শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:০১
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:০১
প্রিন্ট করুন printer

করোনার টিকা সরবরাহে পাকিস্তান থেকে কোনো অনুরোধ পায়নি ভারত

অনলাইন প্রতিবেদক

করোনার টিকা সরবরাহে পাকিস্তান থেকে কোনো অনুরোধ পায়নি ভারত

ভারত করোনার টিকা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে - বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল ও মায়ানমার - সরবরাহ করছে। তবে দেশটি এখনো পাকিস্তানের নিকট থেকে টিকা সরবরাহের জন্য কোনো অনুরোধ পায়নি। 

সাপ্তাহিক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, ভারত ভ্যাকসিন উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী একটি হাব হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বরাতে বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ভারতে তৈরি করোনার ভ্যাকসিন মানবতার কল্যাণে ব্যবহার করা হবে। 

ভারতের এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভারত প্রথমে ভুটানে দেড় লাখ করোনার টিকা সরবরাহ করে। এরপর মালদ্বীপে এক লাখ করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহ করে। এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার নেপালের জন্য আরও ১০ লাখ, বাংলাদেশের জন্য ২০ লাখ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। আর শুক্রবার মিয়ানমারের জন্য ১৫ লাখ, মরিশাসের জন্য এক লাখ ও পূর্ব আফ্রিকার দেশ সেশেলস-এর জন্য ৫০ হাজার করোনার টিকা পাঠানো হয়েছে। 

মি. শ্রীবাস্তব আরও বলেন, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানেও করোনার টিকা পাঠানোর বিষয়ে কথা হয়েছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট দপ্তর অনুমতি দিলে তাদের ওখানেও করোনার টিকা পাঠানো হবে। এছাড়াও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সৌদি আরব, সাউথ আফ্রিকা, ব্রাজিল, মরক্কো, বাংলাদেশ ও মায়ানমারে করোনার টিকা পাঠানোর বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মি. শ্রীবাস্তব বলেন, জি-টু-জি অথবা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাকিস্তানের কাছে ভারতীয় তৈরি ভ্যাকসিন সরবরাহের কোনো অনুরোধ সম্পর্কে আমি অবগত নই। তিনি আরও বলেন, ভারত পর্যায়ক্রমে অংশীদার দেশগুলোতে করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে। 

উল্লেখ্য, ভারত জরুরি ভিত্তিতে মানব দেহে প্রয়োগের জন্য করোনার দু’টি টিকা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এই দু’টি হল- অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার আবিষ্কৃত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন, যা তৈরি করেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। অপরটি হল ভারত বায়োটেক উদ্ভাবিত কো-ভ্যাকসিন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর