শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। গত রবিবার জাতীয় সংসদে তিনি জনগণের মনের কথা বলেছেন। জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর বক্তব্যে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যা তদন্ত হওয়া দরকার। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন শ্বেতপত্রের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এ তদন্ত হতে পারে। জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। দেড় বছরের শাসনকালে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকারের অপকর্ম এবং অপশাসনের ক্ষতচিহ্ন এখন সর্বত্র। রাজনীতি থেকে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে দেশরক্ষার কৌশল, আইন- বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কোথায় নেই ইউনূসের অপশাসনের কালো ছায়া? গভীরভাবে ইউনূসের শাসন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইউনূস এবং তাঁর সহযোগীরা যেন দেশ ধ্বংসের এক মহোৎসবে মেতেছিলেন। লুটেরা দুর্বৃত্ত ডাকাত দল যেমন একটি গ্রামে আগুন ধরিয়ে লুটপাট করে, ইউনূস গং দেড় বছরে বাংলাদেশের মাটিতে ঠিক তেমনটিই করেছে।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নেন। দেশবাসী আশা করেছিল শান্তিতে নোবেলজয়ীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু করবে। দেশে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। মানুষ নতুনভাবে বাঁচতে পারবে। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউনূসের ভদ্রবেশী মুখোশ খুলে যায়। এ দেশের মানুষ দেখে শান্তির দূতের আড়ালে হিংস্র দানবের রূপ। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার দেড় বছরে দুটি কাজ অত্যন্ত সফলভাবে করেছে। প্রথমত দেশকে বিভক্ত করা, দ্বিতীয়ত দেশের সম্পদ লুটপাট করা।

’২৪-এর ৫ আগস্ট ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। দলমতনির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দল এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এই ঐক্যের শক্তি যে কী অসাধারণ জুলাই গণ অভ্যুত্থান তার প্রমাণ। ইউনূসের দায়িত্ব ছিল খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ। অন্তর্র্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। কিন্তু ক্ষমতা নিয়েই ড. ইউনূস বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজনের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেন। সংস্কারের নামে তিনি পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেন রাজনৈতিক অনৈক্য, অবিশ্বাস। এর একমাত্র কারণ ছিল ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা। সংস্কারের নামে ইউনূস সরকার শুরু করেছিল নাটক। যে নাটক দেশকে ক্ষতবিক্ষত করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঠিকভাবেই জাতীয় সংসদে বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে। সংস্কার নাটকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি তিনি অন্যত্র সরিয়ে নেন। এরপর ইউনূস সরকার এবং তাঁর উপদেষ্টাদের লুটপাটের কাহিনি আজ সারা বিশ্ব জানে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলেছে ইউনূস আমলে ঘুষ লেনদেনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। সুইস ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ইউনূস আমলে সেখানে টাকা রাখার রেকর্ড হয়েছে। ইউনূসের নিজস্ব দুর্নীতির ফিরিস্তি বাংলাদেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, এনিয়ে নতুন করে কিছু লিখতে চাই না। শুধু ইউনূস একা নন আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমানসহ অধিকাংশ উপদেষ্টার একমাত্র কাজ ছিল দুর্নীতি এবং লুটপাট। দেড় বছর একজন উপদেষ্টা যখন নিজের চিকিৎসার নামে প্রায় কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন তখন এই অন্তর্র্বর্তী সরকারের নৈতিকতার মান কতটা নিচে ছিল তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।  অন্তর্র্বর্তী সরকার, কোথায় দুর্নীতি করেনি? বিচারক নিয়োগ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়নে দেড় বছরে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। শিশুদের হামের টিকা থেকে পুলিশের পোশাক কেলেঙ্কারি, সর্বত্র ইউনূস সরকারের দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট। এসব দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতা যেন রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন সংজ্ঞা আমাদের সামনে হাজির করেছে। ক্ষমতায় যাওয়া মানেই দুর্নীতির লাইসেন্স পাওয়া। ক্ষমতায় যাও, দুর্নীতি কর, দেশ বেচে দাও, বিদেশে টাকা পাচার করো-তারপর জাতির বিবেক হয়ে জনগণকে জ্ঞান দাও-এটাই ছিল ইউনূস সরকারের মূলমন্ত্র। যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের জন্য এটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। ইউনূস সরকার কেবল সীমাহীন দুর্নীতি এবং লুটপাট করেনি রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার আইনকানুন, রীতিনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। আর এ কারণেই ইউনূস শাসনের দেড় বছরের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। আইনের শাসনের মূল ভিত্তি তিনি ভালো করেই জানেন। এখন তিনি আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে। বিগত চার মাসে তিনি নিশ্চয়ই অনুভব করছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বাধা কোথায়? ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় কী?

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি মৌলিক নীতি হলো, প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা। একজন অপরাধী, দুর্নীতিবাজের একমাত্র পরিচয় হলো, তিনি অপরাধী। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের অংশ সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমান অধিকার। আইনের এই সাম্যতার নীতি তখনই কার্যকর হবে যখন ড. ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের মতো হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা আইনের আওতায় আসবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিশ্চয়ই উপলব্ধি করেছেন, একটি অন্যায়ের বিচার না করলে আরেকটা অন্যায়ের বিচার করার নৈতিক অধিকার থাকে না। আইনের পরিভাষায় বলা হয়, একটি বিচারহীনতা আরও দশটি অপরাধের জন্ম দেয়। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হলে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে। সাধারণ মানুষ মনে করবে ক্ষমতায় থাকলে যা খুশি তাই করা যায়, তার বিচার করা হয় না। এর ফলে নির্বাচিত সরকার সম্পর্কে মানুষের মনে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি সরকারের ভিতরে অনেক সুযোগসন্ধানী মনে করবে ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টারা যদি এত দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যায় তাহলে আমরা একটু করলে দোষের কী?

আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ইউনূস সরকার নামে অন্তর্র্বর্তী সরকার হলেও, এটি আসলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে গঠিত হয়েছিল। আজকে যদি ইউনূসের অনিয়মের তদন্ত না হয় তাহলে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার একই পথে হাঁটবে। ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টারা সুশীল সমাজের সফেদ পোশাকে কালি লেপ্টে দিয়েছেন। দেড় বছরের ইউনূস শাসনের পর এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে সুশীল সমাজ সম্পর্কে ভিন্ন ধারণা তৈরি হয়েছে। নিরীহ মানুষ এখন মনে করে সুশীল মানেই ইউনূস গংদের মতো মতলববাজ, দুর্নীতিবাজ। এ কারণেই সুশীল সমাজের ইমেজ রক্ষার জন্য হলেও ইউনূস সরকারের দেড় বছরের সব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার জাতির কণ্ঠ হিসেবে ভাষণ দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, বিএনপি জনগণের কাছে তিনটি প্রধান অঙ্গীকার করেছে নির্বাচনের আগে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা এবং রাষ্ট্রীয় অপচয় বন্ধ। এই তিন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে ইউনূস সরকারের অপকর্মের তদন্ত করতেই হবে। ইউনূস আমলে মব সন্ত্রাস, লুটপাটের মাধ্যমে আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। তাই এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগের আবর্জনা পরিষ্কার করতে হবে। দুর্নীতি দমন করতে হলে, দেড় বছরের সীমাহীন দুর্নীতির তদন্তের কোনো বিকল্প নেই। সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আশা করি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নতুন কমিশন গঠিত হবে। নতুন কমিশনের প্রথম কাজ হবে ড. ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে জমাকৃত অভিযোগের তদন্ত। রাষ্ট্রীয় অপচয়েও ইউনূস সরকার ছিল শীর্ষে। ড. ইউনূসের উড়োজাহাজ ভর্তি করে প্রমোদ ভ্রমণ থেকে ধর্ম উপদেষ্টার ৮২ লাখ টাকার চিকিৎসা বিল, সবই রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের প্রামাণ্যচিত্র। এসবের সুষ্ঠু তদন্ত না করলে নতুন করে অপচয়বিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়। তাই এই সরকারকে সফল হতে হলে, ইউনূস সরকারের আমলে সব ধরনের অনিয়মের তদন্ত করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

এই বিভাগের আরও খবর
অনন্তলোকে মুস্তাফা মনোয়ার
অনন্তলোকে মুস্তাফা মনোয়ার
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য
বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য
যেখানে এগিয়ে ফ্রান্স
যেখানে এগিয়ে ফ্রান্স
ভেনেজুয়েলায় দেড় হাজার ছাড়াল লাশ
ভেনেজুয়েলায় দেড় হাজার ছাড়াল লাশ
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফ্রান্স সুইডেন প্রথম মুখোমুখি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফ্রান্স সুইডেন প্রথম মুখোমুখি
যুদ্ধবিরতি মানছে না কেউ
যুদ্ধবিরতি মানছে না কেউ
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড : থানায় জিডি
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড : থানায় জিডি
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন
সর্বশেষ খবর
শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে
শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে
রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’
গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’

৪৫ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক
শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির
গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল
ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?
এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান
ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান
সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই মহারণেই জীবন-মরণ
এই মহারণেই জীবন-মরণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে
ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল
জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি
শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন
একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়
ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি
২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা
লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

২১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ
ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি
ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

যুদ্ধবিরতি মানছে না কেউ
যুদ্ধবিরতি মানছে না কেউ

প্রথম পৃষ্ঠা

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম