জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকার বরাবরই কৃষিবান্ধব। বিএনপি যখনই দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে। এরই মধ্যে সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
গতকাল সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের বাজেট সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেবে।’ বাজেটের ওপর সমাপনী আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার তার সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে এগিয়ে চলছে। তবে এটি বহু কঠিন একটি পথ। বাংলাদেশের মানুষ আমরা প্রত্যেকে গ্রামগঞ্জে ঘোরা মানুষ। মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করা মানুষ আমরা। বাংলাদেশের মানুষ পরিশ্রমী মানুষ, যা আমরা নিজেদের চোখে দেখেছি। আমাদের তরুণসমাজ মেধাবী; কৃষকরা উৎপাদনশীল; প্রবাসীরা দেশপ্রেমিক এবং আমাদের উদ্যোক্তারা সম্ভাবনাময়। সুতরাং আমাদের ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এই মহান সংসদের সব সদস্যকে আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, এই বাজেট শুধু সরকারের বাজেট হিসেবে নয়, আসুন আমরা সবাই এ বাজেটকে একটি পুনর্গঠনের বাজেট হিসেবে দেখার চেষ্টা করি। সংসদ নেতা বলেন, আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার; জনগণের কষ্ট লাঘব; আর্থিক খাতে আস্থা ফেরানো; কৃষক, শ্রমিক, তরুণ, নারী ও প্রবাসী উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার প্রশ্নে আমরা সবাই ইনশাল্লাহ ঐক্যবদ্ধ থাকব। এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাঁবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও সেচসুবিধা প্রসারে সরকারের সাম্প্রতিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত তিন মাসেই দেশে ৯০০ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে আরও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নানামুখী সংকটকে আমরা অস্বীকারও করতে চাই না, আবার সংকটের অজুহাতও বানাতে চাই না। বরং সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করতেই আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন যে এবারের বাজেটে ৬১টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করার ফলে বাজারে পণ্যের দাম বর্তমানে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের মূল দর্শন ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানের চাকাকে সচল ও বেগবান করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য। আমরা একটি বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার কাজ হাতে নিয়েছি। তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ তৈরির আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, দেশে এমন একটি অর্থনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে যেখানে যুবসমাজকে একটি চাকরির জন্য বছরের পর বছর ঘুরে বেড়াতে হবে না। দেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক শ্রমবাজারেও বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। প্রস্তাবিত বাজেট পাসের আগে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্ককর কমানোর প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করতেও অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নরমালি দাবিটা বিরোধী দল থেকে হয়ে থাকে। আমি আপাতত ফিজিক্যালি না হলেও মানসিকভাবে ওনাদের পাশে গিয়ে কথা বলতে চাই।’ তিনি বলেন, করব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও করদাতাবান্ধব করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। করদাতাদের স্বস্তি দিতে ব্যক্তিগত আয়কর অব্যাহতির সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি এই সীমা যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখছেন। প্রস্তাবিত বাজেটে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনসংক্রান্ত বিধান নিয়েও জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরির বিষয়টি নজরে আসার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।
সংসদ নেতা বলেন, জমি প্রকৃত মূল্যে নিবন্ধন না হওয়ার কারণে করদাতাদের হয়রানি কমাতেই এ বিধান আনা হয়েছিল। তবে অনেকেই এটিকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তাই প্রস্তাবিত এই বিধান প্রত্যাহার করার জন্য অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। করের আওতা বাড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে এ প্রস্তাবও প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান সরকারপ্রধান।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বর্তমানে আরোপিত ১০ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন তারেক রহমান। তবে শর্ত হিসেবে তিনি বলেন, করসুবিধার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে, ভাষা শিক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন করতে এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে। পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য করসুবিধা আরও সম্প্রসারণেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে পার্বত্য জেলায় পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত আয়ের করমুক্ত সুবিধার পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বেতনের আয়ও করমুক্ত করার সুপারিশ করেন তিনি।
চিংড়িশিল্পের প্রসার ও রপ্তানি বাড়াতে ফিড অ্যাডিটিভ, প্রোবায়োটিকস, ভিটামিন, মিনারেলস এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া স্থানীয় শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর সুপারিশ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওষুধ ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত মধু আমদানির ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা উচিত। পাশাপাশি পিইটি রেজিন, পিভিসি, কোল্ড-রোলড শিট, রোল প্রোডাক্টের অক্সাইডসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত শুল্ক হ্রাস বা প্রত্যাহারের জন্যও অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংসদ নেতার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘সাইকেলের ওপর সব শুল্প প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য উনি (প্রধানমন্ত্রী) যদি একটু মেহেরবানি করে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, তাহলে বিরোধী দলের পক্ষে উনি যে ভূমিকা পালন করেছেন তা ষোলো আনা পূরণ হয়ে যাবে।’ পরে সংসদ নেতা বলেন, এইমাত্র বিরোধী দলের নেতা ওনাদের অবস্থান থেকে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করব এই প্রস্তাবটি সবকিছু পরীক্ষানিরীক্ষা করে যতটুকু বিবেচনা করা যায়, উনি বিবেচনা করবেন।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ স্লোগানে একযোগে দেশের ২৯ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই মঞ্চ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ জাতীয় প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া দেশের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের নানা উদ্ভাবনী প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রজেক্টের সুবিধাজনক দিকগুলো তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনসিসির কার্যক্রম যুগোপযোগী করতে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে : বিএনসিসির কার্যক্রম যুগোপযোগী করতে যথাযথ বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ন্যাশনাল লেভেল স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বেলা ২টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’ দেন বিএনসিসি ক্যাডেটরা।
গ্রাহকদের জন্য স্মার্টফোন সাশ্রয়ী করতে বাংলালিংকের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রাহকদের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বাংলালিংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভেয়নের চেয়ারম্যান অগি ফাবেলা গতকাল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান। জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডিজিটাল সেবাকে আরও সহজলভ্য করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
দেশের কল্যাণে কাজ করতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। গতকাল জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের দুপুরের বিরতিতে অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সংসদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ : মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার প্রচেষ্টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে ব্যতিক্রমী এক শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। এতে মাদারীপুর সদর উপজেলার ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, মাদারীপুর ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, টেকেরহাট পপুলার স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং রাজৈর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে তারা জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন এবং সংসদ ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন। শিক্ষার্থীরা গতকাল দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।