শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ জুন, ২০২০ ০০:৩৫

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারেই সম্মতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

প্রতিদিন ডেস্ক

করোনাভাইরাসকে আটকাতে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (হু)। গতকাল হুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ফের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা যাবে। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসিস বলেছেন, করোনাভাইরাসের মৃত্যু নিয়ে যে তথ্য আমাদের কাছে এসেছে তার ভিত্তিতে আমাদের এক্সিকিউটিভ গ্রুপ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন চালু করার কথা জানিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ মে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকে স্বাস্থ্যের জন্য ‘বিপজ্জনক’ বলা হয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে। এমনকি করোনা রোগীর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়াবিরোধী এই ড্রাগটির পরীক্ষামূলক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছিল তারা। এবার সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আশা দেখাচ্ছে আইবুপ্রোফেন : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আইবুপ্রোফেন নামে একটি ওষুধ কাজ করবে কিনা তা নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। লন্ডনের গাইস অ্যান্ড সেন্ট টমাস হাসপাতাল এবং কিংস কলেজের বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই ওষুধটি মূলত প্রদাহ বন্ধ করতে এবং ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করলেও শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দূর করতে সক্ষম। তারা মনে করছেন, দাম কম হলেও এই ওষুধটি রোগীদেরকে ভেন্টিলেটর থেকে দূরে রাখবে। বিবিসি জানায়, এর মধ্যে প্রাণীর ওপর পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধটি মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা উপশমে কাজ করে। আর মারাত্মক শ্বাসকষ্ট করোনাভাইরাস সংক্রমণের গুরুতর লক্ষণগুলোর একটি।

ভ্যাকসিন উৎপাদনে ৫ কোম্পানি চূড়ান্ত করল যুক্তরাষ্ট্র : করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিন উৎপাদনে পাঁচ প্রতিযোগীকে চূড়ান্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরির প্রতিযোগিতায় নামা প্রায় এক ডজন কোম্পানি বা গ্রুপ থেকে বাছাই করে পাঁচটিকে নির্বাচিত করেছে ওয়াশিংটন। যাদের ভ্যাকসিনে সম্ভাবনাময় ফল পাওয়া গেছে এবং যারা অল্প সময়েই বিপুল পরিমাণে ভ্যাকসিন উৎপাদনে সক্ষম, মূলত তাদেরই নির্বাচিত করা হয়েছে। নির্বাচিতরা ভ্যাকসিন গবেষণায় মার্কিন সরকারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ  পেতে যাচ্ছে। নির্বাচিত পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো ম্যাসাচুসেটসভিত্তিক বায়োটেক ফার্ম মডার্না, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মার্কিন মেডিকেল জায়ান্ট জনসন অ্যান্ড জনসন, মার্ক এবং ফাইজার। ব্রাজিলে পরীক্ষা চালাচ্ছে অক্সফোর্ড : যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হবে ব্রাজিলে। সেখানে চলতি মাসেই শুরু হচ্ছে এ কার্যক্রম। ব্রাজিলের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যানভিসা ও  ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব সাও পাওলো (ইউনিফেস্প) জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে ব্রাজিলে তাদের ভ্যাকসিন পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে অ্যানভিসা। এ পরীক্ষায় অন্তত দুই হাজার মানুষ অংশ নেবেন। ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় পরিচালিত হবে এ কার্যক্রম। রেমডেসিভির অনুমতি ভারতে : কভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গিলিয়াড সায়েন্স ইনকরপোরেটের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার দেশটির সরকার ওষুধটি ব্যবহারে অনুমতি দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর