শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ মে, ২০২১ ১৮:২৮
প্রিন্ট করুন printer

নওগাঁয় ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁয় ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ
Google News

নওগাঁ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ছোট নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ। গত দুই মাস আগে বালুবাহী ট্রাক ব্রিজের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে দুর্ভোগ বেড়েছে এলাকাবাসীর। দ্রুত নতুন করে ব্রিজ তৈরির দাবী এলাকাবাসীর। 

জানা গেছে, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রজাকপুর ও শেখপুরা মহল্লার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট নদী। নদীর উত্তর পার্শ্বে শেখপুরা ও দক্ষিণ পার্শ্বে রজাকপুর মহল্লা। প্রায় ৫০ বছর আগে ছোট নদীর ওপর একটি ব্রিজ তৈরি করে দুই মহল্লাকে যুক্ত করেছে। শহরের তুলসীগঙ্গা থেকে ওই ব্রিজের ওপর দিয়ে বাইপাস সড়কে চলাচল করা হয়।

যেখানে প্রতিদিনই ওই রাস্তা দিয়ে ট্রাক, ট্রাক্টর, ভ্যান, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। তবে বয়সের ভারে ব্রিজটি দুর্বল হয়ে পড়ে। গত দুই মাস আগে বালুবাহী ট্রাক ব্রিজের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসী। এতে এক সপ্তাহ চলাচল বন্ধ ছিল।

পরে নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দা ও স্থানীয় কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান সাগর এর সহযোগীতায় অর্থ জোগানে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে অস্থায়ী ব্রিজ তৈরি করা হয়। এতে প্রায় ১২-১৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। অস্থায়ী ব্রিজের ওপর দিয়ে ভ্যান ও অটোরিকশাসহ অন্য যান চলাচল করতে পারলেও ভারী যান চলাচল করতে পারেনা। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মহল্লাবাসীদের। 

শেখপুরা মহল্লার বাসিন্দা পাইলট, শিবলি ও রজাকপুর মহল্লার নাজিম ও ফারুক হোসেন বলেন, ব্রিজটি অনেক পুরনো এবং ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। গত দুইমাস আগে বালুবাহী ট্রাক যাওয়ার সময় ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এতে এক সপ্তাহ নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। যদিও যাওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে প্রায় আধা-কিলোমিটার দুর দিয়ে ঘুরে যেতে হতো। পরে এলাকাবাসীদের অর্থে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ব্রিজ তৈরি করা হয়। এখন ঝুঁকি নিয়ে ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি ব্রিজ তৈরির দাবী জানান তারা।

নওগাঁ পৌরসভা মেয়র নজমুল হক সনি বলেন, ওই ব্রিজটি নিয়ে আমাদের চেষ্টা আছে। করোনার কারণে অফিস বন্ধ থাকায় কাজের গতি ধীর হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর