শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১০, বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১ আপডেট:

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

ন্যাটোর নতুন অবস্থান নিয়ে ক্ষিপ্ত বেইজিং, বিপাকে ইউরোপ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ন্যাটোর নতুন অবস্থান নিয়ে ক্ষিপ্ত বেইজিং, বিপাকে ইউরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো জোটের সঙ্গে চীনের এক তীব্র সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে ব্রাসেলসে এই সামরিক জোটের শীর্ষ সম্মেলন থেকে দেওয়া এক বিবৃতির পর।

এটিতে চীনকে বড় সামরিক হুমকি হিসেবে বিবেচনার পাশাপাশি দেশটির আচরণকে ন্যাটো জোটের জন্য এক “ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ” বলে বর্ণনা করা হয়।

ন্যাটো জোটের এই বিবৃতি চীনকে সাংঘাতিক ক্ষিপ্ত করেছে।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র বলে পরিচিত গ্লোবাল টাইমস পত্রিকায় এ নিয়ে যে দীর্ঘ সম্পাদকীয় প্রকাশ করা হয়, তাতে ন্যাটোর এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করা হয়। চীন বলছে, তাদের শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে “মিথ্যে অপপ্রচার” চালানো হচ্ছে।

ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আজ পর্যন্ত এই সামরিক জোটের ইতিহাসে চীনের বিরুদ্ধে এতটা কঠোর এবং বিরোধপূর্ণ অবস্থান গ্রহণের নজির নেই।

নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে। এর লক্ষ্য ছিল মূলত সে সময়ের অপর পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা। এরপর দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ন্যাটোর সব সামরিক কৌশলের কেন্দ্রে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, যাতে করে ইউরোপে তাদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা ঠেকিয়ে দেওয়া যায়।

ন্যাটোর সামরিক কৌশলে ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়াকে এখনও মুখ্য হুমকি বলেই দেখা হয়। কিন্তু এই প্রথম সেখানে চীনকে বিরাট বড় এক হুমকি হিসেবে সামনে আনা হয়েছে, যদিও ইউরোপের কাছাকাছি কোথাও চীনের কোনও রকম সামরিক উপস্থিতি এখনও নেই।

চীনকে নিয়ে কী বলেছে ন্যাটো জোট

ব্রাসেলসের শীর্ষ সম্মেলন থেকে ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে যে যৌথ ইশতেহার প্রকাশ করা হয় তাতে চীনকে এক বড় সামরিক হুমকি হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, চীন তার পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা অনেক দ্রুতগতিতে বাড়াচ্ছে। চীন যেভাবে তার সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন করছে, সেটা গোপন রাখার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তারা রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা শুরু করেছে।

ন্যাটোর বিচারে চীনের এসব আচরণ এখন তাদের জন্য এক “সিস্টেমেটিক চ্যালেঞ্জ” হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ন্যাটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টোলটেনবার্গ হুঁশিয়ারি দেন যে, সামরিক এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার বিচারে চীন এখন ন্যাটোর খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। তবে তিনি আবার একথাও বলেছেন, চীনের সঙ্গে তারা একটা নতুন স্নায়ু যুদ্ধের সূচনা করতে চান না।

ব্রাসেলস সম্মেলন থেকে যে ইশতেহারটি প্রকাশ করা হয়, তা ৩০টি সদস্য দেশের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এটিতে রাশিয়াকেই এখনো প্রধান হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তবে চীনকে এতে দেখানো হয়েছে এক নতুন “ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ” হিসেবে।

চীনকে নিয়ে এই উদ্বেগের ভিত্তি কী?

ন্যাটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টোলটেনবার্গ বলেছেন, সামরিক বাজেটের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পর চীন দ্বিতীয় স্থানে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবাহিনী এখন চীনের। তারা তাদের পরমাণু অস্ত্রের মওজুদ বাড়িয়ে চলেছে। তারা আরও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধজাহাজ তৈরি করছে।

এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, চীন এখন বিশ্বের এক বড় সামরিক এবং অর্থনৈতিক শক্তি। চীনের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে বড়। তাদের সামরিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্যের সংখ্যা বিশ লাখের বেশি।

চীন তাদের অঞ্চলের বাইরে অন্যান্য মহাদেশেও যেভাবে প্রভাব বাড়াচ্ছে, বিশেষ করে আফ্রিকায়, সেটা নিয়েও পশ্চিমা দেশগুলো উদ্বিগ্ন। সেখানে চীন কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিও স্থাপন করেছে।

ব্রাসেলস সম্মেলনে স্টোলটেনবার্গ বলেছেন,“চীন আমাদের শত্রু নয়, কিন্তু ক্ষমতার ভারসাম্য পাল্টে যাচ্ছে। চীন আমাদের অনেক কাছে চলে আসছে। চীনকে আমরা সাইবার-স্পেসে দেখতে পাচ্ছি, তাদেরকে আমরা আফ্রিকায় দেখতে পাচ্ছি, একই সঙ্গে তারা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতেও বিনিয়োগ করছে। কাজেই ন্যাটোকে একটি জোট হিসেবে এসবের মোকাবেলা করতে হবে।”

চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূমধ্যসাগরে তাদের যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে, তাদের জাহাজ আর্কটিক অঞ্চলের ভেতর দিয়েও গেছে। রাশিয়ার সঙ্গে তারা যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যেটা বলতে গেলে একেবারে ন্যাটোর দোরগোড়ায়। ইউরোপে তারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর মালিক, এর মধ্যে গ্রিসের একটি বন্দরও রয়েছে।

চীনের যে বিনিয়োগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ সেটি হচ্ছে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক। চীনের হুয়াওয়ে পুরো আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপ জুড়ে তাদের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি চালু করার চেষ্টা করছে। ন্যাটো এটা নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত, এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ চীনের হাতে থাকলে, সেটার পরিণাম কী হতে পারে।

চীন যা বলেছে

ন্যাটোর যৌথ ইশতেহারের পরপরই ইউরোপীয় ইউনিয়নে চীনা মিশন থেকে টুইটারের একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। এতে চীন অভিযোগ করেছে যে ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে চীনে “শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের” বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। চীন এমন এক প্রতিরক্ষা নীতিতে বিশ্বাসী যা ‘আত্মরক্ষামূলক’।

এতে আরও বলা হয়, “চীন কারও জন্যই ‘সিস্টেমেটিক চ্যালেঞ্জ’ হতে চায় না, কিন্তু এরকম কোন ‘সিস্টেমেটিক চ্যালেঞ্জ’ যখন আমাদের কাছে চলে আসবে আমরা হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবো না।”

চীন বলেছে, তারা যেভাবে তাদের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন করছে, সেটা ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত। এটি তারা করছে স্বচ্ছতার সঙ্গে, খোলাখুলি।

চীনের উন্নয়নকে যুক্তিসঙ্গত-ভাবে দেখার জন্য ন্যাটোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এগুলো তাদের বৈধ স্বার্থ এবং অধিকার। ন্যাটোর উচিৎ নয় এগুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে তাদের সামরিক জোটের রাজনীতি হাসিল করা। কারণ এতে করে সংঘাত এবং ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উস্কানি দেওয়া হবে।

তবে চীনের গ্লোবাল টাইমস পত্রিকায় যে সম্পাদকীয় প্রকাশ করা হয়, সেটিতে আরও কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে ন্যাটোর বক্তব্যের। এটির শিরোনাম, “ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক স্বার্থে নেটোর সদস্য দেশগুলোকে ব্যবহার করা উচিৎ নয়।”

গ্লোবাল টাইমস চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পিপলস ডেইলি পত্রিকা গোষ্ঠীর একটি প্রকাশনা। এটির সম্পাদকীয়তে চীনা সরকারের মতামতই তুলে ধরা হয়।

এই সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন আসলে চীনের সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ন্যাটোর মতো একটি সামরিক জোটকে ব্যবহার করছে। ন্যাটো সম্মেলন থেকে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো মিথ্যাচার। ন্যাটোর বেশিরভাগ সদস্য দেশ আসলে চীনের সঙ্গে তাদের মতপার্থক্য রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিকভাবেই মীমাংসা করতে চায়।

ওয়েস্টার্ন প্যাসিফিক অঞ্চলে যদি কখনও যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়, তখন কী ঘটতে পারে, সেটার একটা ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এই সম্পাদকীয়তে।

“ওয়েস্টার্ন প্যাসিফিকে নেটোর সামরিক ক্ষমতা নিয়ে আসা ওয়াশিংটনের জন্য খুব কঠিন হবে। যখন ওয়েস্টার্ন প্যাসিফিকে সামরিক সংকট দেখা দেবে, যুক্তরাষ্ট্র তখন ন্যাটোকে ব্যবহার করবে যেন আরও বেশি পশ্চিমা দেশ চীনের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে, এবং চীনের উত্থান ধ্বংস করে দিতে পারে।”

“চীনকে সামরিকভাবে জয় করার কোন ইচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলেই মনে করা হয়, কারণ চীন পরমাণু শক্তিধর একটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্র আসলে চায়, চীন-মার্কিন দ্বন্দ্বকে আরও তীব্র করার মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য বাড়ানো, যাতে চীনকে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে পিষে ফেলা যায়।”

গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়তে আরও বলা হয়, চীন ইউরোপের জন্য কোনও হুমকি নয়, ইউরোপের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চীন অঙ্গীকারবদ্ধ। ওয়াশিংটনের ‘আজ্ঞাবহ হয়ে’ কেকের একটি ক্ষুদ্র অংশের ভাগ পাওয়ার চেয়ে বরং নিজের নিয়তি নিজে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে ইউরোপের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়।

ন্যাটোর ভেতরে টানাপোড়েন

গত বেশ কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে এই সামরিক জোটের উদ্দেশ্য এবং কৌশল কী হওয়া উচিৎ তা নিয়ে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে ন্যাটো জোট কিছুটা গুরুত্ব হারিয়েছিল ট্রাম্পের কারণেই। তিনি ইউরোপের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র কেন এত অর্থ খরচ করবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং ন্যাটোর বাজেটে ইউরোপীয় দেশগুলোকে আরও বেশি অর্থ দিতে হবে বলে দাবি করেছিলেন। এই জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে তখন ন্যাটোর ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছিল।

তবে প্রেসিডেন্ট বাইডেন দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ন্যাটোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বার্থ রক্ষায়’ ন্যাটো জোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ন্যাটো জোট এখন রাশিয়ার পাশাপাশি চীনকেও যে এক নতুন সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছে, সেটা নিয়ে জোটের মধ্যে মতপার্থক্যের আভাস দেখতে পাচ্ছেন অনেকে।

এটি চীনের সঙ্গে এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা করতে পারে, এমন আশংকা করেন কেউ কেউ।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য জোট, আর চীনের সঙ্গে রয়েছে তাদের ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক। ওয়াশিংটন চীনকে যেভাবে একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখে, ইউরোপের অনেক দেশ সেভাবে দেখে না।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অবশ্য এরকম স্নায়ুযুদ্ধের আশংকা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয় না, চীনের সঙ্গে একটি নতুন স্নায়ু যুদ্ধে জড়াতে চাইবেন কেউ।”

একই ধরনের কথা শোনা গেছে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের মুখেও। নেটো জোটের বৈঠক শেষে তিনি বলেছেন, “আপনি যদি সাইবার হুমকি বা হাইব্রিড হুমকির কথা ভাবেন, বা চীন-রাশিয়া সহযোগিতার দিকে তাকান, তাহলে চীনকে কোনভাবেই উপেক্ষা করতে পারবেন না।”

“কিন্তু এটিকে খুব বেশি বাড়িয়ে দেখানো ঠিক হবে না। আমাদের একটি সঠিক ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া দরকার।”

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
সর্বশেষ খবর
সীতাকুণ্ডে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, গ্রেফতার ৪
সীতাকুণ্ডে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, গ্রেফতার ৪

এই মাত্র | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জেলা বিএনপির সম্মেলন
মেহেরপুরে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জেলা বিএনপির সম্মেলন

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

রংপুরে প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট কাটছে না
রংপুরে প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট কাটছে না

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

কসবায় শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড
কসবায় শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বৈষম্যহীন সমাজের আকাঙ্ক্ষায় রংপুরে শ্রমিক ফ্রন্টের মতবিনিময় সভা
বৈষম্যহীন সমাজের আকাঙ্ক্ষায় রংপুরে শ্রমিক ফ্রন্টের মতবিনিময় সভা

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: ড. আহমেদ আব্দুল কাদের
জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: ড. আহমেদ আব্দুল কাদের

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে সেতাবগঞ্জ স্টেশন অবরোধ
ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে সেতাবগঞ্জ স্টেশন অবরোধ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

৫১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা

৫২ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা