শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা

বিএনপিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে

মেজর আখতার (অব.)

বিএনপিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে

দেশের ভূরাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। সরকার সঠিকভাবে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না। যদিও চীন, ভারত ও জাতিসংঘ বিশেষ করে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অব্যাহতভাবে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা এ সরকারকে করে যাচ্ছে।  তার পরও জনমত সরকার পক্ষে আনতে পারছে না। এর মধ্যে আবার বিশ্বের পোশাকশিল্পে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের ওপরে চলে গেছে। ফলে পোশাক রপ্তানিতেও দেশ নতুন চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। তারপর ঘন ঘন লকডাউন পোশাক রপ্তানিতে সংকট সৃষ্টি করছে। বর্তমানে আমদানি কম হওয়ায় বিদেশি মুদ্রার চাপ না থাকলেও ভবিষ্যতে করোনা-উত্তর  বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনা একটি কঠিন ধাক্কার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে যা বিশেষজ্ঞদের অভিমত। সবকিছু মিলিয়ে সরকার খুব একটা আরামদায়ক অবস্থায় নেই তা প্রায় দৃশ্যমান হয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি সবকিছু লেজেগোবরে করে ফেলছে। সরকার আর্থিক দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় যে দুর্নীতিবাজ নব্য ধনিক শ্রেণি তৈরি হয়েছে তারা এখন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানে অনুপ্রবেশ করে রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দিচ্ছে। আগামী নির্বাচনে এ নতুন দুর্নীতিবাজ নব্য ধনিকরা অবশ্যই রাজনৈতিক হিস্সা দাবি করবে। ফলে সরকারি দলের পুরনো রাজনীতিকরা তাদের অস্তিত্বের চাপে পড়বেন যা চলমান রাজনীতির ধারা বা গতিপ্রবাহ পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। পুরনো রাজনীতিকরা তাদের অবস্থান সহজেই ছেড়ে দেবেন না পরিষ্কারভাবে অনুমানযোগ্য।

সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে রাজনৈতিক ক্ষোভের জায়গাটি ছাইচাপা দিয়ে রাখছে। তবে সবার এমনকি সাধারণ মানুষেরও ধারণা যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে গেলে অবস্থার আমূল পরিবর্তন হতে পারে। এমনকি একটি ছাত্র-গণ বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলে অনেকের ধারণা।

ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ মহলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আভাস দিয়েছেন। সে লক্ষ্যে বিএনপি ভাঙার এক কর্মসূচি নিয়ে অনেকে মাঠে নেমেছেন। এ ব্যাপারে বিভিন্ন মহলের অপচেষ্টা ইতিমধ্যে বেশ দৃশ্যমানও। বিএনপি ভাঙতে সরকার এবার পিছপা হবে না। বিএনপিকে ভাঙার চূড়ান্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তা ছাড়া তাদের পরিকল্পিত গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রতিষ্ঠা করার জন্য হেফাজতে ইসলামকে নতুন করে পুনর্গঠিত ও সাজানোর চেষ্টা শুরু করেছে। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীকেও স্পেস দিতে চাচ্ছে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে সরকার যে মাঠে নামতে দেবে না সে ব্যাপার শতভাগ নিশ্চিত। সরকারের পরিকল্পনা হলো আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তিকে দ্বিধাবিভক্ত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের নামে মূল বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে একটি পরিকল্পিত সুষ্ঠু নির্বাচন করিয়ে বিশ্ববাসীকে দেখানো যে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চলমান আছে। এ ব্যাপারে ভারত ও চীন তাদের বেনিয়া স্বার্থে সরকারকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে যাবে।

সরকারের এখন ১ নম্বর শত্রু বিএনপি তথা তারেক রহমান। তাদের লক্ষ্য তারেক রহমান যেন মাঠে আসতে না পারেন। এজন্য তারা বহুমুখী প্রকল্প হাতে নিয়েছে- ১. বিএনপিকে পুলিশের ১ নম্বর টার্গেট করা : নির্বাচন ও রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই জনগণের সামনে যেতে হবে। কিন্তু পুলিশ বিএনপিকে ন্যূনতম ছাড় বা কোনো অবস্থাতেই রাস্তায় নামতে দেবে না। এখানে পুলিশ মূল ভূমিকা রাখবে। ২. একটি ছায়া তারেক-বিএনপি তৈরি করা : যাদের তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ আছে তাদের অর্থের বিনিময়ে পরিকল্পিত রাজনীতি করতে সুযোগ দেওয়া। এতে একদিক দিয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রিত তারেক-বিএনপি মাঠে দাবড়িয়ে বেড়াবে আর মূল বিএনপি পুলিশের চাপে জান বাঁচাতে ব্যস্ত থাকবে। ৩. বিএনপির মূল সংগঠনের বিপরীতে তারেক সমর্থিত একটি বিএনপি দাঁড় করিয়ে বিএনপির জনপ্রিয় নেতাদের কোণঠাসা করে দেওয়ার নীলনকশা যার আলামত ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। যাদেরই তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ আছে তাঁরাই দলে প্রভাবশালী হয়ে যাচ্ছেন- এ ট্রেন্ডটি খুবই বিপজ্জনক। একটি মহল এই প্রভাবশালীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে দলের মূল এবং শক্তিশালী নেতাদের অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে রাজনীতি ও নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে। ৪. তারেক রহমানের সঙ্গে ভুল ব্যক্তিদের যোগাযোগ করিয়ে দিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টি করানোর চেষ্টা হচ্ছে। ৫. মহাসচিবকে তারেক রহমানের একদম অনুগত এবং চরম বিশ্বস্ত বলে মাঠে ময়দানে চাউর করা হচ্ছে যাতে নতুন কেউ মহাসচিব হওয়ার জন্য আগ্রহী না হয়। এও কুচক্রী মহলের একটি চাল। কারণ নতুন মহাসচিব মানে দলে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য। ৬. তারেক রহমানের একদম ব্যক্তিগত অনুগত ছাড়া কোনো সাহসী, বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ, জনপ্রিয় এবং দুর্নীতিমুক্ত কাউকে স্থায়ী কমিটিতে ঢুকতে না দেওয়া। সবাই জানে বর্তমান স্থায়ী কমিটির সবাই কমবেশি দুর্নীতিগ্রস্ত, মন্ত্রী হিসেবে অতীতে সুস্পষ্টভাবে ব্যর্থ, দেশে-বিদেশে দুর্বল ইমেজ, সারা দেশ ঘুরে বেড়ানোর মতো শারীরিক যোগ্যতাও দুর্বল, সরকারের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নিতেও দুর্বল কারণ সবারই দুর্নীতির মামলা আছে এবং তাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা তারেক রহমানের বক্তব্যের বিরোধিতা করার অক্ষমতা। ফলে তারা তারেক রহমানকে কখনই সৎ ও উপযোগী সহযোগিতা, সমর্থন, পরামর্শ বা প্রস্তাব পেশ করবেন না। কারণ তারা জানেন তারেক রহমান তাদের বাদ দিলে তারা সবাই রাজনীতিতে শূন্য হয়ে যাবেন। এ রকম অথর্ব রাজনীতিবিদদের সমষ্টি একটি রাজনৈতিক দলের বিপর্যয়ের জন্য যথেষ্ট। সরকার এর পূর্ণ সুযোগ নিচ্ছে এবং এদের সবার সঙ্গে সরকারের একটি মহলের সুসম্পর্ক রয়েছে। না হলে তাদের জেলে থাকার কথা। উনারা জেলে থাকলে দলের পরবর্তী সারির নেতাদের কাজ করতে অনেক সুবিধা হতো এবং বিপুল প্রতিভাবান ও সম্ভাবনাময় সক্রিয় রাজনীতিবিদ দলে উঠে আসত। ৭. তারেক রহমানকে দলের একক ও একচ্ছত্র নেতা বানিয়ে রাখা যাতে দলের অন্য কোনো সক্রিয় কেন্দ্র বা কেন্দ্রসমূহ গড়ে উঠে সরকারকে ঝুঁকির মধ্যে না ফেলে দিতে পারে। ৮. তারেক রহমানকে ঘিরে বিএনপির রাজনীতিকে আবর্তিত করে রাখা যাতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল, শক্তি বা পক্ষ এবং দেশি-বিদেশি আগ্রহীরা বিএনপির প্রতি উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে না যায়। কারণ সবাই জানে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী আছে যাদের ছাড়া তারেক রহমানের কাছে পৌঁছা যায় না। ফলে কেউই খোলা মন নিয়ে সরকারবিরোধী কোনো পদক্ষেপ বিষয়ে আলোচনা করতে এগিয়ে আসবে না। কারণ সবাই জানে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তা সরকার জেনে যাবে। তাই সরকারের একটি মহল হয়তো অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তারেক রহমানকে একটি অন্ধকার গন্ডির মধ্যে আটকে রাখতে চাইবে বা রাখছে। ৯. পুলিশ বিএনপিকে মাঠে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সংগঠিত হতে দেবে না। ওপর থেকে বিভিন্ন নাম সংগ্রহ করে তারেক রহমান তাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে চাকরির নিয়োগ দেওয়ার মতো কমিটির তালিকা বিএনপি অফিস থেকে মহাসচিবের নামে ঘোষণা করে দেওয়া হবে কিন্তু মহাসচিব কিছুই জানবেন না বা জানানো হবে না। এও সরকারের একটি মহলের চাল। ফলে ঘোষিত কমিটির সঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের কোনো আস্থা বা বিশ্বাস থাকবে না এবং ঘোষিত কমিটিও ইহজনমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি কোনো দিন তৈরি করতে পারবে না। আর দলও সংগঠিত হতে পারবে না। জাজ্বল্যমান উদাহরণ সর্বশেষ ঘোষিত ঢাকা মহানগরীর দুটি কমিটি! ১০. আগামী দু-তিন বছর বিএনপি না কোনো আন্দোলন করতে পারবে না নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে পারবে। যদি বিএনপি আন্দোলনের চেষ্টাও করে তা হলেও নবগঠিত ঢাকা দুই মহানগরী কমিটির দ্বারা সে আন্দোলনের নেতৃত্ব বা সংগঠিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং তাদের সে সক্ষমতাও নেই। এও সরকারের একটি মহলের চাল। কারণ কমিটির গঠনেই দেখা যাচ্ছে ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই এ দুটি আহ্‌বায়ক কমিটি নতুন করে সাজানো হয়েছে। কাজেই এদের সামনে আন্দোলনের কোনো এজেন্ডা যে নেই তা অত্যন্ত স্পষ্ট। ১১. গোছানোর নামে দিন দিন দলকে আরও অগোছালো করে ফেলা হচ্ছে। এও সরকারের একটি মহলের অত্যন্ত সূ² চাল, যাতে বিএনপি আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে না পারে। পুলিশ বিএনপিকে কোনো পর্যায়েই সম্মেলন করতে দেবে না। ফলে যোগ্য এবং জনপ্রিয় নেতারা দলের নেতৃত্বে আসতে পারবেন না। ফলে সব কমিটি মহাসচিবের নামে দলের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে চিঠির মাধ্যমে ঘোষিত হবে যা একটি রাজনৈতিক দলের অপমৃত্যু ছাড়া কিছু হতে পারে না। ১২. আগামী নির্বাচনের জন্য এখন পর্যন্ত বিএনপির ন্যূনতম প্রস্তুতি নেই। কোনো একটি এলাকায়ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা পুলিশের ভয়ে মাঠে থাকতে পারছেন না বা থাকার চেষ্টাও করছেন না। সবাই মনোনয়নের জন্য লন্ডনের দিকে তাকিয়ে আছেন এবং লন্ডন পর্যন্ত দৌড়ঝাঁপ করছেন। এও সরকারি মহলের পাতা ফাঁদ। কারণ দলকে পাশ কাটিয়ে যারা মনোনয়ন নিয়ে মাঠে আসবেন তারা টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনে এনেছেন বলে নির্বাচনের সময় বিভ্রান্তি ছড়িয়ে প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি করা হবে যা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। ১৩. পুলিশের পাশাপাশি প্রশাসনও বিএনপি প্রার্থীদের কোনো সহযোগিতা করবে না। সরকারের একটি মহলের চাপে বিএনপি প্রার্থীদের বিপক্ষে প্রশাসন প্রকাশ্যভাবেই কাজ করবে। ১৪. দলে তারেক-বন্দনা প্রতিষ্ঠিত করা হবে এবং তারেকবিরোধীদের অপমানিত ও লাঞ্ছিত করা হবে যাতে তারেক সম্পর্কে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি সম্ভব হয়।

সরকারি মহলের এত অপচেষ্টার পরও বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। বিএনপি কোনো ব্যক্তি নয়। বিএনপি একটি দল, একটি বিশ্বাস, একটি চেতনা। এ দেশের কোটি কোটি মানুষের জাতীয়তাবোধ, আত্মপরিচয় ও স্বাতন্ত্র্য অস্তিত্ব যা প্রতিষ্ঠার জন্য লাখো লাখো মুক্তিযাদ্ধা প্রাণ দিয়েছেন এবং মা-বোনেরা তাদের ইজ্জত দিয়েছেন। বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের নিজস্ব আবাসভূমি যেখানে নিজ নিজ চিন্তা-চেতনা, ধর্মবিশ্বাস, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সার্বভৌমত্বের অধিকার নিয়ে শান্তিতে বসবাস করার স্বপ্ন দেখে এবং যা ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি। এখান থেকে সরে আসার কোনো উপায় নেই বিএনপির। বিএনপি জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা প্রতিপালনে প্রতিষ্ঠিত একটি জনবান্ধব রাজনৈতিক দল ও বিশ্বাস যা প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ জিয়াউর রহমান, যা লালনপালন করেছেন দেশমাতা খালেদা জিয়া এবং এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তারেক রহমান। বিএনপি ধ্বংসে সরকারের সব পরিকল্পনা ধূলিসাৎ করে দেওয়ার জন্য অনতিবিলম্বে দেশে তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্ব এবং বিএনপির রাজনীতি স্পষ্ট ও বেগবান করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একজন প্রতিনিধি মনোনয়ন ও নিয়োগ দেওয়া অতীব জরুরি বলে জনগণ মনে করে। যদি তা সম্ভব না হয় তা হলেও আমাদের হাল ছাড়লে হবে না।

সরকার দেশের বর্তমান রাজনীতির ও জনগণের প্রত্যাশার পরিপ্রেক্ষিতে আগাম নির্বাচন দিতে পারে তার আলামত ইতিমধ্যে দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী বেজোড় সালে নির্বাচনের বিপক্ষে তাই ২০২৩ সালে নির্বাচন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সরকার অপেক্ষা করবে তেমন সম্ভাবনাও ক্ষীণ! সরকার যে কোনো সময় নির্বাচন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের ধুয়া তুলে দেশি-বিদেশি সব প্লেয়ারকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে পারে। এতে বিএনপি ছাড়া অন্য কেউ অমত করবে না এবং সরকারও বিএনপির এ অমতের সুযোগ শতভাগ নেবে। তাই বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রত্যাশা এবং জনগণেরও অভিপ্রায় বিএনপি যেন নির্বাচন নিয়ে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করে দেয়।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।