শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩৫, সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

অভিমত

সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী

রাজনৈতিক বিশ্লেষক
অনলাইন ভার্সন
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ বারবার রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে। দেশের প্রতিটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময়ই বিভিন্ন ধরনের বয়ান সামনে এসেছে। কখনও গণতন্ত্র ও সংস্কারের দাবি হিসেবে তা এসেছে। আবার কখনও তা এসেছে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিও আবার একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে। জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পিত এক মাসব্যাপী আন্দোলন কি সত্যিই রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে? নাকি তা নির্বাচনী হতাশার পর হারানো রাজনৈতিক প্রভাব পুনরুদ্ধারের একটি কৌশল? জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের দাবি, তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য হলো সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যবস্থায় অর্থবহ সংস্কার আনা, যাতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী হয়। 

তবে সমালোচকেরা এটাকে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেন। তাদের মতে, সংস্কারের ভাষা এখন এমন একটি রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে, যার মাধ্যমে দলটি নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়া নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করছে। 

এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা ব্যাপক আশাবাদ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। অনেকের ধারণা ছিল তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাদের জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের সুযোগ করে দেবে। কিন্তু যদি ধরে নেওয়া হয় যে ভোটাররা শেষ পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক অবস্থান প্রত্যাখ্যান করেছেন, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল জামায়াত এবং তাদের মিত্রদের জন্য একটি বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষকের মতে এই প্রত্যাখ্যান সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছিল। যার মধ্যে তরুণ ভোটার, নারী, পেশাজীবী এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীও ছিল। তাদের দৃষ্টিতে আধুনিক রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন এবং একই সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের প্রধান রক্ষক হিসেবে পরিচিতি গড়ে তোলার জন্য জামায়াতের প্রচেষ্টা অনেক ভোটারের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। 

সমালোচকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে দলটির ঐতিহাসিক ভূমিকার যে স্মৃতি বিদ্যমান মানুষের কাছে, সেখানে এটি তাদের ভাবমূর্তি পরিবর্তনের নানা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও জনমনে তাদের সম্পর্কে ধারণাকে এখনও প্রভাবিত করে চলেছে। 

জামায়াতের রাজনৈতিক মিত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন বিশ্লেষকের মতে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জোটটির জনসমর্থন দুর্বল করে দিয়েছে। তাদের দাবি সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং নৈতিক নেতৃত্বের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, জোটের একটি অংশ রাজনৈতিক সুবিধাবাদের অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় সেই প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হয়েছে। এসব অভিযোগ শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হোক বা না হোক, সমালোচকদের মতে, এর রাজনৈতিক প্রভাব জনগণের আস্থা কমিয়ে দিতে ভূমিকা রাখতে পারে। 

যদি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফল সত্যিই ভোটারদের রায়ের প্রতিফলন হয়ে থাকে তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সেই রায় সকল রাজনৈতিক পক্ষের মেনে নেওয়া উচিত। একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনের ফলাফলে হতাশ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রত্যাশা থাকে যে তারা নিজেদের পুনর্গঠন করবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবে। রাজনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তনের জন্য নির্বাচনের বাইরের কোনো পথ অনুসরণ না করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়াই তাদের দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটেই জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বিশেষ করে, গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনার প্রসঙ্গ টেনে এনে তাঁদের দেওয়া মন্তব্য দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। 

সমালোচকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য গণতান্ত্রিক নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয় না, বিশেষত যখন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানানো বা রাজনৈতিক প্রতিকার চাওয়ার জন্য আইনসম্মত ও সাংবিধানিক পথ খোলা রয়েছে। 

এটি স্বাভাবিকভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্ম দেয়। যদি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যেই মতপার্থক্য প্রকাশ ও সমাধানের সুযোগ বিদ্যমান থাকে, তবে গণতান্ত্রিক সম্পৃক্ততার পরিবর্তে কেন সংঘাতমুখী ভাষা বেছে নেওয়া হচ্ছে? রাজনৈতিক মতভেদ গণতন্ত্রের একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এটাই দাবি করে যে, বিরোধ ও মতপার্থক্যের সমাধান সাংবিধানিক পথেই খোঁজা উচিত। আর, এমন বক্তব্য বা ভাষা ব্যবহার না করা উচিত, যা সামাজিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলার ঝুঁকি সৃষ্টি করে।

কিছু বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে গণআন্দোলন বা ব্যাপক জনসমাবেশ গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, অত্যন্ত আবেগঘন ও উত্তেজনাপূর্ণ জনমুখী প্রচারণা কি অনিচ্ছাকৃতভাবে-অথবা ইচ্ছাকৃতভাবেই-দেশকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে পারে? অতীতে বাংলাদেশ রাজপথের সংঘাতের ক্ষতিকর পরিণতি প্রত্যক্ষ করেছে। তাই, যেসব রাজনৈতিক কৌশল দেশকে আবারও অস্থিরতা ও সংঘাতের পুনরাবৃত্ত চক্রে ফিরিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, সেই বিষয়ে অনেক নাগরিকই সতর্ক ও শঙ্কিত।

জামায়াতকে ঘিরে চলমান বিতর্ককে তাদের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার থেকে আলাদা করে দেখা যায় না। বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দলটির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগের কারণে তারা এখনো জনপরিসরে নিবিড় পর্যালোচনা ও সমালোচনার মুখোমুখি হয়। বাংলাদেশের অনেকের কাছেই এই ইতিহাস জাতীয় পরিচয় এবং রাজনৈতিক চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করার কিংবা এর তাৎপর্যকে খাটো করে দেখানোর, তা বাস্তব হোক বা কেবল এমন ধারণা সৃষ্টির প্রচেষ্টা হোক, এমন যে কোনো প্রচেষ্টাই অনিবার্যভাবে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।

সমালোচকদের মতে, অন্তর্বর্তী রাজনৈতিক সময়ে দেশের ইতিহাসের বয়ান নতুনভাবে নির্মাণের যে প্রচেষ্টা হাতে নেওয়া হয়েছিল, তা নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম এবং তাদের পাশাপাশি, দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অটুট রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাধারণ মানুষের দৃঢ় প্রতিরোধের মুখে পড়ে। তাঁদের মূল্যায়ন হচ্ছে, বৃহত্তর বাঙালি জাতীয় পরিচয় এখনো স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে উৎসারিত আদর্শের ওপরই দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তাই সেই ঐকমত্য থেকে সরে আসার যে কোনো প্রচেষ্টাই নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে বেশ কঠিন।

এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক আন্দোলনের ঘোষণাটি আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে। শান্তিপূর্ণভাবে এবং আইনের সীমার মধ্যে থেকে জনসমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পরিচালনা করা সবারই গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে দেশব্যাপী দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের সময়কাল এবং উদ্দেশ্য স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নের জন্ম দেয় যে এর প্রকৃত লক্ষ্য কী?

একটি ব্যাখ্যা হলো, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রতিশ্রুত সংস্কার ও অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। অন্যদিকে, খানিকটা সন্দেহ মনে ধরে রেখে আরেকটি ব্যাখ্যায় বলা যেতে পারে, সংস্কারের এজেন্ডাকে আসলে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সরকারের ওপর দীর্ঘস্থায়ী চাপ সৃষ্টি করা এবং দেশে এক ধরনের অনিশ্চয়তার পরিবেশ বজায় রাখাই এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।

সমালোচকদের মতে, এ ধরনের কৌশলের পেছনে আরও বিস্তৃত একটি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ কাজ করছে। যদি একটি নির্বাচিত সরকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করতে পারে, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতি অর্জন করে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সুসংহত করতে সক্ষম হয়, তাহলে আগামী বহু বছর ধরে জামায়াতের শাসনক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কমে যেতে পারে অনেকটাই। এই দৃষ্টিকোণ থেকে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে কেবল একটি দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি হিসেবে নয়, বরং এমন এক পরিস্থিতি হিসেবে দেখা হতে পারে, যা এককভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় পৌঁছাতে অক্ষম রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নতুন বা বিকল্প সুযোগ এনে দেয়।

অবশ্য এই ব্যাখ্যাটি কতটা সঠিক, তা এখনো রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। তবে শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভিত্তি হলো নির্বাচনের ফলাফলকে সম্মান করা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং মতপার্থক্যের সমাধান শান্তিপূর্ণ উপায়ে খুঁজে নেওয়া। সংস্কারের দাবি তোলা, সরকারের সমালোচনা করা এবং জনমত সংগঠিত করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর। একই সঙ্গে তাদের ওপর এই দায়িত্বও বর্তায় যে, এমন কোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড থেকে তারা বিরত থাকবে যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা দুর্বল করতে পারে অথবা সংঘাতকে উৎসাহিত করতে পারে।

বাংলাদেশ এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে শুধু ক্ষমতাসীনদের কর্মকাণ্ডের ওপর নয়, সমানভাবে নির্ভর করে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর আচরণ ও ভূমিকার ওপরও। স্থায়ী রাজনৈতিক সংকটের আবহে প্রকৃত সংস্কার কখনো বিকশিত হতে পারে না। একইভাবে, নির্বাচনের ফলাফল কেবল নিজের পক্ষে এলে তা মেনে নেওয়ার প্রবণতা থাকলে গণতন্ত্রও কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।

তাই, মূল প্রশ্নটি এখনো একই রয়ে গেছে-বর্তমান আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য কি সত্যিই আরও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, নাকি নির্বাচনী হতাশার পর নিজেদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য? তবে, শেষ পর্যন্ত এই প্রশ্নের উত্তর নির্ধারণ করবেন বাংলাদেশের জনগণই, তাঁদের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং সাংবিধানিক রাজনীতির প্রতি অব্যাহত অঙ্গীকারের মাধ্যমে।

এই বিভাগের আরও খবর
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
সর্বশেষ খবর
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিশুশ্রম নিজের ঘর থেকে বন্ধ করতে হবে : শ্রমমন্ত্রী
শিশুশ্রম নিজের ঘর থেকে বন্ধ করতে হবে : শ্রমমন্ত্রী

২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে মঙ্গলবার দোহায় বৈঠক হবে, দাবি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে মঙ্গলবার দোহায় বৈঠক হবে, দাবি ট্রাম্পের

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোংলায় কর্মশালা ও ফল মেলা
মোংলায় কর্মশালা ও ফল মেলা

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামিনে কারামুক্ত হলেন ডা. সামির হোসেন মিশু
জামিনে কারামুক্ত হলেন ডা. সামির হোসেন মিশু

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোপালগঞ্জে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গৃহবধূর বিষপান, অতঃপর...
গোপালগঞ্জে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গৃহবধূর বিষপান, অতঃপর...

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মামা-ভাগিনা গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মামা-ভাগিনা গ্রেপ্তার

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুনের চার সপ্তাহে প্রবাসী আয় এলো ২৫৯ কোটি ডলার
জুনের চার সপ্তাহে প্রবাসী আয় এলো ২৫৯ কোটি ডলার

২১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডিএনসিসি’র ২৯ খাল দখলমুক্ত করা হবে : প্রশাসক
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডিএনসিসি’র ২৯ খাল দখলমুক্ত করা হবে : প্রশাসক

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় কৃষি বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস
গাইবান্ধায় কৃষি বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দোহায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা
দোহায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসামিদের হুমকিতে বাড়িছাড়া বাদী, নিরাপত্তা ও গ্রেফতারের দাবি
আসামিদের হুমকিতে বাড়িছাড়া বাদী, নিরাপত্তা ও গ্রেফতারের দাবি

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর হাজারীবাগে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০
রাজধানীর হাজারীবাগে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সংসদ অধিবেশন দেখল মাদারীপুরের শিক্ষার্থীরা, সাক্ষাৎ করল প্রধানমন্ত্রীর সাথে
সংসদ অধিবেশন দেখল মাদারীপুরের শিক্ষার্থীরা, সাক্ষাৎ করল প্রধানমন্ত্রীর সাথে

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের ঠিকানা
যমুনার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের ঠিকানা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪

৪৬ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সারাদেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা লাখ ছাড়ালো
সারাদেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা লাখ ছাড়ালো

৪৯ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

শাহ্ সিমেন্টের ‘আর্কিটেকচার: কানেক্টিং গ্লোবাল মডারনিটি উইথ লোকাল আইডেন্টিটি’ সেমিনার
শাহ্ সিমেন্টের ‘আর্কিটেকচার: কানেক্টিং গ্লোবাল মডারনিটি উইথ লোকাল আইডেন্টিটি’ সেমিনার

৫৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

জুটি ভাঙলেন তাইজুল, ফেরালেন বেনেট ও কাইয়াকে
জুটি ভাঙলেন তাইজুল, ফেরালেন বেনেট ও কাইয়াকে

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাঙামাটি সীমান্তে দেড় লাখ টাকার সার জব্দ
রাঙামাটি সীমান্তে দেড় লাখ টাকার সার জব্দ

৫৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

দিনাজপুরে বজ্রপাতে একজন নিহত, আহত ২
দিনাজপুরে বজ্রপাতে একজন নিহত, আহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত
গোপালগঞ্জে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান
গোবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাতার থেকে আসছে সিলেটের ৫ প্রবাসীর মরদেহ
কাতার থেকে আসছে সিলেটের ৫ প্রবাসীর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ‘উন্নতির’ তথ্য সংসদে দিলেন মন্ত্রী
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ‘উন্নতির’ তথ্য সংসদে দিলেন মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’
ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য
পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য

১৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার
হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক
প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

১৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী
জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

১৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে