শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ জুলাই, ২০২০ ২১:০০

সিরাজগঞ্জে লাখো মানুষ পানিবন্দী

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জে লাখো মানুষ পানিবন্দী

যমুনা নদীর পানি কমলেও এখনো জেলায় লাখো মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। এসব মানুষ মানবেতরভাবে জীবনযাপন করলেও কোন সহায়সতা পায়নি। এছাড়াও প্রতিদিন নদী ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটাসহ ফসলি জমি। সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে মানুষ। বন্যায় কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় ভবিষ্যত দুশ্চিনায় পড়েছে কৃষকেরা। সব মিলিয়ে বন্যা-ভাঙ্গনে দুর্বিসহ অবস্থায় জীবনযান করছে পানিবন্দী মানুষ। 

জানা যায়, বর্তমানে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলায় ৩৩টি ইউনিয়নের প্রায় ২১৬টি গ্রামের ২৫ হাজার পরিবারের দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সাড়ে তিন হাজার হেক্টর ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে। ১৬ কিলোমিটার রাস্তা নষ্ট হয়ে পড়েছে। পানি বাড়ায় নদী ভাঙ্গনে ঘরবাড়ী বিলীনও হচ্ছে। সব মিলিয়ে একদিকে করোনায় কর্মহীন অন্যদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ মানবেতরজীবযাপন করছে। এ অবস্থায় বন্যা দূর্গতদের মাঝে এখনো ত্রান বিতরন কার্যক্রম চালু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বানভাসি মানুষগুলো। 

কৃষকরা বলছেন, এবার  এবারের আগাম বন্যায় কৃষকের সব চাইতে বেশী ক্ষতি হয়েছে। বন্যা পরবর্তী সময়ে যদি কৃষকেরা প্রণোদনা দেয়া না হয় তবে কৃষকেরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। 

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোর জন্য ২৬৭ মে.টন চাল ও ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে এগুলো বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। 

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর