Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০৩:০১
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০৬:৫২

কিমের সাথে সাক্ষাৎ নিয়ে আশাবাদী ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

কিমের সাথে সাক্ষাৎ নিয়ে আশাবাদী ট্রাম্প
ফাইল ছবি

বিরোধী ডেমোক্রেটসরা যাই বলুক না কেন, তাতে কান দিচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উল্টো তিনি মুখিয়ে রয়েছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। ওয়াশিংটন স্পষ্ট করেছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই দ্বিতীয়বারের জন্য সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে কিম জং উন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

আর এ বৈঠক ঘিরে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। তবে কী বিষয় নিয়ে ফের বৈঠক তা জানা যায়নি। দ্বিতীয়বারের এই সাক্ষাৎ ঘিরে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্যুইটারে তিনি জানান, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ ছিল অত্যন্ত সদর্থক। দেখতে হবে ওবামা প্রশাসনের সময়ের নিরিখে উভয় দেশের সম্পর্ক কোথায় ছিল, এখন কোথায় রয়েছে।

এদিকে কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিতীয়বার সাক্ষাতের প্রেক্ষাপট তৈরি হতেই বিরোধীতায় সরব হন ডেমোক্রেটসরা। তাদের যুক্তি প্রথম বৈঠকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের যে প্রতিশ্রুতি উত্তর কোরিয়া দিয়েছিল তা পালন করা হয়নি। এবিষয়ে সব জেনেও নীরব ট্রাম্প প্রশাসন। এর মাঝেই দ্বিতীয় সাক্ষাতের সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ফের এক লোক দেখানো নিজেদের প্রচার সর্বস্ব বৈঠক করে কী লাভ?

বিরোধীতায় অবশ্য গুরুত্ব দিচ্ছেন না আমেরিকার এই সর্বময় কর্তা। তাঁর লক্ষ্য উনের কোরিয়াকে ক্রমে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের দিকে নিয়ে যাওয়া। পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আমেরিকার বাহাদুরি মানতে নারাজ ছিলেন উন। ফলে উভয় দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছয়। বিশ্বের প্রথম সারির একাধিক দেশ বিভিন্নভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন কোরিও দ্বীপ রাষ্ট্রটির উপর। তাতেও পিছপা হননি কিম জং উন। চালিয়ে গিয়েছেন লড়াই।

অবশেষে ২০১৮ সালের জুনে সিঙ্গাপুরে ঐতিহাসিক সাক্ষাত হয় মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বময় কর্তা কিমের। বৈঠক ফলপ্রসূ বলে দাবি করে উভয় রাষ্ট্র প্রধানই। কিম জানান ক্রমেই পারমণু নিরস্ত্রীকরণের কাজ চলবে দেশে। তবে তা কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে তা বলা হয়নি।

অভিযোগ এই প্রতিশ্রুতির পরও পারমাণু সংক্রান্ত কাজ সেদেশে চলছে। যদিও গত সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও দেশের প্রাক্তন পারমাণবিক কার্যক্রমের প্রধান উনের প্রতিনিধি হয়ে ওয়াশিংটনে যান৷ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে৷ তারপরই চূড়ন্ত হয় যুযুধান উভয় রাষ্ট্র প্রধানদের মধ্যে সাক্ষাতের বিষয়টি। তবে কোথায় হবে এই বৈঠক তা এখনও জানা যায়নি। মনে করা হচ্ছে ব্যাংকক অথবা সিঙ্গাপুরেই হতে পারে ট্রাম্প-উনের দ্বিতীয়বারের সাক্ষাৎ।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য