শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০৯:২০
প্রিন্ট করুন printer

মুসলিম যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ায় ডেল্টা এয়ারকে বিপুল টাকা জরিমানা করল মার্কিন সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক

মুসলিম যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ায় ডেল্টা এয়ারকে বিপুল টাকা জরিমানা করল মার্কিন সংস্থা
ফাইল ছবি

তিন মুসলিম যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়ায় ডেল্টা এয়ারলাইন্সকে বিপুল টাকা জরিমানা করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট।

একই বছরে পরপর ২টি ঘটনায় ওই কাণ্ড করে বসে ডেল্টা এয়ারলাইন্স। ২০১৬ সালে প্যারিসে একবার এক যাত্রী ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে এসে বলেন, অন্য ২ যাত্রীকে দেখে তার ভয় পাচ্ছে।  কারণ তাদের মধ্যে এক নারী মাথা ঢেকে রয়েছেন। ওই যাত্রীর পাশে গিয়ে তিনি দেখেছেন নারী যাত্রীটি মোবাইলে একাধিকবার আল্লাহ লিখছেন।

ওই ঘটনা জানার পর বিমানের পাইলট সিকিউরিটি অফিসারকে ডাকেন।  তিনি এসে ২ যাত্রীকে নামিয়ে নিয়ে যান। পরে তাদের আর বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। ওই ঘটনার পর মার্কিন নাগরিক ওই যুগল অভিযোগ করেন মার্কিন ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্টে।

ওই ঘটনার ৫ দিন পর প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটে আর্মস্টারডমে। এক মুসলিম যাত্রীর ব্যাপারে আপত্তি করেন অন্য এক যাত্রী ও ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট। তার পরেই ওই যাত্রী মালপত্র নামিয়ে দেওয়া হয়। পরের ফ্লাইটে তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন। মার্কিন ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্টের মতে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে ওই যাত্রীর সঙ্গে। ওই দুই ঘটনার পরিপ্রক্ষিতে ডেল্টা এয়ারলাইন্সকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২,৪৩,৩৪৫ টাকা জরিমানা করেছে মার্কিন ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট। তাদের দাবি একেবারে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে দুটি ক্ষেত্রেই।

এদিকে, জরিমানা দিতে হলেও সরকারি সংস্থার বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ডেল্টা। বিমান পরিবহন সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুটি ক্ষেত্রেই যাত্রীর ধর্মের জন্য তাদের বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়নি। বরং তাদের সন্দেহজনক আচরণের জন্যই তাদের উড্ডয়নের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সূত্র: সিএনএন, এনডিটিভি।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

১৫ আগস্ট স্বাধীন হলেও কেন ২৬ জানুয়ারিই প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে ভারত?

অনলাইন ডেস্ক

১৫ আগস্ট স্বাধীন হলেও কেন ২৬ জানুয়ারিই প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে ভারত?

সেই ১৯৫০ সাল থেকে শুরু করে প্রত্যেক বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস। কিন্তু কেন? কী জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটি?

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীন হয় ভারতবর্ষ। তবে সেই দিনটি ভারতীয়রা বেছে নেননি। বরং লর্ড মাউন্টব্যাটন নিজেদের ইচ্ছেমতো ১৫ আগস্ট দিনটি বেছে নেয় ভারতকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করার জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই দিনই জাপান মিত্রশক্তির কাছে হার মানে। সেজন্যই ১৫ আগস্ট দিনটি বেছে নেয় ব্রিটিশ সরকার। তবে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হলেও ভারতের নিজস্ব কোনও সংবিধান ছিল না। সেই সংবিধানই রচিত হয় এবং ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর তা গৃহীত হয়। সেই সময় সংবিধান রচয়িতারা ঠিক করেন যে, ভারতের প্রজাতন্ত্র হয়ে ওঠা কোনও বিশেষ একটি দিনে উদযাপন করা উচিত। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয় ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়।

কিন্তু কেন ২৬ জানুয়ারিকেই বেছে নেওয়া হল? কেন অন্য কোনও দিন নয়?

ঐতিহাসিক মাহাত্ম্যের বিচারে বেছে নেওয়া হয় ২৬ জানুয়ারিকেই। এই কারণেই ২৬ জানুয়ারি পরিচিত হতে শুরু করল ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে। কেন ২৬ জানুয়ারিই বেছে নেওয়া হল প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে?  ১৯২৯ সালের বর্ষশেষে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ‘পূর্ণ স্বরাজ’ আনার শপথ ঘোষণার পর ১৯৩০ সাল থেকে ২৬ জানুয়ারিকেই স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে ঔপনিবেশিক শাসনের শিকল ভেঙে ভারত যেদিন বাস্তবেই স্বাধীনতার মুখ দেখল- সেইদিন ঘটনাচক্রে ছিল ১৫ আগস্ট। যার ফলে পাল্টে গিয়েছিল ২৬ জানুয়ারির গুরুত্বও।

দীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলনের পরে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায়। ব্রিটিশ ভারত ভেঙে গিয়ে কমনওয়েলথ অব নেশমস-এর অন্তর্গত অধিরাজ্য হিসেবে দু’টি স্বাধীন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের জন্ম হয়। ১৯৪৭ সালের ২৮ আগস্ট ভারতের একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন বি আর অম্বেদকর। 

১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর একটি খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করে গণপরিষদে জমা দেয়। চূড়ান্তভাবে সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে ২ বছর ১১ মাস ১৮ দিনব্যাপী গণপরিষদ এই খসড়া সংবিধান আলোচনার জন্য ১৬৬ বার অধিবেশন ডাকে। এই সমস্ত অধিবেশনে জনসাধারণের প্রবেশের অধিকার ছিল। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর স্বাধীন ভারতের সংবিধান গৃহীত হয়। তারপর ঠিক করা হয় ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রথম স্বাধীনতা দিবস পালনের সেই দিনটিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ভারতের সংবিধান কার্যকর হবে এবং সেদিন থেকে প্রজাতান্ত্রিক ভারতবর্ষ হিসেবে পরিচিত হবে।

বহু বিতর্ক ও কিছু সংশোধনের পর ২৪ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে গণপরিষদের ৩০৮ জন সদস্য চূড়ান্ত সংবিধানের হাতে-লেখা দু’টি নথিতে (একটি ইংরেজি ও অপরটি হিন্দি) স্বাক্ষর করেন। এর দু’দিন পর ভারতে এই সংবিধান কার্যকর হয়। সূত্র: এবিপি আনন্দ

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৪১
প্রিন্ট করুন printer

শুধু উস্কানি নয়, ক্যাপিটল হামলায় কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থও দিয়েছিলেন ট্রাম্প!

অনলাইন ডেস্ক

শুধু উস্কানি নয়, ক্যাপিটল হামলায় কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থও দিয়েছিলেন ট্রাম্প!
ডোনাল্ড ট্রাম্প

আমেরিকার ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে গত ৬ জানুয়ারি। ওই দিন দেশটির পার্লামেন্ট ভবনে হামলা চালায় বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা। ঘটনায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসতি হয়েছেন ট্রাম্প। আনুষ্ঠানিকভাবে সেই অভিযোগ দাখিল হয়েছে সিনেটেও।

এরই মধ্যে জানা গেল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ক্যাপিটল হিল সমাবেশ ও হামলার জন্য উগ্র রক্ষণশীল সমর্থকদের শুধু উস্কানি নয়, আয়োজকদের কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থও দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

শুক্রবার প্রকাশিত রাজনীতি পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘সেন্টার ফর রেসপন্সিভ পলিটিক্স’র এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তবে অর্থের বিনিময়ে সমাবেশ ও হামলা চালানোর এ খবর অস্বীকার করেছেন ট্রাম্পের এক প্রচারণা উপদেষ্টা। খবর দ্য হিল, ব্লুমবার্গ ও ইয়াহু নিউজ।

নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হারিয়ে দেন ডেমোক্রেট প্রার্থী ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কিন্তু নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ফল মেনে নিতে অস্বীকার করে আসছিলেন ট্রাম্প। ৬ জানুয়ারি ছিল আনুষ্ঠানিকভাবে বাইডেনের বিজয় প্রত্যায়নের দিন।

সেই লক্ষ্যেই এদিন সকালে শুরু হয় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন। এদিকে ট্রাম্পের আহ্বানে আগে থেকে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে জড়ো হতে থাকে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকরা। এরপর আকস্মিকভাবে ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়ে তাণ্ডব চালায় তারা।

এ সময় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ট্রাম্প সমর্থকদের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন নিহত হন। সেন্টার ফর রেসপন্সিভ পলিটিক্স’র রিপোর্ট মতে, রাজধানীতে দলে দলে লোক জড়ো করতে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা তহবিল থেকে অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছিল।

এই অর্থের পরিমাণ ছিল ২৭ লাখ ডলারের বেশি। ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমাবেশ আয়োজকদের বেশ আগে থেকেই প্রস্তুত করছিলেন ট্রাম্প। এ জন্য প্রায় দুই বছর আগে থেকে তাদের অর্থসহায়তা দেওয়া হচ্ছিল ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা তহবিল থেকে। ফেডারেল ইলেকশন কমিশনের তথ্য মতে, সমাবেশ ঘোষণা আসার আগে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনকে এসব অর্থ দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের পক্ষে যত প্রতিবাদ-সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল, তার সব কটির নেপথ্য ভূমিকায় ছিল ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটি। এ নিয়ে একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এসব প্রতিবেদনে ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে তাণ্ডবে যোগ দেওয়া লোকজন ও সমাবেশের সাংগঠনিক আয়োজকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা শিবিরের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি উঠে এসেছে।

ট্রাম্পের পক্ষে ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস নিকট থেকে যেসব সভা-সমাবেশের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল, তার নথিতে ট্রাম্পের প্রচারণা দলের অন্তত আটজন কর্মকর্তার তালিকা রয়েছে।

এর মধ্যে ম্যাগি মুলভানির নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত তার নামে অন্তত এক লাখ ৩৮ হাজার ডলার পাঠানো হয়েছে। ম্যাগি হচ্ছেন মাইক মুলভানির ভাতিজি। ট্রাম্পের আমলে হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ ছিলেন মাইক।

তিনি পরে নর্দান আয়ারল্যান্ডবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব পান। ক্যাপিটল হামলার পর মাইক পদত্যাগ করেন। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেগান পাওয়ার নামের আরেক ব্যক্তিকে দেওয়া হয় দুই লাখ ৯০ হাজার ডলার।

রিপাবলিকান পার্টির অন্যতম চাঁদা সংগ্রহকারী ক্যারোলিন রেনের ও রোনাল্ড হোল্ডেনের নামও পাওয়া গেছে সভা-সমাবেশ করার আবেদনের নথিপত্রে। এই দুজনকে ট্রাম্পের সমাবেশের অনুমতিপত্রে উপদেষ্টা হিসাবে দেখানো হয়েছিল। ট্রাম্পের একটি নির্বাচনী প্রচারণা সংগঠন থেকে অরেনকে মাসে ২০ হাজার ডলার করে দেওয়া হয়েছে।

এপি জানিয়েছে, ফেডারেল ইলেকশন কমিশনের রেকর্ডে দেখা যায়, গত মধ্য মার্চ থেকে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত রেন প্রতি মাসে ট্রাম্পের প্রচারণা তহবিল থেকে এই অর্থ পেয়েছেন।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:২৮
প্রিন্ট করুন printer

ট্রাম্পের অভিশংসন: সিনেটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল

অনলাইন ডেস্ক

ট্রাম্পের অভিশংসন: সিনেটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল
ডোনাল্ড ট্রাম্প

আমেরিকার সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসন বিচার শুরুর জন্য সিনেটে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রতিনিধি পরিষদ।

স্থানীয় সময় সোমবার সিনেটে এই অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরা’র।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে ক্যাপিটলে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলার আগে এক বক্তব্যে তাদের উসকানি দিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট।

জো বাইডেনের বিজয়কে বৈধতা দিতে গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন চলাকালে ট্রাম্পের সমর্থকদের নজিরবিহীন হামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন নিহত হন।

প্রতিনিধি পরিষদের নয়জন ডেমোক্র্যাট সদস্য হাউসের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাম্পের অভিশংসন বিচারের জন্য আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কংগ্রেসের কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি ট্রাম্পকে অভিশংসিত করে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির ১০ জন সদস্যও ডেমোক্রেটিক পার্টির আনা ওই অভিশংসন প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। মোট ৪৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাবটি ২৩২-১৯৭ ভোটে পাস হয়।

এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসিত হন ট্রাম্প। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে এর আগে ২০১৯ সালে একবার প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে সে দফায় রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটে ভোটাভুটিতে বেঁচে যান তিনি। 

সিনেটের অভিশংসন বিচারে ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করতে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন পড়বে। সব সদস্য উপস্থিত থাকলে ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করতে তার দলেরও কমপক্ষে ১৭ জন সদস্যের ভোট প্রয়োজন হবে যা সহজ হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:২০
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:২৩
প্রিন্ট করুন printer

সেনাবাহিনীতে যোগদানে তৃতীয় লিঙ্গের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল বাইডেন প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক

সেনাবাহিনীতে যোগদানে তৃতীয় লিঙ্গের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল বাইডেন প্রশাসন

মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে তৃতীয় লিঙ্গের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা তুলে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০১৭ সালে ক্ষমতার আসার পরই সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন।

সোমবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ জানায়, লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ সুবিধা বঞ্চিত হবে বা কাজের সুযোগ হারাবে এমন ব্যবস্থা থাকবে না।

জো বাইডেন বলেন, কোনওভাবেই লিঙ্গ পরিচয় সামরিক সেবার ক্ষেত্রে বাধা হওয়া উচিত নয়।

এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও সাবেক সেনা প্রধান লয়েড অস্টিন জানান, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের অন্তর্ভুক্তির জন্য যথাযথ নীতি গ্রহণ করবে সেনাবাহিনী এবং এই কার্যক্রম দ্রুততার সাথে করা হবে। তথ্য বলছে, ২০১৯ সাল পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ হাজার।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৬
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

পদত্যাগ করছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

পদত্যাগ করছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিসেপে কন্তে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার এক বিবৃতিতে কন্তে জানিয়েছেন, তিনি মঙ্গলবার পদত্যাগ করবেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী কন্তে। তার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তিনি ওই বৈঠকে তার নিজের ইচ্ছার কথা মন্ত্রীদের কাছে ব্যক্ত করবেন। এরপরেই হয়তো তিনি প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেলার কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিতে যাবেন।

করোনা মহামারির কারণে দেশজুড়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে কন্তে হয়তো নতুন সরকার গঠনের পরামর্শ চাইতে পারেন। 

মহামারী করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে হতাশ হয়ে গত ১৩ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি তার ইটালিয়া ভিভা পার্টিকে প্রত্যাহারের পর থেকেই ক্ষমতাসীন জোট ভেঙে পড়েছে। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে কোনমতে টিকে গেছেন কন্তে। কিন্তু সিনেটের উচ্চ কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। ফলে তার সরকার বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি। সংবিধান সংস্কারের পরিকল্পনা করেছিলেন রেনজি। ওই পরিকল্পনার ওপর গণভোটে শোচনীয় পরাজয় দেখে আকস্মিক পদত্যাগ করেন তিনি। মাত্র মাত্র আড়াই বছর ক্ষমতায় থাকার পর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন রেনজি।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর