শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২১

মধুবালার প্রেমকাহিনী

শোবিজ ডেস্ক

মধুবালার প্রেমকাহিনী

‘তোমার রূপের নাহিকো শেষ’, লাইনটি যেন তার জীবনের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায়। অল্প সময়ের জীবনে মিলেছে প্রচুর খ্যাতি। তার রূপে পাগল হয়েছিল একের পর এক পুরুষ। সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, ভেঙেও গেছে। কিন্তু সাবেক পাক-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার প্রেমের কাহিনী আজও এক রহস্য। অপরূপা সেই মহিলা মধুবালা। আর তার শেষের দিকের ‘প্রেমিকদের’ তালিকায় যাকে রাখা হয় তিনি পাক-প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো।

জুলফিকার আলী ভুট্টো তখন পাকিস্তানে পাকাপাকিভাবে বসবাস করলেও ভারতের পার্লামেন্টে তাকে নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিতর্ক এই নিয়ে যে, জুলফিকার আলী ভুট্টো যেমন পাকিস্তানের বাসিন্দা তেমনই দেশ ভাগ হওয়ার আগে তাদের ভারতের মুম্বাইয়ে প্রচুর সম্পত্তি ছিল। এটাই ছিল জুলফিকার আলী ভুট্টোর দাবি। ১৯৫৮ সালে তিনি যখন পাকিস্তানের মন্ত্রী হন তখনই এই বিতর্ক ভারতের রাজ্যসভায় চরমে ওঠে। ষাটের দশকে তাই তাকে ভারতে আসতে হতো। সেই সূত্রেই অনিন্দ্য সুন্দরী সুপারস্টার অভিনেত্রী মধুবালার সঙ্গে তার আলাপ হয়। মধুবালা তখন ‘মুঘল ই আজম’ ছবির শুটিং করছেন। মাঝে সম্পর্কে চিড় ধরতে শুরু করে দীলিপ কুমারের সঙ্গে। এবার এই প্রেমের গল্প ফুটে উঠতে যাচ্ছে সিনেমার পর্দায়।


আপনার মন্তব্য