মুুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীর ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিস্ট মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। জানা যায়, গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন। পরে তিনি জলাতঙ্কের টিকা নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীরকে প্রত্যাহার করেন। এ ছাড়া অনিয়ম ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করেন।
উল্লেখ্য, ১১ মার্চ স্টেনোটাইপিস্ট মিজানুর রহমানের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ও মুন্সিগঞ্জের সময় পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে এবং পরদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর মিজানুর রহমান দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির মামলা করেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও স্টেনোটাইপিস্ট মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবিতে জেলার সাংবাদিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। এদিকে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মুন্সিগঞ্জের সাধারণ মানুষ।