শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:১৪, রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নতুন উচ্চতায় ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রতি চীনের পূর্ণাঙ্গ আস্থার কথা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং। তারেক রহমানের প্রতিক্রিয়াও উচ্চমার্গের। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনের ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, কিছুদিনের মধ্যেই চীনা বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য দেশটিতে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলা হবে। সেই আলোকে দু’দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক ও দুটি চুক্তি সই হয়েছে। দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান।

দ্বিপক্ষীয় এ বোঝাপড়া ও সিদ্ধান্তে তারেক রহমানের অভিযাত্রা কূটনীতির পারদে বিবেচিত হচ্ছে, হবেও। বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায় এমন কিছু প্রভাবশালী পরিবারের গল্প, যেখানে ক্ষমতা প্রবাহিত হয়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। কোনো দেশে পিতা-মাতার সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে সন্তান গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রের গুরুদায়িত্ব, আবার কোথাও স্বামী-স্ত্রীর হাত ধরে সূচিত হয়েছে এক অনন্য রাজনৈতিক ধারা। দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে শুরু করে সুদূর কানাডা কিংবা গ্রিসের রাজনীতিতেও বংশানুক্রমিক দৃঢ় নেতৃত্বের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। একসঙ্গে বাবা-মায়ের পথ-মত মাড়ানো, স্বভাব-বৈশিষ্ট্য ধারণ ও চর্চার ভাগ্য বিশ্বে খুব কমসংখ্যক মানুষেরই ভাগ্যে জোটে। তাও আবার রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি, চলন-বলনসহরাষ্ট্র পরিচালনায়। সেদিক থেকে জ্বলন্ত-টাটকা উদাহরণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সর্বশেষ রাষ্ট্রনীতির সমান্তরালে এর ঝলক মিললো পররাষ্ট্রনীতিতেও।

তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফর ঝানু কূটনীতিকদের চোখ-চশমায় বিচক্ষণতার এক নিপুণ দৃষ্টান্ত। গড়ন-গঠনসহ মা-বাবার আদর্শ ও ব্যক্তিত্বের এক অনন্য মিশ্রণ তার মধ্যে দৃশ্যমান আগে থেকেই। বাবার মতো তারেক রহমানের মধ্যে সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের চেষ্টা স্পষ্ট। জিয়াউর রহমান উদ্যমী হয়ে বিরামহীনভাবে কাজ করেছিলেন এবং সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সফর করে তার বেশির ভাগ সময় ব্যয় করেছিলেন, ‘আশার রাজনীতি’ প্রচার করে সব বাংলাদেশিকে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে এবং আরও বেশি উৎপাদন করতে ক্রমাগত আহ্বান জানিয়েছিলেন।

বাবার পথেই দেখা যাচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও। বাবার মতো বহুমুখী উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী চিন্তার স্মারক হয়ে মায়ের মতো ধীরস্থির বৈশিষ্ট্য যে কারোই নজর কাড়ছে। প্রতিকূল পরিস্থিতি ও দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখে যেভাবে খালেদা জিয়া অবিচল ছিলেন-তারেক রহমানের সে ধরনের ধৈর্য ও দৃঢ় মানসিক শক্তির প্রকাশ লক্ষণীয়। প্রতিকূল সময়েও দলকে সুসংগঠিত রেখে বাবার হাতে গড়া, মায়ের হাতে বিস্তার ঘটানো দলটিকে টিকিয়ে রাখার পেছনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ভিন্নমতের প্রবীণ রাজনীতিকদের কাছে বিশ্লেষণের খোরাক। বিশ্বে অল্প কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবার আছে, যাদের একাধিক প্রজন্মের তিন সদস্য কোনো দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে তারেক রহমান সেখানে নজির গড়লেন।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান। সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি এ এস এম সায়েম পদত্যাগ করলে জিয়াউর রহমান হন রাষ্ট্রপতি। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান নিজে চেয়ারম্যান হিসেবে থেকে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি গঠন করেন। ১৯৯১ সালের পর থেকে তার প্রতিষ্ঠিত এ দলটি এবার নিয়ে পাঁচবার রাষ্ট্রক্ষমতাসীন হলো। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের পাশাপাশি দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনীতির তারল্য প্রবাহ, দেশের কূটনৈতিক বিকাশ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের এক সোপান গড়েন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে স্বামী হারানোর পর কোনো পূর্ব রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছাড়াই বেগম খালেদা জিয়ার কাঁধে এসে পড়ে দল পরিচালনার ভার। সেইসাথে স্বৈরাচার হটানোর আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া। সেই ভারবাহী বেগম খালেদা জিয়া নিজের প্রজ্ঞা, দৃঢ়তা ও নেতৃত্বগুণে বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছে দেন। দুই সন্তান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানকে নিয়ে যার জীবন ছিল নিরাভরণ, সেই নারীই সময়ের পরিক্রমায় হয়ে ওঠেন দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ও যুগান্তকারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। রাজনীতিবিদ হিসেবে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন একাধিক সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসনে কখনোই কোনোটিতে পরাজিত হননি। গত ৩০ ডিসেম্বর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন আরো মহীরুহ। গত ডিসেম্বরে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন ছেড়ে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফিরে মায়ের মৃত্যুর পর তারেক রহমান বিএনপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জাতি দেশ পরিচালনার ভার দেয় তারেক রহমানের কাঁধে। এ অভিযাত্রায় বাবা-মা তার চলার পথে শক্তির আধার। রাজনীতি-অর্থনীতির সমান্তরালে তার কূটনৈতিক পথচলায়ও মুন্সিয়ানা। মাত্র ক’দিন আগে জাতীয় বাজেট ঘোষণার ক্ষেত্রে বাবা জিয়াউর রহমানের ছাপ। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনটি বাজেট ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। যার প্রথমটিতেই তিনি শিক্ষা, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়াকে মূলনীতি হিসেবে বেছে নেন। তারেক রহমানের পথচলায়ও সেই কম্পন। সংসদে বাজেট সেশন চলতে চলতেই কূটনীতি তথা তার প্রথম বিদেশ সফর ইস্যু। আঞ্চলিক রাজনীতি ও বিশ্বায়ণদৃষ্টে সফরটি ছিল তার জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা।

১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। তারেক রহমানও ওই পথ ধরে চীনের সাথে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নেয়ার কৌশলে এগোলেন। কূটনীতির পাশাপাশি এ সফরটির পরতে পরতে ছিল অর্থনীতি-বিনিয়োগ-সমৃদ্ধি। বিশ্বের উদীয়মান পরাশক্তি চীনের সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশের সম্পর্ক যে কোনো সময়ের চেয়ে উচ্চতায় অবস্থান করছে। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৮ বিলিয়ন ডলার।

এছাড়া বাংলাদেশের শিল্প, অবকাঠামো এবং সেবা খাতে দেশটির বড় বিনিয়োগ রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তার চীন সফর। মালয়েশিয়া হয়ে চারদিনের এ চীন সফরে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের সর্বাত্মক চেষ্টা হয়েছে। চীন অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। দেশটির পররাষ্ট্রনীতি আধিপত্যবাদী নয়। তারা অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে না। সামরিক কৌশলগত কারণেও চীন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এ শতাব্দীতে বিশ্বের শীর্ষ নেতৃত্বে অবস্থান নিতে যাওয়া একটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত যৌক্তিক। তারা সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন করে। বাংলাদেশের শিল্প, অবকাঠামো এবং সেবা খাতে তাদের অনেক বিনিয়োগ রয়েছে। বিশাল বাণিজ্যের এ অংশীদারের অংশীদারিত্ব আরো বাড়ানোর আয়োজনের ক্যারিশমা দেখালেন তারেক রহমান। এ বাস্তবতা বুঝে গত এক বছরে বিশ্বের ২৬টি দেশের রাষ্ট্র অথবা সরকারপ্রধানরা চীন সফর করেছেন। এসব দেশের কাছে চীনের নেতৃত্ব ও অর্থনীতির গ্রহণযোগ্যতাই বড় বিষয়। বর্তমান বিশ্বের অনেকেই তাদের ওপর নির্ভরশীল। এমনকি ভারতও তাদের কাছ থেকে পণ্য কিনছে। বাংলাদেশের কাছেও তা প্রাসঙ্গিক। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তা বুঝেছিলেন অনেক আগেই। বেগম খালেদা জিয়াও যদ্দূর সম্ভব সেই বাস্তবতায় চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করেছেন। চীনকে অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতির গাঁথুনি মজবুত রেখেছেন। উল্লেখ্য, স্বাধীন বাংলাদেশকে চীন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট। আর কূটনৈতিক সম্পর্ক করে ওই বছরের ৪ অক্টোবর। জিয়াউর রহমান ওই সম্পর্ককে বিরতীহীনভাবে এগিয়ে নেন। ১৯৭৭ সালের জানুয়ারিতে তিনি চীন সফর করেন। যার ধারাবাহিকতায় অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সামরিক খাতে সহযোগিতার দরজা খোলে।

তারেক রহমানের হাত ধরে এখন সেই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়। তারেক রহমানের পদক্ষেপেও জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির লক্ষণ। দেশের উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের নীতি। চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ বিআরআইর অধীনে বাংলাদেশে পদ্মা সেতু, রেল সংযোগ, কর্ণফুলী টানেল, বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মহাসড়ক নির্মাণসহ বড় বড় অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ রয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে চীনের ওপর নির্ভরশীল। চীনকে বলা হয় বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্থনীতি। কিন্তু গত ১৫ বছর একমুখী এবং এককেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে। এখন সেই ভোগান্তি কাটানো ও লোকসান পুষিয়ে নেয়ার পর্ব। চীন পৌঁছার আগে মালয়েশিয়ায় যে আন্তরিক ও সম্মানজনক অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে, তা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে তাঁকে শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের একজন সম্ভাবনাময় ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। জনশক্তির বাজারসহ কূটনৈতিক প্রাপ্তি যোগের অনেক কিছু রয়েছে সেখানেও।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন 

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সর্বশেষ খবর
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

টঙ্গীতে পুকুরে ডুবে যুবকের মৃত্যু
টঙ্গীতে পুকুরে ডুবে যুবকের মৃত্যু

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন বেন স্টোকস
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন বেন স্টোকস

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে মেসি
গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে মেসি

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি, কারাগারে ব্যবসায়ী
সিলেটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি, কারাগারে ব্যবসায়ী

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাংলাদেশ থেকে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে আগ্রহী মালদ্বীপ
বাংলাদেশ থেকে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে আগ্রহী মালদ্বীপ

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

ফ্রান্সকে হারানোর অতীত স্মৃতিতে আত্মবিশ্বাসী সুইডেন
ফ্রান্সকে হারানোর অতীত স্মৃতিতে আত্মবিশ্বাসী সুইডেন

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

তুরাগে লাশ উদ্ধারের প্রচারণা বিভ্রান্তিকর, তদন্তে সত্যতা মেলেনি: ডিএমপি
তুরাগে লাশ উদ্ধারের প্রচারণা বিভ্রান্তিকর, তদন্তে সত্যতা মেলেনি: ডিএমপি

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

টেকনাফে পল্লী চিকিৎসককে অপহরণের অভিযোগ
টেকনাফে পল্লী চিকিৎসককে অপহরণের অভিযোগ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন ঠেকাতে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক সভা
সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন ঠেকাতে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক সভা

৩৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

জামালপুরে প্রশিক্ষণ কর্মশালা
জামালপুরে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’
ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
মুন্সীগঞ্জে অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চার বিভাগে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা
চার বিভাগে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নটিংহ্যামে টেস্টের মধ্যেই বেন স্টোকসের অবসর ঘোষণা
নটিংহ্যামে টেস্টের মধ্যেই বেন স্টোকসের অবসর ঘোষণা

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লা-১০ আসনে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
কুমিল্লা-১০ আসনে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন
কুড়িগ্রামে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার
সিলেটে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

পিএইচডি স্কলারশিপে অনিয়ম; তদন্তের পর গোবিপ্রবির শিক্ষক চাকরিচ্যুত
পিএইচডি স্কলারশিপে অনিয়ম; তদন্তের পর গোবিপ্রবির শিক্ষক চাকরিচ্যুত

৫৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পার্কভিউ হাসপাতালে বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম উদ্বোধন
পার্কভিউ হাসপাতালে বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম উদ্বোধন

৫৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মশারির ভেতরে সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু
মশারির ভেতরে সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শিক্ষাছুটি শেষে না ফেরায় গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক চাকরিচ্যুত
শিক্ষাছুটি শেষে না ফেরায় গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক চাকরিচ্যুত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতুর স্প্যান ধস, বানারীপাড়া-স্বরূপকাঠী সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতুর স্প্যান ধস, বানারীপাড়া-স্বরূপকাঠী সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

সর্বাধিক পঠিত
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই
মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন