১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:০০

মেট্রোরেলের আরও ৪টি বগি ও ২টি ইঞ্জিন নিয়ে মোংলা বন্দরে এসেছে বিদেশী জাহাজ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

মেট্রোরেলের আরও ৪টি বগি ও ২টি ইঞ্জিন নিয়ে মোংলা বন্দরে এসেছে বিদেশী জাহাজ

জাপানের কোবে বন্দর থেকে মেট্টোরেলের আরও ৪টি বগি ও ২টি ইঞ্জিন নিয়ে চতুর্থ দফায় মোংলা বন্দরে ভিড়েছে বিদেশী জাহাজ এমভি প্রেসার্স কোরাল। জাহাজটি রবিবার বিকেল ৫টায় মোংলা বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করে। এরপর বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর জাহাজ থেকে বগি ও ইঞ্জিন নামানোর কাজ শুরু হয়। জাহাজ থেকে সরাসরি বার্জে (নৌযান) এ বগি ও ইঞ্জিন খালাস করা হচ্ছে। খালাস শেষে এগুলো নদী পথেই ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্টোরেলের ডিপোতে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদেশী জাহাজ এম ভি প্রেসার্স কোরাল’র স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনসিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানী লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মো. ওহিদুজ্জামান। 

তিনি বলেন, চতুর্থ দফায় আসায় ৪টি বগি ও ২টি ইঞ্জিনের সাথে আনুষাঙ্গিক আরো সরঞ্জামাদিও রয়েছে। গত ২৫ আগস্ট জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসা এই জাহাজে মেট্রোরেলের বগি ছাড়াও ২৪৪ টনের আরও ২০টি প্যাকেজের সরঞ্জাম এসেছে বলে জানায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।  

জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘এ মাসের শেষের দিকে মেট্রোরেলের আরও ১২টি বগি আসবে। সবমিলিয়ে আরও ১৪৪টি বগি আসার অপেক্ষায় রয়েছে।’ এর আগে তিনটি বিদেশি জাহাজে করে মেট্রোরেলের মোট ৩০টি বগি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। এসব বগি সংযোজন হয়ে ইতোমধ্যে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। গত ২৯ আগস্ট উত্তরা থেকে পল্লবী পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেল চলে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফখরউদ্দীন বলেন, এর আগে গত ৩১ মার্চ এমভি এসপিএন ব্যাংকক জাহাজে ৬ টি, ৫ মে এমভি ওশান গ্রেস জাহাজে ৬টি বগি ও ২০ জুলাই এমভি হরিজন-৯ জাহাজে ১০টি বগি ও ২টি ইঞ্জিন খালাস হয়েছে এ বন্দর দিয়ে। রবিবার আরও ৪টি বগি ও ২টি ইঞ্জিন নিয়ে এমভি প্রেসার্স কোরাল জাহাজ মোংলা বন্দরে ভিড়েছে। 

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, ‘দেশে আমদানি হওয়া মেট্রোরেলের এসব বগি মোংলা বন্দরে খালাস হওয়ার ক্ষেত্রে বন্দরের সক্ষমতার প্রমাণ করেছে। এরআগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন মালামাল ও যন্ত্রাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে এসেছিল। ২০১৯-২০২০ সালে বন্দরের আউটার বার ড্রেজিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বন্দরে ইনার বারের ড্রেজিং চলছে। নাব্যতা দূর হওয়াতে এখন বড় বড় জাহাজ আসতে পারছে। সবমিলিয়ে এটা একটা প্রতিফলন যে, মোংলা বন্দর একটি গতিশীল বন্দর হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে এবং বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।’

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর