শিরোনাম
প্রকাশ : ১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫১
প্রিন্ট করুন printer

অভিবাসী-শ্রমিক ভিসার নিষেধাজ্ঞা বাড়ালেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

অভিবাসী-শ্রমিক ভিসার নিষেধাজ্ঞা বাড়ালেন ট্রাম্প

করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে মার্কিন শ্রমিকদের রক্ষায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার অভিবাসন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছেন। এতে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারী ও অস্থায়ী বিদেশি শ্রমিকেরা যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না। ট্রাম্প বলছেন, করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে মার্কিন শ্রমিকদের রক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।  

'ওয়ার্ক ভিসা' এবং 'ইমিগ্রান্ট ভিসা'সহ বেশকিছু ভিসার কাজ ৩ মাস স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন তিনি।
জানিয়ে দিয়েছেন, ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই সমস্ত ভিসা সংক্রান্ত সব কাজ বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার যে ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প, তাতে তিনি জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ এর জন্য জুন থেকে আমেরিকায় কাজের পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে। শুধু তাই নয়, এই অতিমারির ব্যাপক প্রভাব পড়েছে শ্রমিক বাজার এবং দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয়। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। প্রয়োজনে সেই মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই নির্দেশের ফলে এইচ-১বি, এইচ-২বি-সহ বেশ কিছু অস্থায়ী ভিসার জন্য যারা আবেদন করেছিলেন, তারা সমস্যার মুখে পড়লেন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বহু বিদেশি কর্মী বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় বহু কর্মী কাজ করতে যান আমেরিকায়। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ওই কর্মীরা যেমন প্রভাবিত হবেন, তেমনই বহু সংস্থাও কর্মী সঙ্কটে পড়বে। এইচ-১বি ভিসা হোল্ডার বহু ভারতীয় আমেরিকায় বিভিন্ন সংস্থায় নিযুক্ত। ট্রাম্পের এই নির্দেশে তাঁরাও বিপাকে পড়ল।

‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা বিভিন্ন দেশের জন্য বেঁধে দেয়া ছিল এতদিন। গত ডিসেম্বরেই তাতে ছাড় দেয়া হয়। ফলে এইচ-১বি ভিসা হোল্ডারদের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা হয়েছে। কিন্তু নতুন বছরেই ভিসার কাজকর্ম বন্ধ রাখার নির্দেশে অনেকেই সমস্যার মুখে পড়লেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের। সূত্র: আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:১৫
প্রিন্ট করুন printer

ইন্দোনেশিয়ায় ‘অবৈধ’ স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ ধস

অনলাইন ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ায় ‘অবৈধ’ স্বর্ণ খনিতে  ভয়াবহ ধস

ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসী দ্বীপের একটি ‘অবৈধ’ স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধ্বংস্তুপ থেকে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবৈধ খনি ধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। গত বছরও সুমাত্রা দ্বীপে ভারী বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত দ্বীপের স্বর্ণখনিতে ভূমিধসে প্রাণহানি হয়েছিল।

গত বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় অনুসন্ধান এবং উদ্ধারবিষয়ক সংস্থার প্রধান অ্যান্ড্রিয়াস হেন্ডরিক জোহানেস জানান, 'বুধবার গভীর রাতে মধ্য সুলাওয়েসী প্রদেশের পরিগি মৌতং জেলায় একটি খনিতে ধস নামে। এতে ২৩ জন আটকা পড়ে বলে অনুমান করা হয়েছিল। উদ্ধারকর্মীরা ১৬ জনকে উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে চারজন নারী ও দুজন পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে।'


বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির   


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:০৮
প্রিন্ট করুন printer

সীমান্ত নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করল জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক

সীমান্ত নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করল জাতিসংঘ

জন্মলগ্ন থেকেই একাধিক যুদ্ধ হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নিয়মিত গোলাবর্ষণ নিয়মিত গোলাবর্ষণে লিপ্ত থাকত দুই দেশ। আর এই দুই দেশের সংঘর্ষের খেসারত দিতে হচ্ছে সীমান্তবর্তী গ্রামে থাকা সাধারণ মানুষকে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার থেকে নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘর্ষ থামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ। আর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ। অভিনন্দন জানিয়েছে আমেরিকাও।

শুক্রবার জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্তেপানি দুজারিক বলেন, “নিয়ন্ত্রণরেখা ভারত ও পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি মেনে চলার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মহাসচিব। সমস্যা সমাধানে একটি যৌথ কাঠামো তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। মহাসচিব মনে করছেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে এমন সমঝোতার ফলে ভবিষ্যতে শান্তিবার্তার পথ আরও প্রশস্থ হয়েছে।”

এদিকে, নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে আমেরিকাও। এই বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি বলেন, “সীমান্তে শান্তি ফেরাতে ভারত ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিকে স্বাগত জানাচ্ছে আমেরিকা। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। আমরা দুই দেশকেই এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আহ্বান জানাচ্ছি।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় এক বিবৃতি জারি করে জানায়, ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ থেকে নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানের সঙ্গে নয়া সংঘর্ষবিরতি চুক্তি বলবৎ হয়েছে। দুই দেশের সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর এই পদক্ষেপে সম্মত হয় নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ। দুই দেশের ‘ডিরেক্টর জেনারেলস অব মিলিটারি অপারেশনস’ বা ডিজিএমও এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে পারস্পরিক সমস্যা মিটিয়ে নিতে পদক্ষেপ করতে রাজি হয়েছেন দুই দেশের সেনা কর্মকর্তারা। নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি যাতে সঠিকভাবে মেনে চলা হয়, সেই বিষয়ে নজর রাখতে রাজি হয়েছে দুই দেশ। ২৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে বা ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই এই চুক্তি কার্যকর হবে। কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য হলে হটলাইনের মাধ্যমে তা আলোচনা করা হবে। এছাড়া, দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে নিয়মিত বর্ডার ফ্ল্যাগ মিটিংও অনুষ্ঠিত হবে।”

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৫২
প্রিন্ট করুন printer

অবশেষে নমনীয় আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে পড়া ইরানি অর্থ আংশিক ছাড়ে সম্মতি

অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে নমনীয় আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে পড়া ইরানি অর্থ আংশিক ছাড়ে সম্মতি

দীর্ঘ উত্তেজনার পর ইরানের ব্যাপারে অবশেষে নমনীয় হতে শুরু করল আমেরিকা। দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে পড়া  ইরানের ৭০০ কোটি ডলারের অংশবিশেষ ছাড়ের বিষয়ে সম্মত হয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন।

পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন তার আওতায় ইরানের এ বিপুল পরিমাণ অর্থ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে আটকা পড়ে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালিত রেডিও কেবিএস ওয়ার্ল্ড বৃহস্পতিবার এ খবর দিয়েছে। 

২০১৮ সালে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া ছিল ইরানের জ্বালানি তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা। আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর দক্ষিণ কোরিয়া ইরানি তেলের মূল্য পরিশোধ করতে পারেনি। ফলে গত কয়েক বছর ধরে ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে আটকা পড়ে  রয়েছে। 

অর্থ ছাড়ের ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেছেন, সিউল এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, কোন পদ্ধতিতে ইরানকে অর্থ পরিশোধ করা যায় তা নিয়ে ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনা চলছে এবং সম্ভবত প্রথমে ইরানের অর্থ সুইজারল্যান্ডের কাছে পাঠানো হবে। 

এর আগে অন্য খবরে বলা হয়েছিল- দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকা ইরানের অর্থ পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। তারা দু’পক্ষ ইউরোপের এ দেশটিতে কথিত সুইচ হিউম্যানিটেরিয়ান ট্রেড এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ওই অর্থ পাঠাবে। 

ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকার কারণে ইরানে আমেরিকার স্বার্থ দেখাশুনা করে সুইজারল্যান্ড। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানে জরুরি পণ্য পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ড হিউম্যানিটেরিয়ান ট্রেড এগ্রিমেন্ট নামে একটি পদ্ধতি চালু করে। সূত্র: প্রেস টিভি

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:২৪
প্রিন্ট করুন printer

‘আমেরিকার আচরণের জন্যই ইরান পরমাণু সমঝোতা থেকে দূরে সরে গেছে’

অনলাইন ডেস্ক

‘আমেরিকার আচরণের জন্যই ইরান পরমাণু সমঝোতা থেকে দূরে সরে গেছে’

আমেরিকার আচরণের জন্যই ইরান পরমাণু সমঝোতা থেকে দূরে সরে গেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

তিনি বলেছেন,মার্কিন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণেই ইরান পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের কিছু ধারা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

একইসঙ্গে বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনের জন্য ইরানের ওপর থেকে অবৈধ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তিনি। 

জারিফ বলেন, আমেরিকা যখন পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেছে তখন ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারা স্থগিত রেখেছে। কিন্তু এই অচলাবস্থা যে কারণে সৃষ্টি হয়েছে তা এখনও নিরসন করেনি আমেরিকা।

জাওয়াদ জারিফ সুস্পষ্ট করে বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকা বেরিয়ে গেলে ইউরোপের তিন দেশ তাকে অনুসরণ করে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পথে হেঁটেছে এবং তারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। এ অবস্থায় জাওয়াদ জারিফ আমেরিকা এবং ইউরোপের তিন দেশকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, পরমাণু সমঝোতা ইস্যুতে যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনের জন্য এসব দেশকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে এবং তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। তাহলে ইরানের পক্ষে পরমাণু সমঝোতার আওতায় সহযোগিতার ধারাগুলো আবার বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৯
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:২১
প্রিন্ট করুন printer

ক্ষমতা গ্রহণের এক মাসেই বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ বাইডেনের

অনলাইন ডেস্ক

ক্ষমতা গ্রহণের এক মাসেই বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ বাইডেনের
জো বাইডেন

ক্ষমতা গ্রহণের এক মাস পরই বিমান হামলা পরিচালনার নির্দেশ দিলেন মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মসনদে বসেন বাইডেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসেন এই ডেমোক্র্যাটিক নেতা। খবর সিএনএন’র।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় ইরান সমর্থিত দুটি মিলিশিয়া গ্রুপের ঘাঁটিতে বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছেন বাইডেন। মার্কিন মসনদে বসার পর যুদ্ধ পরিচালনার জন্য এটিই তার প্রথম নির্দেশ। 

জানা গেছে, নির্দেশের পর এরই মধ্যে ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া গ্রুপের দুটি ঘাঁটিতে বিমান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

প্রতিবেদনে বলা  হয়েছে, গত সপ্তাহে মার্কিন বাহিনীর ওপর রকেট হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলা ইরান সমর্থিত এই মিলিশিয়া গ্রুপ দুটি চালিয়েছে বলে দাবি মার্কিন বাহিনীর। তবে এর পক্ষে জোরালো কোনও প্রমাণ নেই তাদের।

পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কির্বি বলেছেন, এই হামলাগুলো প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্দেশেই হয়েছে। এটি শুধু আমেরিকান ও জোট বাহিনীর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়া জানাতে নয়। বরং এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চলমান হুমকি মোকাবেলা করার জন্যও কর্তৃপক্ষ এই হামলার অনুমোদন দিয়েছে।

কির্বি বলেন, জোটের শরিকদের-সহ মার্কিন মিত্রদের সাথে পরামর্শ করে বাইডেন এই হামলা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর