ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি দ্রুত কার্যকরের আহ্বান জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, এই চুক্তি সফল হলে দীর্ঘ মেয়াদে শান্তি ফিরবে। তবে মাঠের পরিস্থিতি ভিন্ন। চুক্তি বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ হিসেবে দুই দেশের প্রতিনিধিরা কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছালেও বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ইরান বলছে, তাদের দল মূলত কাতারে আটকে থাকা অর্থ ছাড়ের বিষয়ে কথা বলতে গেছে। ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাদের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিশেষ দূত ও জামাতাকে দোহায় পাঠিয়েছেন। এই টানাপোড়েনের মাঝেই ওমান ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে।
সম্প্রতি দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় চুক্তিটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। জবাবে মার্কিন বাহিনী বোমাবর্ষণ করলে ইরান কুয়েত-বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়। তবে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কড়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আলোচনার টেবিলে সুবিধা পেতে চাইছে ইরান। হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের কাজ ইরান একাই করবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।
এই সংকটের মধ্যেই ইরানের জন্য একটি বড় সুখবর এসেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, কাতারে জব্দ থাকা ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের মধ্যে ৬০০ কোটি ডলার তারা ফেরত পাচ্ছেন। নিষেধাজ্ঞা শিথিলের এই সিদ্ধান্তকে তিনি জনগণের বড় বিজয় বলছেন।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে