শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:০১, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ আপডেট: ১৯:২৬, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৪ দলীয় জোটের শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণার পর এ কথা জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাজা অপ্রতুল। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে অবশ্যই আপিল করা হবে।

এর আগে গত ২২ জুন রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন নির্ধারণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। ২৫ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

৩৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রের সঙ্গে রয়েছে এক হাজার ৬৭৯ পৃষ্ঠার নথিপত্র।

এছাড়া রয়েছে তিনটি অডিও ও ছয়টি ভিডিও ডকুমেন্ট। এ মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে হাসানুল হক ইনুকে।

আটটি অভিযোগে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উসকানি, ১৪ দলীয় জোট সরকারের অংশীদার জাসদের সভাপতি হিসেবে তার ঊর্ধ্বতন অবস্থান থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা এবং কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলন দমনের নির্দেশনার পর ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার
অভিযোগে বলা হয়, হাসানুল হক ইনু ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই একটি বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে আন্দোলন দমন এবং আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উসকানি দেন। 

১৪ দলের সভায় উপস্থিত থেকে উসকানি
আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর উপস্থিতিতে ১৪ দলীয় জোটের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী সেনা মোতায়েন ও কারফিউ জারির মাধ্যমে আন্দোলনরত নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে দেশব্যাপী সেনা মোতায়েন করে আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তা কার্যকর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে হাসানুল হক ইনু নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা দিয়েছেন।

কুষ্টিয়ার এসপিকে ফোন
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০ জুলাই দুপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে নিজ জেলা কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পূর্বের নির্যাতনকে অনুমোদন করেন। এই নির্দেশনার পর কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সদস্য এবং ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডাররা ৫ আগস্ট পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়।

এতে শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ নিহত হন। রাইসুল হকসহ অসংখ্য নিরীহ-নিরস্ত্র আন্দোলনকারী আহত হন এবং অনেককে আটক করে নির্যাতন করা হয়।

আন্দোলন দমনে শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ
অভিযোগে বলা হয়েছে, হাসানুল হক ইনু সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র (লেথাল উইপন) ব্যবহার, আন্দোলনকারীদের ঘেরাও, হেলিকপ্টার ব্যবহার করে গুলি চালানো, বোমা হামলা, আটক ও নির্যাতনের ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা এবং উসকানি প্রদান করেন।

এরই অংশ হিসেবে ২০ জুলাই দুপুরে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, আন্দোলনকারীদের ঘেরাও করে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে হামলা এবং গুলি চালানোর মতো পদক্ষেপে শেখ হাসিনার গৃহীত সিদ্ধান্তকে তিনি অনুমোদন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র, সহায়তা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয়েছে। 

গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার
অভিযোগে বলা হয়, ২৭ জুলাই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। একইসঙ্গে সরকারের জারি করা কারফিউ এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও নিপীড়নকে কৌশলে সমর্থন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের বৈধতা
অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ জুলাই শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সভায় হাসানুল হক ইনু উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিয়ে আন্দোলন দমন এবং আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব বাস্তবায়নে নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডারদের পরিচালিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনকে বৈধতা দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ
অভিযোগে বলা হয়েছে, হাসানুল হক ইনু সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আন্দোলন দমনে কারফিউ বহাল রাখা, দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার এবং নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, আটক ও নির্যাতনের ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা, উসকানি ও নির্দেশনা প্রদান করেন।

এর অংশ হিসেবে ৪ আগস্ট আন্দোলন দমনে কারফিউ জারি ও গুলি চালানোর মতো পদক্ষেপে শেখ হাসিনার গৃহীত সিদ্ধান্তকে অনুমোদন করেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র, সহায়তা ও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিজ দলের নেতাকর্মীদেরও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যা
অভিযোগে বলা হয়, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঘোষিত ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে কুষ্টিয়া জেলার সর্বস্তরের জনগণের পাশাপাশি নিরীহ-নিরস্ত্র শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী এবং চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ রাস্তায় নেমে আসেন।

সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার হাজারো নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা হাসপাতাল মোড়ে জড়ো হয়ে সেখান থেকে চৌড়হাস হয়ে মজমপুরের দিকে শান্তিপূর্ণভাবে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুগত অধস্তন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহবুবউল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও নির্দেশের প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান আতার নির্দেশে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসী অজয় সুরেখা, মানব চাকী, আতিকুর রহমান অনিক, শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জ, রাশিদুল ইসলাম বিপ্লব, তৈয়ব বাদশা, তাইজাল আলী খান, স্বপন কুমার গং পুলিশের ছত্রছায়ায় (কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশের সঙ্গে একত্রে) নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর শহরের বিভিন্ন স্থানে গুলি চালাতে থাকে।

এই গুলিবর্ষণের ফলে দুপুর দেড়টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে বক চত্বর থেকে আনুমানিক ৫০ গজ উত্তরে শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, বার্মিজ গলিতে সুরুজ আলী বাবু, হরিপুরগামী রাস্তার আড়ংয়ের সামনে শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুত্তাকিন, মো. উসামা, তুলাপট্টির গলিতে ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী এবং ফায়ার সার্ভিসের বিপরীত দিকে সড়কে চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ নিহত হন।

বিডি প্রতিদিন/একেএ

এই বিভাগের আরও খবর
গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস
সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ককে ‘অনুকরণীয় মডেল’ বললেন রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ককে ‘অনুকরণীয় মডেল’ বললেন রাষ্ট্রদূত
উদ্বোধনের পর থেকে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩,৪২৯ কোটি টাকা
উদ্বোধনের পর থেকে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩,৪২৯ কোটি টাকা
খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই
খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই
দাম কমলো ফার্নেস তেলের
দাম কমলো ফার্নেস তেলের
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ডা. মনোয়ারুল কাদির
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ডা. মনোয়ারুল কাদির
রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা
রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা
সংসদের বিশেষ কমিটির ৪র্থ বৈঠক
সংসদের বিশেষ কমিটির ৪র্থ বৈঠক
সর্বশেষ খবর
‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, ঘানার সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী
‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, ঘানার সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস
১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস

১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নিখোঁজ ১
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নিখোঁজ ১

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন
১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি গ্রেফতার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি গ্রেফতার

১৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ১
প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ১

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চোরাই পথে আনা ১৯ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
চোরাই পথে আনা ১৯ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

২৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার

২৪ মিনিট আগে | শোবিজ

কক্সবাজারে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ
কক্সবাজারে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ

২৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধর্ষণ মামলায় কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ
ধর্ষণ মামলায় কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ

৩৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঘুচছে প্রায় শতাব্দীর অপেক্ষা
ঘুচছে প্রায় শতাব্দীর অপেক্ষা

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের
র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষককে প্রণোদনা
দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষককে প্রণোদনা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গবেষণা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি সদস্য ড. আইয়ুব
গবেষণা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি সদস্য ড. আইয়ুব

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় এসআইকে শোকজ
জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় এসআইকে শোকজ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস
সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

৫৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের
শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মা ও ছেলের
মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মা ও ছেলের

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি
ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জার্মান বধের নায়ক গিল, সন্তানকে বাঁচাতে বিক্রি করেছিলেন বুট-জার্সি
জার্মান বধের নায়ক গিল, সন্তানকে বাঁচাতে বিক্রি করেছিলেন বুট-জার্সি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার
বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম