শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪৭, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০৯:৫৮, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

বিশেষ প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

সদ্য লন্ডন থেকে সেখানেও ‘মব’ ইস্যুতে একটি পুলিশি জটিলতার জন্ম দিয়ে দেশে ফিরেই সংসদ গরম করেছেন! এই তরুণ নেতা দেহমনে বেশ বলিষ্ঠ! আর তাই কণ্ঠেও বেশ ‘উত্তাপ’ ছড়ান। যেখানে যান, সেখানেই তিনি নিজের শরীরের ‘গরম’ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন! শরীর আর কণ্ঠের জোরে সব জয় করতে চান! উনি হয়তো ধরেই নিয়েছেন যে ঠাণ্ডা মাথার কাজ কম; মাথা গরম তো শরীরও গরম। আর গরম শরীরে সব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়; নিজে গরম থাকবেন, কিন্তু অন্যকে ‘ঠাণ্ডা’ করতে পারবেন! তারুণ্যের এই গরম শরীর নিয়ে তিনি যখন জুলাইয়ের আন্দোলনে মাঠ কাঁপান, তখন সবাই তাঁকে খুব বিশ্বাস করে আন্দোলনে শরিক হয়েছিল। তরুণ শিক্ষার্থীরা তাঁকে ও তাঁর অন্য সঙ্গীদের ‘হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা’ ভেবে ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমেছিল।

আন্দোলন হলো, জয় এলো। তাদের ‘মনমতো’ অন্তর্বর্তী সরকার হলো। আর রাতারাতি বদলে যেতে থাকল সবকিছু। ব্যক্তিস্বাধীনতা, ভিন্নমত, বৈষম্যহীন শোষণমুক্ত সমাজ, ছাত্রদের অধিকার ইত্যাদি যত দাবিদাওয়া সামনে রেখে আন্দোলন হয়েছিল; সব মেবালুম ভুলে গিয়ে বিরোধী মত দমনের কঠিন মিশন নিয়ে চলতে শুরু করলেন।

তাঁর শরীর আর পেশি যে কত গরম, তা বুঝতে শুরু করল দেশবাসী। ঠাণ্ডা মাথার আর কোনো কাজই নেই! হাসনাত মানেই যেন হুমকি-ধমকি!
কি গণমাধ্যম, কি পুলিশ-সেনাবাহিনী, কি সুধী-শিল্পী-বাউল-মুক্তিযোদ্ধা—সবাইকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার নতুন সংস্কৃতির বিস্তার ঘটতে থাকল শিগগিরই। কিছু হলেই একে-তাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুংকার। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকারী সেনাবাহিনীকেও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে পিছপা হননি এই তরুণ। অথচ যখনই সংকটে পড়েছেন কিংবা মানুষের রোষানলে পড়েছেন, তখনই তাঁকে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

কাউকে ‘শায়েস্তা’ করার কথা মনে হলেই ভিন্ন চোহারা ধারণ করেন হাসনাত! চোখ-মুখ বাঁকিয়ে গগনবিদারী হুংকার যাকে বলে! যাকে-তাকে দেওয়া তাঁর হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতির নমুনা দেখে সাধারণ মানুষও বুঝতে শুরু করল যে অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষার জন্ম দেওয়া হাসনাতরা আসলে মানুষের কোনো অধিকার নয়, বরং নিজেদের আখের গোছাতে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে নামিয়ে, সব ভুলে এখন তারা ক্ষমতার স্বাদ নেওয়া, সামাজিক মূল্যবোধের ভিত নাড়িয়ে দেওয়া, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শত সহস্র বছরের অর্জনকে ভূলুণ্ঠিত করতেই এতসব আয়োজন সম্পন্ন করেছেন। হাসনাতের মধ্যে আগামী দিনের নেতৃত্বের যে সম্ভাবনা ও গুণাবলি ছিল, তার অপব্যবহার করতে সময় লাগেনি। যখনই একচ্ছত্র ক্ষমতা হাতে চলে আসে, তখন থেকেই হাসনাত নিজের মতকেই সব মতের ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে শুরু করেন। ‘নিজের মতই সেরা মত’—এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হাসনাত নিজের নেতৃত্বগুণকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে ‘মব সন্ত্রাস’কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যান!

গ্রামের একজন রাজমিস্ত্রির সন্তান হয়ে নিজেকে ‘প্রলেতারিয়েত’ শ্রেণির অংশ ভাবা হাসনাত রাতারাতি ‘বুর্জোয়া’ মানসিকতা রপ্ত করতে থাকেন! গাড়ি আর টাকার নেশাও পেয়ে বসে তাঁকে। কেমনে কেমনে যেন সব চলে আসে হাতের নাগালে। কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ চোখের পলকে তাঁর হাতে এসে ধরা দেয়। অথচ প্রশ্নও তোলা যায় না। যিনি প্রশ্ন করবেন তখনই চোখ-রাঙানি! কার ঘাড়ে কত মাথা যে হাসনাতের মব সন্ত্রাসের ভীতির মধ্যে এসব নিয়ে প্রশ্ন করে? কুমিল্লা জেলা পরিষদের ২৫ কোটি টাকার বরাদ্দ চোখের ইশারায় হাসনাত আর আরেক এনসিপি নেতা আসিফ মিলেঝিলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয় জেলা পরিষদ প্রশাসক মুস্তাক মিয়া মুখ ফসকে বলে ফেলার পর হাসনাতের চোখ-রাঙানিতে সব ঠাণ্ডা। বিরোধী দলকে শায়েস্তা করার প্রসঙ্গে একবার শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘দুইটা হোন্ডা, ছয়জন গুণ্ডা, বিরোধী দল ঠাণ্ডা।’ অনেকটা ওই রকম আর কি! দেশে মব সন্ত্রাসকে সামনে থেকে উচ্চে তুলে ধরার কারিগর হাসনাত আবদুল্লাহ সময়ের সঙ্গে সংসদ সদস্যও হলেন। কিন্তু মবকে এখনো ‘না’ বলতে পারেননি। দেশজুড়ে মব দিয়ে সব হাসিল করে শিখে গেছেন এটিই সময়ের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার, যা ব্যবহার করে যাকে প্রয়োজন ঠাণ্ডা করে রাখা যাবে! কিছু হলেই সরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানকে জিম্মি করে কাজ হাসিল করে নেওয়ার অভিনব কৌশল তিনি ভালোই রপ্ত করে নেন অন্তর্বর্তীর দুই বছরে। এটি এখন সংসদ সদস্য হয়ে যাওয়ার পর ভুলে যেতে পারতেন! কিন্তু না, সেই পথে যাননি তিনি। সুযোগ পেলে পার্লামেন্টকেও ‘শাহবাগ’ বানিয়ে ফেলেন, যদিও তাঁর আরেক সহকর্মীকে এরই মধ্যে পার্লামেন্টকে শাহবাগ না বানানোর বিষয়টি স্পিকারের আসন থেকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী গত দুই বছরের বিভিন্ন ঘটনাপরম্পরা বিশ্লেষণ করে আরো জানা যায়, সমন্বয়ক হিসেবে আন্দোলনের মাঠে নেতৃত্ব দিলেও ক্ষমতার কেন্দ্রে আসার পর তাঁর বিরুদ্ধে ‘মব সংস্কৃতি’ বা উসকানিমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সরব থাকার কথা থাকলেও গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরিচ্যুতিতে চাপ প্রয়োগ এবং বিলাসবহুল জীবন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় একটি জাতীয় দৈনিককে হুমকির অভিযোগ তাঁর ভাবমূর্তিকে আগেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সমালোচকদের ‘আওয়ামী দোসর’ বা ‘ভারতের দালাল’ আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতিকেও অনেকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মব সন্ত্রাস উসকে দেওয়ার যে অভিযোগটি উঠেছে, তা বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। যদিও তিনি আন্দোলনের সময় ন্যায়বিচারের কথা বলতেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাঁর কর্মকাণ্ডে সেই ন্যায়বিচারের ধারণার পরিবর্তে মব সংস্কৃতি বা গণপিটুনিসদৃশ রাজনৈতিক আচরণের ছাপ পাওয়া গেছে বলে সমালোচকদের অভিমত।

হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো, তিনি ও তাঁর অনুসারীরা রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমত পোষণকারী বা সমালোচনাকারীদের ওপর সরাসরি হামলা না করে বরং তাঁদের সামাজিকভাবে ‘ট্যাগিং’ করে কোণঠাসা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি বা তাঁর সমর্থকরা যাঁদের পছন্দ করেন না, তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে আওয়ামী দোসর, ভারতের দালাল বা ফ্যাসিবাদী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেন। এই ধরনের আখ্যা দেওয়ার ফলে ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জনরোষ তৈরি হয়, যা পরোক্ষভাবে মব ভায়োলেন্স বা গণপিটুনির ক্ষেত্র প্রস্তুত করে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কথা বলার পরিবর্তে হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ এসেছে। নির্দিষ্ট কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক তাঁর বিলাসী জীবনধারা বা দুর্নীতির খতিয়ান নিয়ে প্রতিবেদন করলে সেখানে সরাসরি আইনি পথে না গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ওই সাংবাদিক বা প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক হেনস্তার শিকার হয় এবং এক পর্যায়ে সংবাদ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এটি পরোক্ষভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধের একটি মব পদ্ধতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, বিশেষ করে বিএনপি বা অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে তাঁর দেওয়া বক্তব্যগুলোকে অনেকেই ‘উসকানিমূলক’ হিসেবে দেখেন। তিনি যখন জনসভায় বলেন যে কারো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করার জায়গা থাকবে না, তখন তাঁর সমর্থক গোষ্ঠী বা স্থানীয় ক্যাডাররা সেই বক্তব্যকে পুঁজি করে ভীতি প্রদর্শনের পথ বেছে নেয়। সমালোচকদের মতে, তিনি সরাসরি লাঠিয়াল বাহিনী ব্যবহার না করলেও তাঁর বক্তৃতার উত্তাপ মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মব সন্ত্রাসে উসকানি দেয়।

মব সন্ত্রাসের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া। হাসনাত আবদুল্লাহর কর্মকাণ্ডে অনেক ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের বদলে আন্দোলনের নাম ভাঙিয়ে তাৎক্ষণিক বিচার বা শাস্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বা প্রশাসনিক এলাকায় গিয়ে নিজের প্রভাব খাটিয়ে কাউকে বরখাস্ত বা হেনস্তা করার প্রবণতা মব কালচারকে উসকে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে বড় ধরনের স্ববিরোধিতার অভিযোগ হলো, একদিকে তিনি প্রকাশ্য জনসভায় বিরোধী রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীদের ‘ফ্যাসিস্ট’ বা ‘টাকা খাওয়া’ গোষ্ঠী হিসেবে গালিগালাজ করছেন এবং মব উসকে দিচ্ছেন, অন্যদিকে তাঁর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়রের মতো বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে গোপনে সমঝোতার অভিযোগ রয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই দ্বিমুখী নীতি প্রমাণ করে যে মব সন্ত্রাস তাঁর জন্য একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার।

হাসনাত আবদুল্লাহর মতো সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মব সন্ত্রাস উসকে দেওয়ার যে অভিযোগগুলো উঠেছে, তা শুধু ব্যক্তিগত আচরণের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশের মতে, এই প্রবণতা ডালপালা মেলার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের অভাব এবং পরোক্ষ প্রশ্রয় একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

মব সন্ত্রাস যখনই কোনো এলাকায় মাথাচাড়া দিয়েছে, সরকার সেগুলোকে কঠোর হাতে দমন করার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে নীরবতা পালন করেছে। হাসনাত আবদুল্লাহ বা তাঁর মতো নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের পর যখন মাঠ পর্যায়ে সহিংসতা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে, তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, হাসনাত আবদুল্লাহর এই আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ। প্রথমত, এটি ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, আইনের শাসন থমকে যায়। তৃতীয়ত, সমন্বয়কদের প্রতি আস্থা কমে যায়। সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণ, যারা জুলাই বিপ্লবের সময় তাঁদের ওপর আস্থা রেখেছিল, তারা এখন এই মব সংস্কৃতির চর্চায় চরম হতাশ ও বিরক্ত।

গণমাধ্যম বা রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে যখন বারবার হাসনাত আবদুল্লাহর বিতর্কিত জীবনযাপন, ক্ষমতার অপব্যবহার বা মব কালচার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তখন সরকার সেটিকে শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখেছে। কিন্তু সুধীসমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত ‘রাজনৈতিক কৌশল’, যেখানে মব ভায়োলেন্সকে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে দমানো হচ্ছে। সরকারের এই প্রশ্রয়ই আজ হাসনাত আবদুল্লাহকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে গেছে, যেখানে তিনি যেকোনো রাজনৈতিক দল, সরকারি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, এমনকি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধেও উসকানিমূলক মন্তব্য করার সাহস পাচ্ছেন।

মোটাদাগে বলতে গেলে হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি আন্দোলনের সময় যে স্বৈরাচারবিরোধী অবস্থানের কথা বলতেন, আজ তিনি নিজেই সেই ক্ষমতার দাপট ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন এবং মব কালচারকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড : থানায় জিডি
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড : থানায় জিডি

৩৩ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মাঝরাতে চলন্ত বাসে আগুন
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মাঝরাতে চলন্ত বাসে আগুন

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে হাসপাতালের ডাস্টবিনের পাশ থেকে নবজাতক কন্যাশিশু উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জে হাসপাতালের ডাস্টবিনের পাশ থেকে নবজাতক কন্যাশিশু উদ্ধার

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?

১৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিচার শুরু হবে কি না, আদেশ আজ
হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিচার শুরু হবে কি না, আদেশ আজ

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা পরিচয়হীন বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি
মাদারীপুরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা পরিচয়হীন বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার ধারা বাতিলের ঘোষণা
পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার ধারা বাতিলের ঘোষণা

১৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ জুন)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ জুন)

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

৫৮ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচের ভাগ্যও নির্ধারণ হবে পেনাল্টিতে
নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচের ভাগ্যও নির্ধারণ হবে পেনাল্টিতে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
তীব্র তাপপ্রবাহে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ইনুর মামলার রায় ঘোষণা দুপুরে, হবে সরাসরি সম্প্রচার
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ইনুর মামলার রায় ঘোষণা দুপুরে, হবে সরাসরি সম্প্রচার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে
নেদারল্যান্ডস–মরক্কো ম্যাচও গড়াল অতিরিক্ত সময়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুবিতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়
কুবিতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চলমান, মৃত্যু বেড়ে ১৭১৯
ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চলমান, মৃত্যু বেড়ে ১৭১৯

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরল মরক্কো
শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরল মরক্কো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আবহাওয়া আজ যেমন থাকতে পারে
ঢাকার আবহাওয়া আজ যেমন থাকতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাকপোর গোলে এগিয়ে নেদারল্যান্ডস, চাপে মরক্কো
গাকপোর গোলে এগিয়ে নেদারল্যান্ডস, চাপে মরক্কো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩০ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩০ জুন ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিরতির পর গোলের খোঁজে নেদারল্যান্ডস–মরক্কো
বিরতির পর গোলের খোঁজে নেদারল্যান্ডস–মরক্কো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স-নরওয়ের ম্যাচসহ টিভিতে যত খেলা
ফ্রান্স-নরওয়ের ম্যাচসহ টিভিতে যত খেলা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রথমার্ধে গোলশূন্য মরক্কো-নেদারল্যান্ড
প্রথমার্ধে গোলশূন্য মরক্কো-নেদারল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিশিং বোটসহ ১০ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার
ফিশিং বোটসহ ১০ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রযুক্তি খাতে ৫১৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ার
প্রযুক্তি খাতে ৫১৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি
ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে অভিভূত সেই গোলরক্ষক
অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে অভিভূত সেই গোলরক্ষক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন আফ্রিকান কোচ
সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন আফ্রিকান কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম