শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:২৯, রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০১:৩০, রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে মোদি সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়ায় বাংলাদেশের একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী, টক শোব্যক্তিত্ব ও ইউটিউবার সাংবাদিক মনে হয় বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, তাঁরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন যে ‘এবার কী হবে বাংলাদেশের?’ কথায় কথায় ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র দপ্তরে তলবের দিন শেষ! অথবা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘দিল্লির নতুন চালে কী করবে ঢাকা!’ তাঁদের মতে, হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে ইউনিয়ন মন্ত্রী পদে উন্নীত করে ভারত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দপ্তর তথা বাংলাদেশকে এমন বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে যে ভারত যদি কোনোভাবে বাংলাদেশের স্বার্থবিরুদ্ধ কিছু করে, তাহলে বাংলাদেশ সে বিষয়ে কৈফিয়ত চাওয়ার জন্য হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠাতে পারবে না। ভারতের ওপর কোনো কারণে যদি বাংলাদেশের কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের প্রয়োজনও পড়ে, তাহলে হাইকমিশনার উচ্চ পদমর্যাদার কারণেই বাংলাদেশ তা করতে পারবে না এবং কোনো সংকটকালে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষেত্রে প্রোটোকলজনিত জটিলতার মধ্যে পড়বে ইত্যাদি। যদি প্রোটোকল কোনো সমস্যার সৃষ্টি করে, তাহলে তা নিষ্পত্তির সহজ ও তাৎক্ষণিক উপায় হচ্ছে দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে অভিজ্ঞ কোনো রাজনীতিবিদকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা। তাহলেই তো হিসাব চুকে গেল। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ সরকারও তাই করবে।

এ বিষয়ে ভিয়েনা কনভেনশন কী বলে?

কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী, ‘একটি রাষ্ট্র যখন অন্য রাষ্ট্রে তার রাষ্ট্রদূত পাঠায়, তখন গ্রহণকারী রাষ্ট্র প্রেরণকারী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের তার দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রিত্বের পদবিকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য নয়।’ কনভেনশনের অধীনে ‘মিশনপ্রধানকে স্বাগতিক রাষ্ট্র একজন কূটনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে মর্যাদা দান করে। “মিশনপ্রধান” বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যাকে প্রেরণকারী রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ করে যে তিনি ওই এখতিয়ার অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।’ এ সম্পর্কে ভিয়েনা কনভেনশন আরও স্পষ্ট করেছে যে ‘কোনো ব্যক্তি যদি প্রেরণকারী রাষ্ট্রে একজন অভ্যন্তরীণ মন্ত্রীও হন, তবু মিশনপ্রধান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বা ক্ষেত্রবিশেষে সরকারপ্রধানের কাছে তাঁর পরিচয়পত্র উপস্থাপনের পর গ্রহণকারী রাষ্ট্রে তাঁকে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদাসম্পন্ন একজন কূটনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়, তাহলে এই মর্যাদা লাভের জন্য তাঁর অভ্যন্তরীণ মন্ত্রিত্বের পদবি আইনগত কোনো শর্ত নয়।’ ভারত এর আগেও একাধিক দেশে পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করেছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে তারা রাষ্ট্রদূত হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বাগতিক দেশে মন্ত্রী হিসেবে নয়।

এই প্রেক্ষাপটে হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর ‘কেবিনেট মন্ত্রী’ উপাধি বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক পদমর্যাদার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত তাঁর নিজ দেশে যে পদমর্যাদারই হোন না কেন, তাঁকে গ্রহণকারী দেশ তাঁর পদবির পার্থক্যনির্বিশেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা প্রদান করবে। দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে হঠাৎ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, ব্যাপারটি এমন নয়। মিশনপ্রধান হিসেবে প্রেরণকারী রাষ্ট্রকে অবশ্যই গ্রহণকারী রাষ্ট্রের গোপন সম্মতি গ্রহণ করতে হয়েছে। ঢাকা থেকে সদ্য বিদায়ি ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে তাঁর নতুন কর্মস্থল ব্রাসেলসে বদলি করার সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একজন রাজনীতিবিদ আরিফ মোহাম্মদ খানকে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হবে মর্মে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের সূত্র উদ্ধৃত করে গত এপ্রিল মাসে ভারত ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বিতর্কিত রাজনীতিবিদ আরিফ মোহাম্মদ খান ভারতীয় মুসলিমদের কাছে ‘চরম মুসলিমবিদ্বেষী মুসলিম’ এবং ‘আরএসএস এর শো’ বয় হিসেবে চিহ্নিত।

বিজেপি সরকার তাঁকে কেরালা ও বিহারের গভর্নর হিসেবে মনোনীত করেছিল। গভর্নর হিসেবে তাঁর নিয়োগের আগে উভয় রাজ্যে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড আপত্তি উঠেছিল। ভারতীয় গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তাঁকে একজন ‘মুসলিম বুদ্ধিজীবী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে মুসলমানদের অভিযোগ হলো, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থের বিরুদ্ধে অশুভ ও ধ্বংসাত্মক ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে যে ১৯৮৬ সাল থেকে আরিফ মোহাম্মদ খান তাঁর মুসলিম পরিচয়কে নিজ সম্প্রদায়ের কল্যাণের জন্য নয়, বরং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর আক্রমণ করতে, হিন্দু জনমতকে প্রভাবিত করতে এবং কংগ্রেস ও ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে আরএসএস-বিজেপি জোটকে আদর্শগত শক্তি জোগাতে ব্যবহার করেছেন।

কী কারণে শেষ পর্যন্ত আরিফ মোহাম্মদ খানকে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে, তা জানা না গেলেও বাংলাদেশে তাঁকে হাইকমিশনার পদে নিয়োগ করা হলে, দুই দেশের সম্পর্ক আরও অবনতি হতে পারত আঁচ করে, অথবা তাঁর সম্পর্কে বাংলাদেশের নিজস্ব মূল্যায়নও তাঁকে নিয়োগ না করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা যেতে পারে। আরিফ খানের পরিবর্তে বিজেপি সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং গত ১২ জুন তিনি তাঁর রাজনৈতিক কেন্দ্র কলকাতা থেকে ঢাকার উদ্দেশে সড়কপথে বেনাপোল স্থলবন্দর অতিক্রম করেন। বেনাপোলে তিনি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি। তার সঙ্গে ২০ কোটি (বাংলাদেশের) অ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই, তা সব একসঙ্গে হবে। আলাদাভাবে ভাবছি না। দেখছেন না আমি হেঁটে চলে এসেছি। একই আকাশ একই বাতাস। আমরা মিলেমিশে ভিসার সমাধান করব। শুধু অভিন্ন সীমান্ত নয়, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাইবোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ...বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাইবোন ও মা-তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

দিনেশ ত্রিবেদীর কথাগুলো বাংলাদেশের অনেকের ভালো লাগেনি। বাংলাদেশে যাঁরা ভারতবিরোধী, তাঁরা প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁরা ভারতের ১৪০ কোটির সঙ্গে বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষকে যুক্ত করে সবকিছু একসঙ্গে করতে চান না। তাঁরা ভাইবোনও হতে চান না। এর আগে ২০১৯ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এম এ মোমেন ভারত সফরে গিয়ে সেখানকার সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন যে ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে স্বামী-স্ত্রীর মতো।’ তাঁকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। বৃহৎ প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক রক্ষা এবং পারস্পরিক স্বার্থেই তা জোরদার করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক’বিষয়ক বক্তব্যের সাত বছর পর জাতীয় সংসদে বিএনপিদলীয় সদস্য জি এম সিরাজ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে বলেছেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কও ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্স হতে পারে। কিন্তু ভারত-বাংলাদেশ প্রতিবেশী এবং প্রতিবেশীর সম্পর্কের ডিভোর্স হতে পারে না। প্রতিবেশীকে আমরা কখনো অস্বীকার করতে পারি না, না ভারত পারবে, না বাংলাদেশ পারবে।’ তিনি সম্মানজনকভাবে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সাম্প্রতিক বক্তব্যে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়াকে অনাকাক্সিক্ষত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ওপর ভারতের খবরদারি করার কোনো সুযোগ নেই। যেকোনো দেশের কূটনীতিকরা ভিয়েনা কনভেনশনের শর্ত অনুযায়ী ব্যাপক দায়মুক্তি পেয়ে থাকেন। তবে কোনো কোনো কূটনীতিক যে দেশে তিনি তাঁর দেশের হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, সেই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলানোর মতো ভূমিকা রাখলে বা অবাঞ্ছিত বক্তব্য প্রদান করলে, সেই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী প্রকাশ্যে বা গোপনে তৎপরতা চালানোর অভিযোগ উঠলে গ্রহণকারী রাষ্ট্র যেকোনো সময় মিশনপ্রধান বা মিশনের কূটনৈতিক কর্মীদের যেকোনো সদস্যকে ‘পারসন নন গ্রাটা’ বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ঘোষণা করে এবং এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা না করেই প্রেরণকারী রাষ্ট্রকে অবহিত করতে পারে যে মিশনপ্রধানকে বা মিশনের অন্য কোনো কর্মী গ্রহণযোগ্য নন। এ ধরনের ক্ষেত্রে, প্রেরণকারী রাষ্ট্র যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হয় প্রত্যাহার করবে, অথবা মিশনে তাঁর দায়িত্বের অবসান ঘটাবে। এমনকি কনভেনশনে কোনো কূটনীতিককে স্বাগতিক দেশে প্রবেশ করার আগেই তাঁকে অগ্রহযোগ্য ঘোষণা করতে পারে। দিনেশ ত্রিবেদী যা বলেছেন, তা তাঁর কূটনৈতিক দায়মুক্তির অবস্থান থেকেই বলেছেন। এ নিয়ে অহেতুক উদ্বেগ, সন্দেহ-সংশয় প্রকাশ করে দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করাই বাঞ্ছনীয় হওয়া উচিত।

♦ লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সর্বশেষ খবর
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪
দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম

হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন