শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২২ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মে, ২০২১ ২৩:৪২

ঢাকামুখী মানুষের দুর্ভোগ

স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত

প্রতিদিন ডেস্ক

ঢাকামুখী মানুষের দুর্ভোগ
Google News

ঈদের ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ঢাকামুখী কর্মজীবী হাজারো মানুষের দুর্ভোগ কিছুতেই কমছে না। গতকাল সকালেও বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রীর ভিড় দেখা গেছে। এদিকে রাজবাড়ীর পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীর ভিড় থাকলেও তেমন ভোগান্তি নেই। তবে গণপরিবহন না থাকায় ঢাকামুখী যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে পণ্যবাহী গাড়িতে গাদাগাদি করে আসতে দেখা গেছে। মাদারীপুর : বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলমুখী যাত্রীর চাপ নেই বললেই চলে। কিন্তু ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ রয়েছে। লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সড়কে নেই দূরপাল্লার বাস। তাই অনেক যাত্রীই কয়েক গুণ ভাড়া দিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে এসেছেন। অটোরিকশা বা সিএনজিতে দু-তিন গুণ বেশি ভাড়া, এর পরও আছে সংকট। অনেক যাত্রীর কাছে অতিরিক্ত ভাড়া না থাকায় কম টাকায় গাদাগাদি করে একটি পিকআপ ভ্যানে করে ঘাটে আসেন।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের সহকারী ম্যানেজার ভজন সাহা বলেন, ‘সকাল থেকে এ নৌরুটে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে। ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় কোনো যান বা যাত্রী নেই। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে যাত্রীরা ফেরিযোগে ফিরছেন। এতে যাত্রীদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনসহ ঘাট কর্তৃপক্ষকে। যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে ছিলেন সম্পূর্ণ উদাসীন।’ রাজবাড়ী : দৌলতদিয়া ঘাটে ভিড় থাকলেও ভোগান্তি নেই। যাত্রীর পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী যানবাহন পারাপার করেন ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। লঞ্চ বন্ধ থাকায় পারাপারের একমাত্র মাধ্যম ফেরি। তবে সড়কে গণপরিবহন না থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান বলেন, ‘পুলিশের ধারণা ছিল শুক্রবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হবে।

সেই বিবেচনায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক ছিল।’ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, ‘ঈদ শেষে মানুষ ঢাকায় ফিরবে। সে দিক বিবেচনা করে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৬টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে।’

এই বিভাগের আরও খবর