শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ জুন, ২০২১ ২৩:২৫

চলার অযোগ্য ৯ কিমি সড়ক

আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া

চলার অযোগ্য ৯ কিমি সড়ক
কলেজ রোড-মুরাদপুর বেহাল সড়কে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ইটের আধলা ও রাবিশ ফেলা হচ্ছে -বাংলাদেশ প্রতিদিন
Google News

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কলেজরোড থেকে গোসাইবাড়ী টুনিপাড়া ও আলতাদীঘি হয়ে মুরাদপুর পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে সড়কটি পরিণত হয়েছে ‘মরণ ফাঁদে’। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে এ সড়ক ব্যবহার করছেন ৪০ গ্রামের অর্ধলাখ মানুষ।

শেরপুর উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, শেরপুরের কলেজরোড-মুরাদপুর সড়কটি সবশেষ সংস্কার করা হয় ২০১৪ সালে। কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার একমাত্র পথ এটি। চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, একটি হাট ও দুটি বাজারে আসা-যাওয়ার মাধ্যম এই সড়ক। এ ছাড়া বনমরিচা, বাগড়া কলোনি, গোসাইবাড়ী, টুনিপাড়া, কেল্লা, তাজপুর, চন্ডেশ্বর, আলতাদীঘি, লক্ষীকোলাসহ ৪০ গ্রামের মানুষ সড়কটি দিয়ে চলাচল করেন। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম উপজেলায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয় এ সড়ক। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কজুড়ে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক স্থানে ইট, পিচ ও খোয়া উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতে কাঁদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। তখন কোনো কোনো গর্তে পানি জমে ডোবায় রূপ নেয়। প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। ভাঙা সড়কে চলতে গিয়ে বিকল হয় যানবাহন। কুসুম্বী ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্না বলেন, বেহাল এই সড়কটির অবস্থা উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরকে জানানো হয়েছে। সড়কের মাঝখানে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় যে কোনো সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে কিছু আদলা ইট ও রাবিশ ফেলা হচ্ছে। শেরপুর উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুর রাজ্জাক বলেন, ইতিমধ্যে সড়কটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন দফতরে ফাইল পাঠানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সড়কটি সংস্কারে বরাদ্দ আসবে এবং কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।