শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

অর্থমন্ত্রী

বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। অতীত সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের কারণে দেশের ঋণ পরিস্থিতি চাপে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অর্থের সংস্থান নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বাস্তবায়ন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেটের সফলতা ঘোষণায় নয়, কার্যকর বাস্তবায়নের মধ্যে নিহিত। তাই বাজেটে ঘোষিত কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে আগামী অর্থবছরে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।গতকাল জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন সময়ে বাজেট প্রণয়ন করেছে, যখন একদিকে অতীত সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনীতি ও ভঙ্গুর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর চ্যালেঞ্জ ছিল, অন্যদিকে ছিল নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফলে এ বাজেট শুধু বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি সমন্বিত রূপরেখা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, রাজস্ব আহরণের চ্যালেঞ্জ, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন আগামী দিনের বড় চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জ যত বড়ই হোক, সঠিক নেতৃত্ব, কার্যকর প্রতিষ্ঠান, দক্ষ জনপ্রশাসন এবং জনগণের অংশগ্রহণ থাকলে সব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে সবার জন্য উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, এ ১০টি অগ্রাধিকার খাতকে সামনে রেখেই সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

ঋণনির্ভর নয়, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি : অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীত সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের কারণে দেশের ঋণ পরিস্থিতি চাপে পড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে। আগামী অর্থবছরে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা, বন্ড মার্কেট উন্নয়ন, অ্যাসেট সিকিউরিটাইজেশন এবং ইক্যুইটি ফাইন্যান্সিংয়ের মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পরিকল্পনা : উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার এটিকে শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক দায়িত্ব হিসেবেও দেখছে। মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগের ফলে ধাপে ধাপে মূল্যস্ফীতি কমে সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে আশাবাদ : প্রস্তাবিত ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে সংশয়ের জবাবে মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ বলেন, প্রবৃদ্ধি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক আস্থার প্রতিফলন। সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি ও সেবা খাত সম্প্রসারণ, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

‘থ্রিআর’ কৌশলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার : অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন, এই তিন ধাপের ‘থ্রিআর’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, অতীতের নীতিগত দুর্বলতা, অর্থ পাচার, ব্যাংক খাতের সংকট, বিনিময় হার বিকৃতি এবং সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে অর্থনীতি চাপে পড়লেও সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। আগামী অর্থবছরে কৃষি, শিল্প, সেবা, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

করের হার নয়, বাড়বে কর ভিত্তি : রাজস্ব আহরণ প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার করের হার বাড়িয়ে নয়, বরং কর ভিত্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়াতে চায়। এজন্য রাজস্বনীতি ও প্রশাসন পৃথকীকরণ, কর ব্যবস্থার অটোমেশন, কর ফাঁকি রোধ এবং ব্যবসা সহজ করতে ডিরেগুলেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উন্নয়ন ব্যয়ে গুরুত্ব : সরকার পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর নীতি নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ব্যয়ের মধ্যে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে, অন্যদিকে পরিচালন ব্যয়ের অংশ কমানো হয়েছে। এতে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়বে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে উদ্যোগ : বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, চলতি বছরের মে পর্যন্ত ১১টি অগ্রাধিকার মামলায় দেশে ও বিদেশে প্রায় ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছে। মালয়েশিয়া ও হংকংয়ের সঙ্গে এ-সংক্রান্ত চুক্তিও চূড়ান্ত হয়েছে।

আমানতকারীদের নিরাপত্তার আশ্বাস : একীভূত পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের আমানতকারীদের উদ্দেশে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের আমানতের নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। বাকি অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হবে। ক্যানসার, কিডনি ডায়ালাইসিসসহ ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত আমানতকারী এবং হজ সঞ্চয়কারীদের জন্য বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে কর সুবিধা : দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে এক গুচ্ছ কর সুবিধার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, জিরো কুপন বন্ডের আয় করমুক্ত করা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার কমানো, নতুন শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর সুবিধা এবং নগদহীন লেনদেনে কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যক্তি করদাতার লভ্যাংশ কর কমানো এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের কর রেয়াতের সীমা তুলে দেওয়ারও প্রস্তাব করা হয়েছে।

ব্যবসা সহজ করতে ডিরেগুলেশন : ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়নের অংশ হিসেবে সরকার ডিরেগুলেশনকে অন্যতম প্রধান সংস্কার কর্মসূচি হিসেবে নিয়েছে বলে জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে ব্যবসার ব্যয় কমানো এবং রাষ্ট্রকে বিনিয়োগের সহায়ক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই এ নীতির লক্ষ্য।

জ্বালানি নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান : জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি টার্মিনাল বৃদ্ধি, দ্বিতীয় ইস্টার্ন রিফাইনারি নির্মাণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং সৃজনশীল অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ, তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন এবং নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
কালের কণ্ঠের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার থানায় জিডি
কালের কণ্ঠের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার থানায় জিডি
ব্রাজিলের জয়ে হলুদ উৎসব
ব্রাজিলের জয়ে হলুদ উৎসব
অনন্তলোকে মুস্তাফা মনোয়ার
অনন্তলোকে মুস্তাফা মনোয়ার
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
যেখানে এগিয়ে ফ্রান্স
যেখানে এগিয়ে ফ্রান্স
ভেনেজুয়েলায় দেড় হাজার ছাড়াল লাশ
ভেনেজুয়েলায় দেড় হাজার ছাড়াল লাশ
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফ্রান্স সুইডেন প্রথম মুখোমুখি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফ্রান্স সুইডেন প্রথম মুখোমুখি
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড : থানায় জিডি
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড : থানায় জিডি
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
সর্বশেষ খবর
জার্মানির প্যারাগুয়ে পরীক্ষা শুরু
জার্মানির প্যারাগুয়ে পরীক্ষা শুরু

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা

৪৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে
রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’
গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক
শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির
গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল
ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?
এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান
ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান
সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই মহারণেই জীবন-মরণ
এই মহারণেই জীবন-মরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে
ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল
জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি
শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন
একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়
ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

২৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ
ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি
ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম