শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

মনের ভিতর বনের কুহু

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
মনের ভিতর বনের কুহু

গৃহকর্তা জমিসংক্রান্ত মামলার বাদী। হাজিরা দেওয়ার জন্য শহরে রওনা হয়েছিলেন সকাল ৭টায়। যাত্রার সময় তিনি গৃহকর্ত্রীর হাতে দশ টাকার নোটের একটি তাড়ায় পাঁচ শ টাকা দিয়ে বলেছেন, পাশের গ্রাম থেকে পাওনাদার আসবে একজন। টাকাগুলো যেন ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কারও নজরে যাতে না পড়ে, সেভাবে রান্নাঘরে হাঁড়িপাতিল রাখার তাকের এক কোনায় টাকাগুলো রাখা হয়। পাওনাদার এলো দুপুরে। গৃহকর্ত্রী তাক হাতড়ান টাকার তাড়ার জন্য। ওরে আল্লাহ! টাকা তো পাওয়া যাচ্ছে না। চুরি হয়ে গেছে।

বাড়িতে কাজের জন্য আছে দুই নারী, দুই পুরুষ। এরা রান্নাঘরে বারবার আসা-যাওয়া করে। চারজনকেই সন্দেহ করা হয়। চারজনই বলে, ‘চুরি করিনি আম্মা।’ গৃহকর্তার স্ত্রীর ভাই মনসাদ তার বোনজামাইর টাকায় পরে আর খায়। মওকা পেলেই খুব লাফায়। সে বলে, ‘চাইরডারেই ছ্যাঁচা দিমু। মাইর খাইয়া ফরফর কইরা চোট্টামির কথা স্বীকার যাবেই।’ বহিরাগতের এমন চোটপাট বাড়ির স্থায়ী পুরুষ সদস্যরা বরদাশত করল না। তারা বলে, পিটুনির দরকার নাই। স্বনামখ্যাত গুনিন জাকু পাটোয়ারিকে আনা হচ্ছে। উনি এসে ‘চাল পড়া খাইয়ে অপরাধী চিহ্নিত করবেন।

গৃহকর্তার ছোট ভাই নাসিমুল হক জানান, গুনিনের মন্ত্রপূত চাল চারজনকে নয়, খাওয়ানো হবে পাঁচজনকে। মানে কাজের চার লোক আর মনসাদকে। স্তম্ভিত মনসাদ জানতে চায়, কী কারণে তাকে চোর মনে করা হচ্ছে। নাসিমুল বলে, রান্নাঘরে তুমিও বারবার আসা-যাওয়া কর। কখনো চা বানাতে বলো। কখনো চুলার আগুনে সিগারেট ধরাও। কখনো ডাব কেটে পানি খাওয়ার জন্য দা সন্ধান কর। এসবের ফাঁকে দুলাভাইর টাকাকে নিজের টাকা মনে করে যে সরাওনি, তার নিশ্চয়তা মোরা পাব কোথা?

‘অপমানের একটা সীমা থাকা চাই। এ বাড়িতে আমি আর এক সেকেন্ডও থাকব না।’ মনসাদ ঘোষণা করে এবং তার মালসামানা গোছগাছ করতে কাজের এক লোককে নির্দেশ দেয়। লোকটা নির্দেশ পালনে উদ্যত হতেই নাসিমুল হাত ইশারায় তাকে থামিয়ে মনসাদকে বলে, তোমার মহান সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করতে হবে ঘণ্টা খানেক পরে। আশা করি, ওই সময়ের মধ্যে জাকু পাটোয়ারি এসে পড়বেন।

জাকু এসে বিড়বিড় করে রহস্যময় আওয়াজ দিয়ে এক বাটি আতপ চালে ফুঁ দেন। সেই চাল মুঠো মুঠো করে পাঁচজনকে দিলেন। বললেন, চিবাও। চিবিয়ে মুখ থেকে বের করে ঘরের মেঝেতে ফেলবে। নির্দেশমতো ওরা চিবোয় এবং মেঝেতে ফেলে। দেখা যায়, চারজনের মুখ থেকে বেরিয়েছে ফিরনির মতো তরল। কাজের এক লোকেরটা ছিল শক্ত আটার দলার মতো। তার ডান হাতের কবজি পাকড়িয়ে গুনিন জাকু পাটোয়ারি বলেন, এ-ই-ই টাকা চুরি করেছে। সঙ্গে সঙ্গে লোকটা নাসিমুল হকের পায়ে পড়ে বলে, মাফ কইরা দেন গো কাগা। জীবনে আর এরকম করুম না। যদি করি ফাঁস দিয়া আমারে আল্লাহর কাছে সোপর্দ কইরা দিয়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীর মুখে এ ঘটনা শুনে জাকু পাটোয়ারির গুণমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। তাঁকে দেখার আগ্রহও হয় খুব। কিন্তু দেখার সুযোগ হয় না। বহু বছর পর, ১৯৭৮ সালের এক বাদলা দিনে ট্রেনে ঢাকা থেকে আমরা তিন বন্ধু বাড়ি ফিরছি। পথিমধ্যে এক স্টেশন থেকে পাঁচ ছয়জন যাত্রী উঠল আমাদের কম্পার্টমেন্টে। তাদের মধ্যে সাদা বাবরি চুল, সাদা লম্বা দাড়ি ঘন গোঁফধারী বিলকুল রবিঠাকুরের চেহারার ব্যক্তিকে দেখিয়ে বন্ধু রহমত বলে, ইনিই জাকু পাটোয়ারি।

আমরা আলাপ জমাই। একপর্যায়ে জানতে চাই, আতপ চালে কোন মন্ত্র পড়ে ফুঁ দেন। ৮২ বছর বয়সি গুনিন বলেন, মন্ত্রফন্ত্র কিছু না বাবা। মনের ভিতর বনের কুহু ঢুকিয়ে দিই। তাতেই কাম সারা। চোরার গলা শুকিয়ে যায়। তার চিবানো চাল হয়ে যায় আটার দলা।

২. মানসিকভাবে দুর্বল করে অপরাধীকে ধরা দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা সোজা কাজ নয়। তবু কেউ কেউ মনে করেন, ওটা তেমন কঠিন নয়। চোপাবাজিতে লক্ষ্যার্জন সম্ভব। আমার স্কুলজীবনের সহপাঠী আজিজ আহমেদদের বাড়িতে অনেক নারকেল গাছ। ওই গাছের ডাব একটু পোক্ত হতেই চুরি হয়ে যেত। আরেক সহপাঠী মুন্সি ফারুক ঘোষণা করে যে রাতের আঁধারে একটি গাছের ডাব সমগ্র আত্মসাতের অধিকার তারও রয়েছে। আজিজ জানায়, ফারুক লেট করে ফেলেছে। কেননা আজিজের দাদি পানি পড়া ঢেলেছেন গাছের গোড়ায়। চোর ডগায় উঠলেই অন্ধ হয়ে যাবে। ডাব চুরি করা দূরের কথা, গাছ থেকে নামতেই পারবে না। এ অবস্থায় বিষ পিঁপড়ার কামড়ের পর কামড়। যন্ত্রণায় চোর হাউমাউ কাঁদতে থাকবে আর বাড়ির লোকজন এসে তাকে দিবে প্যাদানি।

গৃহকর্তা‘হ্যাঁ, লেট হয়তো কিছুটা হয়েছে’ বলে মুন্সি ফারুক, ‘কিন্তু সময় তো ফুরিয়ে যায়নি। উপরের বস্তু করায়ত্ত করতে সংকল্প পোষণই যথেষ্ট-এরকম ভাবলে তো ভবিষ্যৎ হাওয়া। নিচ থেকে উপরে পৌঁছার যথোপযুক্ত সময় তৈরি করে নিতে হয়। কেন না ওটা কেউ কাউকে উপহার দেয় না।’ আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। ফারুককে পরামর্শ দিই, অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি নিস্না বন্ধু। কিন্তু তার সাফ কথা : নো রিস্ক নো গেইন।

এক দুপুরে সাইকেল হাঁকিয়ে বন্ধুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফারুক বিকাল ৪টার মধ্যে তাদের বাড়িতে যেতে বলে। সে ম্যাজিক প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছে। জাদুকরের নাম কী, তার বাড়ি কোথায়? ফারুকের উত্তর : নাম নয়-কর্মই মানুষকে মহান বানায়। জাদুকরের বাড়ি দিয়ে কী হবে? তার দক্ষতায় খাদ আছে কি নেই সেটাই বিচার্য। বন্ধুরা সবাই জাদু দেখতে জড়ো হলো। আজিজও ছিল সেখানে। ফারুক সবাইকে বাড়ির বৈঠকখানার একটি কামরায় নেওয়ার পর সুর করে গায়-‘ডাবের আমি/ ডাবের তুমি/ ডাব দিয়ে যায় চেনা।’ আমরা দেখি, কামরায় রয়েছে দুই ডজনেরও বেশি ডাব যেগুলো আজিজদের গাছে ছিল। ডাবগুলো যেন বলছে, ফারুকের মনের ভিতর বনের কুহু ঢুকিয়ে দেওয়ার আজিজি চেষ্টা ব্যর্থ।

৩. নীলফামারীর ডোমার থানা (বর্তমানে উপজেলা) সদরেও বিজন সর্বজ্ঞ নামের এক গুনিন ছিলেন, যিনি মনের ভিতর বনের কুহু না ঢুকিয়েই হারানো দ্রব্য বা মানুষ কোন অবস্থায় কোথায় বিদ্যমান সেই সন্ধানদানে ছিলেন পারঙ্গম। ভুক্তভোগী বহু লোক কানাকড়িও খরচ না করে গুনিনের হাতে উদ্ধার পেয়েছেন। বিজন সর্বজ্ঞর এক নাতি (ভ্রাতুষ্পুতের পুত্র) উৎপল সর্বজ্ঞ প্রতিবেদক পদে কাজ করতেন ঢাকায় এক দৈনিক পত্রিকায়। উৎপলের মুখেই শুনেছি পরোপকারের বিনিময়ে তাঁর ওই দাদু উপনীত হয়েছিল ‘যার মাথায় ধরলাম ছাতি/সে মারল মাথায় কষিয়ে এক লাথি’ অবস্থায়।

পাকিস্তানি জমানায় শেষ প্রান্তে ডোমারে বদলি হয়ে এলেন এক সরকারি অফিসার নজর আলী শাহ (এটা কল্পিত নাম)। উৎপল তাঁর বাবার কাছ থেকে শুনেছেন, অবাঙালি ওই অফিসার উঠতে-বসতে সর্বদা ক্ষমতার আস্ফালন করতেন। ছিলেন থানা পর্যায়ের হুজুর। ভাবভঙ্গি ছিল গোটা প্রদেশের হুজুরে আলার মতো। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের তিন মাসের মাথায় নজর আলী হুজুরের স্ত্রীর গলার সোনার হার খোয়া যায়। বাসস্থানের আঙিনায় পাতকুয়ার পাড়ে গোসল করার আগে একটা পিঁড়ির ওপর সোনার হারটি রেখেছিলেন বেগম হুজুর। গোসল সারার পর তিনি আর হারটি খুঁজে পান না। রহস্যময় ঘটনা!

খোলা আকাশের নিচে বেগম হুজুরের গোসলের সময় নারী বা পুরুষ, সবারই উঠোনে আসা নিষিদ্ধ। তার মানে কেউই হারটা দেখেনি। দেখেনি অথচ চুরি হয়ে গেল, এ কীভাবে সম্ভব? প্রশ্নের জবাব মিলছিল না। ফলত বিরামহীন চলছে নজর আলী শাহের তর্জনগর্জন। থানা-পুলিশ আশ্বাস দেয়, ঘাবড়ানোর কিছু নেই স্যার। তদন্ত জারি আছে। নজর বলেন, পাঁচ দিন ধরেই শোনাচ্ছ জারি আছে জারি আছে। জারি দিয়ে আমার কী কাজ! আমি চাই নেকলেস। ওটা উদ্ধার করবে কখন? আমার ইন্তেকালের পরে?

নজর আলীর অস্থিরতা প্রশমনের উদ্দেশ্যে তাঁর অফিসের সিনিয়র কেরানি চুরি-উত্তর বিভিন্ন ঘটনার ইতিবাচক উত্তরণের বর্ণনা দিয়ে জানালেন, তাঁর মনে হচ্ছে গুনিন বিজন সর্বজ্ঞর সাহায্য নিলে সংকট মোচন সম্ভব। গুনিনের সাহায্য প্রার্থনার অনুমতি পান কেরানি। তাঁর মুখে সব শোনার পর বিজন সর্বজ্ঞ চোখ বুজে ধ্যান করলেন মিনিট তিনেক। এরপর বললেন : চুরি যায়নি। হারখানা আছে কুয়ার ভিতরে। খুব সম্ভব কাক ঠোঁটে করে নিয়ে গিয়ে ওখানে ফেলেছে। কুয়া থেকে তোলা হয়েছিল সেই সোনার হার। গুনিনের গুণপনায় অতিশয় মুগ্ধ নজর শাহ নগদ দুই শ টাকা দেন বিজন সর্বজ্ঞকে। কিন্তু গুনিন দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গুরুর হুকুম আছে উপকারের বিনিময়ে পুরস্কার নিও না। নিলে ঈশ্বর কুপিত হবেন।

ঘটনার পরদিন ভোরে পুলিশ এসে বিজন সর্বজ্ঞকে থানায় নিয়ে গেল। থানার ওসি বলেন, নজর আলী হুজুরের ধারণা, যে ব্যক্তি সোনার অলংকার কোথায় আছে ঠিকঠাক বলে দিতে পারে। সে ব্যক্তি তো চোর-ডাকাতের দলকেও বলে দিতে পারে গৃহস্থের অলংকার কোন কোন জায়গায় আছে। ওসি বলেন, এই যুক্তিতে, আপনাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন নজর আলী শাহ। আপনি বসে চা-বিস্কুট খান। সেকেন্ড অফিসার কিছুক্ষণের মধ্যে আপনাকে জেরা শুরু করবেন।

মিনিট পাঁচেক পরেই থানার সেকেন্ড অফিসার এসে বলেন : সর্বজ্ঞ মশাই। আপনাকে তিন ঘণ্টা ধরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে (আসলে কোনো প্রশ্নই তাঁকে করা হয়নি)। কাজ শেষ। আপনি বাড়ি যেতে পারেন।

৪. উপকার গ্রহণের পর কিছু কিছু লোক কী করে তার সরস কেচ্ছা শুনিয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রব সাদী।

অর্থকষ্টে জর্জরিত এক ব্যক্তি রোজার ঈদের আগে খামের উপরে লিখেছে-‘প্রাপক, আল্লাহ।’ ডাকঘরের লোকরা বিস্মিত। তারা খাম খুলে দেখেন চিঠিতে লেখা-‘ছেলেমেয়ে নিয়ে সম্মানের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কিছু টাকা দেবেন দয়াময়।’

পোস্ট মাস্টারের উদ্যোগে ডাকঘরের কর্মীরা দয়াপরবশ হয়ে চাঁদা তুলে লোকটার ঠিকানায় দুই হাজার টাকা পৌঁছে দিয়ে জানায়-‘আল্লাহ পাঠিয়েছেন।’ ঈদুল আজহার আগে লোকটা আবার আল্লাহর ঠিকানায় চিঠি দেয়-‘রাব্বুল আলামিন, গত ঈদে আপনার টাকায় ঈদটা ভালোভাবেই করেছি। এবারও টাকা দরকার দয়াময়। তবে এবার ফেরেশতার হাতে পাঠানোর আবেদন করছি। কারণ আমার বিশ্বাস, গতবার আপনি চার হাজার টাকা দিয়েছিলেন। বেজন্মার বাচ্চা বেজন্মা পোস্ট মাস্টারটা দুই হাজার টাকা মেরে দিয়েছে।

♦ লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত
অর্থনৈতিক করিডর
অর্থনৈতিক করিডর
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে
রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
সর্বশেষ খবর
শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে
শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে
রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’
গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’

৪৫ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক
শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির
গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল
ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?
এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান
ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান
সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই মহারণেই জীবন-মরণ
এই মহারণেই জীবন-মরণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে
ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল
জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি
শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন
একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়
ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি
২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা
লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

২১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ
ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি
ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

যুদ্ধবিরতি মানছে না কেউ
যুদ্ধবিরতি মানছে না কেউ

প্রথম পৃষ্ঠা

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম