শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল, ২০২০ ১৫:৩০

সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রনোদনা চায় পৌরসভা সমিতি

নীলফামারী প্রতিনিধি

সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে 
প্রনোদনা চায় পৌরসভা সমিতি

করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটির মাঝেও মানুষকে সেবা দিয়ে চলেছেন দেশের পৌরসভাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। ময়লা আবর্জনা, রাস্তা ঘাট ও ড্রেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে বাদ যাচ্ছে না সুপেয় পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্য সেবা, জীবাণুনাশক স্প্র্রে, নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য সহায়তা ও অর্থ সহায়তা, সড়ক বাতি সচল, বাজার মনিটরিং, জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোয় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাবান, স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লাভস, লিফলেট, মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম। মাঠ পর্যায়ে এসব কার্যক্রমে ঝুঁকি নিয়ে করতে হচ্ছে কর্মচারিদের। 

বাংলাদেশ পৌরসভা সমিতি (ম্যাব) বলছে, পৌরসভার নিয়মিত আয়ের খাতগুলো বন্ধ হয়ে পড়ায় জরুার সেবাসমুহ চালু রাখতে নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এর ফলে কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ভাতা প্রদান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে সামনে রোজা ও ঈদ ঘিরে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করবে। এমনকি দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। 

বাংলাদেশ পৌরসভা সমিতির সভাপতি ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, জাতির এই ক্রান্তিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক ঝুঁকি নিয়ে দেশের ৩২৮ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারিরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। 

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসক ও নার্সদের পুরস্কার এবং ঝুঁকি বীমা ঘোষণা করা হলেও এক্ষেত্রে পৌরসভার স্টাফদের মৌলিক চাহিদা পূরণেরই কোন নিশ্চয়তা নেই। 

তিনি বলেন, দেশের এসব পৌরসভায় আগামী ছয় মাস বেতন ভাতা প্রদান বাবদ ছয়শ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে এই টাকা প্রনোদনা হিসেবে দিলে পৌরসভাগুলো উপকৃত হবে এবং মানুষের সেবা আরো তরান্বিত হবে। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য