কাতার যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বিলাসবহুল উড়োজাহাজ উপহার দিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে উড়োজাহাজটি ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বুধবার ট্রাম্প নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে যাবেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। আর এই সফরেই তিনি নতুন উড়োজাহাজটি ব্যবহার করবেন।
এমন একটি আধুনিক বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজ উপহার দেওয়ার জন্য কাতারকে আগেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। এটি এর আগে কাতারের রাষ্ট্রপ্রধান ব্যবহার করতেন। নতুন এই উড়োজাহাজের লাল, সাদা ও নীল রঙ ট্রাম্প নিজেই পছন্দ করেছেন।
তবে বিদেশি রাষ্ট্রের কাছ থেকে এত দামি উপহার নেওয়া নিয়ে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে। এতে নৈতিক, সাংবিধানিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা। কারণ, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে এমন উপহার নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে নিষেধ আছে।
সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, উড়োজাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরকে দেওয়া সরাসরি একটি উপহার। তবে পরবর্তীতে এটি ট্রাম্পের ‘প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরি’তে হস্তান্তর করা হবে। প্রশাসনের এমন বক্তব্যে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের তৈরি নতুন দুটি প্রেসিডেনশিয়াল উড়োজাহাজ সরবরাহে বেশ দেরি হচ্ছে। এগুলোর নির্মাণ খরচও আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। তাই ওই উড়োজাহাজগুলো হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত, সাময়িকভাবে কাতারের দেওয়া এই উড়োজাহাজটি ব্যবহার করা হবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে