Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ১৫:০৩

মাদারীপুরে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ

মাদারীপুরের টেকেরহাট শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী লাইব্রেরিয়ানসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীরা ইউএনও বরাবর ইভটিজিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখা পড়া বন্ধের উপক্রম ৩৮ ছাত্রীর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট শহীদ সরদার সাজাহান গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী লাইব্রেরিয়ান গোপাল বালাসহ দুই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি করে আসছে। মান সম্মানের ভয়ে ছাত্রীরা এতদিন মুখ খোলেনি। এদের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ওই প্রতিষ্ঠানের ৩৮ ছাত্রী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের উপর দায়িত্ব দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিযোগদানকারী একাধিক ছাত্রী জানায়, গোপাল স্যার আমাদের ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী ক্লাসে ইংরেজি এবং সমাজ ক্লাস নেয়। তার কাছে প্রাইভেট না পরলে তিনি বিভিন্ন ভয় দেন। গোপাল স্যার, অধ্যক্ষ স্যার এবং মিহির স্যার আমাদের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে। 

এসব সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগ দেয়ায় গোপাল স্যার আমাদের নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এবং বলে পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকিও দিচ্ছে। এ কারণে আমাদের লেখা পড়া হুমকির মুখে।

অভিযুক্ত সহকারী লাইব্রেরিয়ান গোপাল বালা বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল এসব করছে।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোকলেছুর রহমান জানান, প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে একে অপরের সাথে দ্বন্ধ নিয়ে এসব হচ্ছে। আর এ অভিযোগের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেখবেন।
    
রাজৈর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার ননি গোপাল জানান, টেকেরহাট শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মেয়েদের একটি অভিযোগ ইউএনও স্যারের মাধ্যমে পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এই মুহূর্তে আর কিছু বলা সম্ভব না। 

রাজৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহানা নাসরিন জানান, মেয়েদের অভিযোগ পেয়েছি। ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য