শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৪৮, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

যেভাবে আমেরিকার ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যেভাবে আমেরিকার ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

বর্তমান সময়ে মাঝে মাঝে মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট যেন দেশ পরিচালনার অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছে। কেননা, দেশটির নয় সদস্যের এই সর্বোচ্চ আদালতকে বারবার এমন সব বিতর্কিত ও জটিল বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হচ্ছে, যেগুলো আমেরিকার গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যে বিষয়গুলো নিয়ে সমাজ ও রাজনীতিতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে এবং অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো যেগুলোর সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে, শেষ পর্যন্ত সেগুলোর ভার পড়ছে আদালতের ওপর।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা। নিজের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং প্রায়ই আদালতে পরাজিত হলেও সেই রায়গুলোকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের রাজনৈতিক ঝড়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট শুধু আইনি সিদ্ধান্তই দিচ্ছে না; বরং যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক মূল্যবোধ, নির্বাচনব্যবস্থা এবং ক্ষমতার কাঠামোর ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে।

ট্রান্সজেন্ডার অধিকার, নাগরিকত্বের প্রশ্ন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা এবং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার সীমা- এসব বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত আমেরিকার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চরিত্রকে প্রভাবিত করতে পারে।

সাধারণ মানুষের চোখে দেশের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যখন আদালত থেকে আসে, তখন সুপ্রিম কোর্টকে অনেক সময় সরকারের মতোই শক্তিশালী মনে হয়। অথচ প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের ভাষায়, আদালতের ভূমিকা হলো শুধু আইনি ও সাংবিধানিক নিয়মের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া- যেন একজন আম্পায়ার খেলার নিয়ম প্রয়োগ করেন।

এই অবস্থার সঙ্গে কংগ্রেসের ভূমিকার বড় পার্থক্য রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পরিবর্তন আনার বদলে কংগ্রেস হয় অকার্যকর হয়ে পড়েছে, নয়তো নিজেদের ক্ষমতার বড় অংশ হোয়াইট হাউসের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।

ট্রাম্পের নীতির কারণে বাড়ছে আদালতের ভূমিকা
ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মামলা এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালত এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার অবস্থান নির্ধারণ করছে না; বরং সেই ক্ষমতার বণ্টনও নতুনভাবে সাজাচ্ছে।

ইতিহাসে এর আগেও সুপ্রিম কোর্ট রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে ছিল। দাসপ্রথার সময়, প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের ‘নিউ ডিল’ কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের সময়ও আদালত তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিল।

বারাক ওবামার আমলে আদালত সমলিঙ্গ বিবাহ বৈধ ঘোষণা করে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত দেয়, যা যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক উদারনীতির একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হয়েছিল।

অন্যদিকে ২০২২ সালে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের সিদ্ধান্ত রক্ষণশীল রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য কয়েক দশকের প্রচেষ্টার পর বড় বিজয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

কেন দলীয় বিভাজনের বাইরে থাকতে পারছে না সুপ্রিম কোর্ট
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে আদালত আরও বেশি রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে পড়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের অধিকাংশ সিদ্ধান্ত আইনি যুক্তির ভিত্তিতে হলেও সাধারণ মানুষের কাছে অনেক সময় সেগুলো দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়।

এর একটি কারণ হলো বিচারপতিদের মধ্যকার মতপার্থক্য এখন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। তীব্র ভাষার ভিন্নমত অনেকের কাছে আদালতকে একটি রাজনৈতিক সংঘাতের জায়গা হিসেবে তুলে ধরে।

ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অসন্তোষও রয়েছে। তাদের মতে, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মনোনীত বিচারপতিকে অনুমোদন না দিয়ে রিপাবলিকানরা রাজনৈতিক কৌশল নিয়েছিল, কিন্তু ২০২০ সালে বিচারপতি রুথ বেডার গিন্সবার্গের মৃত্যুর পর ট্রাম্পের মনোনীত বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেটকে দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে ট্রাম্প নিজেও আদালতের সিদ্ধান্তকে প্রায়ই রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করেন এবং তার নিয়োগ করা বিচারপতিরা তার প্রতি আনুগত্য দেখাবেন- এমন ধারণাও বিতর্ক তৈরি করেছে।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রশ্ন
সুপ্রিম কোর্টকে ট্রাম্পের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক মনে করার আরেকটি কারণ হলো নির্বাহী ক্ষমতা সম্পর্কে আদালতের দৃষ্টিভঙ্গি।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস কর্মজীবনের শুরুতে রোনাল্ড রিগ্যান প্রশাসনে কাজ করেছিলেন, যেখানে শক্তিশালী প্রেসিডেন্ট বা ‘একক নির্বাহী ক্ষমতা’ ধারণা নিয়ে রক্ষণশীল চিন্তাধারা গড়ে উঠেছিল।

২০২৪ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি মামলার এক সিদ্ধান্তে সুপ্রিম কোর্ট সাবেক প্রেসিডেন্টদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ব্যাপক আইনি সুরক্ষা থাকার কথা উল্লেখ করে। এই সিদ্ধান্তকে ট্রাম্পের ক্ষমতার ধারণাকে শক্তিশালী করার উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।

সোমবার ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) এক কমিশনারকে বরখাস্ত করা নিয়ে মামলায় আদালত ১৯৩৫ সালের একটি পুরোনো নজির বাতিল করে। ওই নজিরের মাধ্যমে কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের সরকারি সংস্থার প্রধানদের সরানোর ক্ষমতার ওপর কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছিল।

এই সিদ্ধান্তের ফলে এফটিসি’র মতো স্বাধীন সংস্থাগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টের নিয়ন্ত্রণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমালোচকরা।

ট্রাম্প নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই রায়কে ‘গত ১০০ বছরের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ক্ষমতার সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি’ বলে মন্তব্য করেছেন।

কংগ্রেস পিছিয়ে পড়ায় আদালতের গুরুত্ব বেড়েছে
সুপ্রিম কোর্টের প্রভাব বাড়ার আরেকটি বড় কারণ হলো কংগ্রেসের কার্যকর আইন প্রণয়নে ব্যর্থতা।

অভিবাসন ইস্যুতে সাম্প্রতিক মামলাগুলোর অনেকগুলো হয়তো আদালত পর্যন্ত আসতো না, যদি কংগ্রেস দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারমূলক আইন পাস করতে পারতো। যেমন- যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া ও হাইতির মতো দেশ থেকে আসা কিছু অভিবাসীর যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী থাকার অনুমতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়। একটি পূর্ণাঙ্গ অভিবাসন আইন থাকলে এই জটিলতা আগেই সমাধান হতে পারত।

তবে সুপ্রিম কোর্ট সবসময় ট্রাম্পের নীতির পক্ষে যায়নি। ২০২৫ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে আদালত জানায়, প্রেসিডেন্ট জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে ইচ্ছামতো শুল্ক আরোপ করতে পারবেন না। এতে ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বড় ধাক্কা খায়।

অন্যদিকে সোমবার আদালত রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির একটি চ্যালেঞ্জও প্রত্যাখ্যান করে। এতে মিসিসিপির এমন একটি আইন বহাল থাকে, যেখানে নির্বাচনের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছানো কিছু ব্যালট গণনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

আমেরিকার ভবিষ্যৎ ক্ষমতার লড়াই
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিছু রায় আবার একটি বড় বৈপরীত্য তুলে ধরে। একদিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পরিধি বাড়াচ্ছে বলে সমালোচনা রয়েছে, অন্যদিকে একই আদালত অনেক ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ওপর সীমাও আরোপ করছে।

নিম্ন আদালতগুলোও ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সিদ্ধান্ত ধীর করেছে। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার আগেই দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষমতার পরিধি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

ভবিষ্যতে কোনও ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় এলে তিনি হয়তো ট্রাম্প আমলের তৈরি নজির ব্যবহার করে নিজের প্রশাসনিক ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন- যদি আদালতের নির্বাহী ক্ষমতা সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি একই থাকে।

তবে কংগ্রেস যদি নিজেদের সাংবিধানিক ভূমিকা পুনরুদ্ধার না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে থাকবে- এই প্রশ্নের কেন্দ্রীয় খেলোয়াড় হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে। সূত্র: সিএনএন

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
মুম্বাইয়ে স্কুল বাসের ওপর বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে শিশুর মৃত্যু, আহত ১০
মুম্বাইয়ে স্কুল বাসের ওপর বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে শিশুর মৃত্যু, আহত ১০
সমঝোতা স্মারক আন্তরিকভাবে বাস্তবায়ন করছে না যুক্তরাষ্ট্র: ইরানি গবেষক
সমঝোতা স্মারক আন্তরিকভাবে বাস্তবায়ন করছে না যুক্তরাষ্ট্র: ইরানি গবেষক
ইউরোপজুড়ে রেকর্ডভাঙা তীব্র তাপপ্রবাহ, গলছে রাস্তা, বাঁকছে ট্রাম লাইন
ইউরোপজুড়ে রেকর্ডভাঙা তীব্র তাপপ্রবাহ, গলছে রাস্তা, বাঁকছে ট্রাম লাইন
দোহায় মার্কিন দূতরা, তবে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক নয়: কাতার
দোহায় মার্কিন দূতরা, তবে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক নয়: কাতার
স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স
স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স
পাকিস্তানের হামলায় নিহত সেনার সংখ্যা গোপন করেছে মোদি সরকার: অভিযোগ বিরোধীদের
পাকিস্তানের হামলায় নিহত সেনার সংখ্যা গোপন করেছে মোদি সরকার: অভিযোগ বিরোধীদের
কঙ্গোতে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ইবোলা : আক্রান্ত ১,৩০০ ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭৭
কঙ্গোতে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ইবোলা : আক্রান্ত ১,৩০০ ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭৭
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি প্রক্রিয়া এখনও নড়বড়ে কেন?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি প্রক্রিয়া এখনও নড়বড়ে কেন?
সর্বশেষ খবর
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি গ্রেফতার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি গ্রেফতার

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ১
প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ১

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চোরাই পথে আনা ১৯ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
চোরাই পথে আনা ১৯ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার

৯ মিনিট আগে | শোবিজ

কক্সবাজারে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ
কক্সবাজারে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধর্ষণ মামলায় কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ
ধর্ষণ মামলায় কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঘুচছে প্রায় শতাব্দীর অপেক্ষা
ঘুচছে প্রায় শতাব্দীর অপেক্ষা

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের
র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষককে প্রণোদনা
দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষককে প্রণোদনা

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গবেষণা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি সদস্য ড. আইয়ুব
গবেষণা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি সদস্য ড. আইয়ুব

৩৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় এসআইকে শোকজ
জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় এসআইকে শোকজ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস
সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

৪২ মিনিট আগে | রাজনীতি

শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের
শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মা ও ছেলের
মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মা ও ছেলের

৪৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি
ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি

৪৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

জার্মান বধের নায়ক গিল, সন্তানকে বাঁচাতে বিক্রি করেছিলেন বুট-জার্সি
জার্মান বধের নায়ক গিল, সন্তানকে বাঁচাতে বিক্রি করেছিলেন বুট-জার্সি

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় গাছের চারা বিতরণ
কলাপাড়ায় গাছের চারা বিতরণ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বক্স অফিসে পপসম্রাটের ম্যাজিক, নোলানের ‘ওপেনহাইমার’কে টপকে শীর্ষে ‘মাইকেল’
বক্স অফিসে পপসম্রাটের ম্যাজিক, নোলানের ‘ওপেনহাইমার’কে টপকে শীর্ষে ‘মাইকেল’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার
বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম