ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের শেষ গ্রুপ ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। কারণ, এই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বিশ্বের দুই তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হলান্ডের। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই চমক দেন নরওয়ে কোচ স্তালে সোলবাক্কেন। হলান্ডকে প্রথম একাদশে না রাখার পাশাপাশি পুরো ম্যাচেই বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন তিনি।
শুধু হলান্ডই নন, দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কেও বিশ্রাম দেন নরওয়ে কোচ। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের কাছে ৪-১ গোলে হেরে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।
গ্রুপের শীর্ষস্থান দখলের সুযোগ থাকলেও এই ম্যাচে একসঙ্গে ১০টি পরিবর্তন আনেন সোলবাক্কেন। আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড ও আন্তোনিও নুসার মতো তারকাদের বেঞ্চে রাখার সিদ্ধান্তে বিস্মিত হন সমর্থকেরা। ম্যাচ চলাকালীনও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। দল বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে হলান্ডকে মাঠে নামাননি কোচ।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সোলবাক্কেন। অনেক সমর্থকের দাবি, ম্যাচ শুরুর আগেই যেন হারের মেনে নিয়েছিল নরওয়ে।
তবে ম্যাচ শেষে কোচের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন আর্লিং হলান্ড। তিনি বলেন,'ম্যাচের আগেও বলেছিলাম, বিষয়টি নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। এখনও একই অবস্থানে আছি।'
ফ্রান্সের শক্তি নিয়ে হাল্যান্ড আরও বলেন,'ফ্রান্স যাই হোক ভালো দল ছিল। আমাদের সেরা একাদশ খেললেও তাদের হারাতে পারতাম বলে মনে হয় না।'
এই ম্যাচে ফ্রান্সের জয়ের নায়ক ছিলেন ওসমানে দেম্বেলে। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে এনে দেন তিনি। পরে দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে আরও একটি গোল করেন দেজিরে দুয়ে। ফলে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করে ফরাসিরা।
ফ্রান্সের শক্তি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হাল্যান্ড বলেন,'ওদের দলে সব জায়গায় বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে। এমবাপে, মাইকেল ওলিসে, ওউসমানে দেম্বেলে— একের পর এক তারকা। ওরা যে কোনও দলের জন্যই বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। আমার বিশ্বাস, ওরা এই টুর্নামেন্টে অনেক দূর যাবে। আমাদের বিপক্ষে ওরা যা খেলেছে, সেটা সত্যিই ভয়ঙ্কর ছিল।'
বিডি প্রতিদিন/এম.এস