজার হাজার টন ইরি বোরো ধান ও শাক-সবজি ট্রাক যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। প্রতিদিন আত্রাই নদী থেকে শত শত অতিরিক্ত বালুভর্তি অবৈধ ট্রাক্টর চলাচলের কারণে রাস্তা ও সেতুর মারাত্মক ক্ষতি করছে। এসব ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণহীন ও দ্রুত গতিতে চলাচল করার কারণে মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করছে। শিক্ষক আবু ইউসুফ বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি মেরামত করা জরুরি। সেতুটি বিকল হলে এলাকাবাসীকে জেলা ও উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যেতে অনেক কষ্ট করতে হবে।

এ ছাড়া সব প্রকার অফিশিয়াল কাজকর্ম করতে আমরা সবসময় এ রাস্তা ব্যবহার করি। সেতুটি মেরামত করা না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে মানুষ অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হবে। উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আলী হোসেন বলেন, এ রুট পারমিটবিহীন ট্রাক্টরের চাকার ধরনের সঙ্গে গতিবেগের মিল নেই। চাকার ধরন বলছে সীমিত গতিবেগ থাকবে। কিন্তু ট্রাক্টরের অদক্ষ চালকরা দ্রুতগতিতে এসব গাড়ি চালায়। যার কারণে রাস্তা ও সেতুর ওপর অতিরিক্তি চাপ পড়ে। প্রায় ২১ বছর পূর্বে নির্মিত হলেও এসব অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত অতিরিক্তি বালু ভর্তি ট্রাক্টর যাওয়ার কারণে সেতুটি দুই দফা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর