শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৫২

এসব নিয়ে কথা বলতে খারাপ লাগে : এস এম এ ফায়েজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

এসব নিয়ে কথা বলতে খারাপ লাগে : এস এম এ ফায়েজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। উপাচার্য সেই বিদ্যাপীঠের প্রধান ব্যক্তি। তার নৈতিকতা, সততা, প্রশাসনিক দক্ষতা থাকতে হবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। সবাই এটা লক্ষ্য করে। সেখানে ঘাটতি হলে শুধু ছাত্র-শিক্ষক নয়, পুরো সমাজ ও জাতি দারুণভাবে ব্যথিত হয়। একজন সাবেক উপাচার্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, কমিশন বাণিজ্য, বর্তমান কোনো ভিসির বিতর্কিত কর্মকা-- এসব নিয়ে কথা বলতে খারাপ লাগে। তারপরও সচেতনতার জন্য কথাগুলো বলতে হচ্ছে। বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নানা বিতর্কিত কর্মকা- প্রসঙ্গে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে মোবাইল ফোনে তিনি আরও বলেন, একজন উপাচার্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার আস্থার জায়গা। সবার অভিভাবক এবং সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি। ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারীর আস্থার সেই জায়গা যাতে কোনোভাবেই নষ্ট না হয় সে ব্যাপারে তাকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতে হয়। ছাত্র-শিক্ষক প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি দাঁড়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া খুবই দুঃখজনক। বিচক্ষণতা দিয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টির সব সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া একজন উপাচার্যের দায়িত্ব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের কোটি টাকা উপাচার্যের মাধ্যমে ছাত্রলীগের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সৃষ্ট ছাত্রবিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা খুবই অনাকাক্সিক্ষত। কোনোভাবেই হওয়া উচিত নয়। ঘটনাটি তদন্ত হবে। অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। তবে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের অভিভাবক নিয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সচেতনতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানের কাছে মানুষের প্রত্যাশা খুব বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক উন্নয়ন কাজ হয়। উপাচার্য তার মেকানিজম দিয়ে সেই সব প্রকল্পের সর্বোচ্চ স¦চ্ছতা নিশ্চিত করবেন।

কোনো ধরনের বিতর্ক সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা আজ এসব অনিয়ম নিয়ে আন্দোলন করছে। এটা খুবই দুঃখজনক। ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্ক থাকবে মধুর ও সম্মানের। সেই জায়গাটা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর