শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ আপডেট: ১৫:০৮, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ সময় কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন হাসানুল হক ইনু।

এদিন, দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে মামলার একমাত্র আসামি ইনুকে হাজতখানা থেকে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে থাকা কাঠগড়ায় তোলা হয়। এর ১০ মিনিট পর ২১১ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু হয়। ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগ পড়েন ট্রাইব্যুনাল-২ এর দ্বিতীয় সদস্য বিচারক শাহরিয়ার কবীর। সাক্ষীদের কিছু বিবরণ ও তথ্যপ্রমাণের দিক তুলে ধরেন প্রথম সদস্য মঞ্জুরুল বাছিদ। রায়ের পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।

রায়ে নির্যাতন ও রাজনৈতিক নিপীড়নের তিন নম্বর অভিযোগে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড; ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও দুষ্কর্মে সংযোগের ছয় নম্বর অভিযোগে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণসহ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ষড়যন্ত্রের সাত নম্বর অভিযোগে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণসহ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। এক, দুই, চার, পাঁচ ও আট নম্বর অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৩০ বছরের সাজা হলেও সব সাজা একসঙ্গে চলবে বিধায় তাকে ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে।

এর আগে গত ২২ জুন রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন নির্ধারণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়। ৩৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রের সঙ্গে রয়েছে এক হাজার ৬৭৯ পৃষ্ঠার নথিপত্র।

এছাড়া রয়েছে তিনটি অডিও ও ছয়টি ভিডিও ডকুমেন্ট। এ মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে হাসানুল হক ইনুকে।

আটটি অভিযোগে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উসকানি, ১৪ দলীয় জোট সরকারের অংশীদার জাসদের সভাপতি হিসেবে তার ঊর্ধ্বতন অবস্থান থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা এবং কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলন দমনের নির্দেশনার পর ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে চাক্ষুষ সাক্ষী তিনজন, বিশেষজ্ঞ দু’জন, ভুক্তভোগী পরিবারের একজন, জব্দতালিকা সাক্ষী দু’জন, জেলার সাক্ষী একজন ও তদন্তকারী কর্মকর্তা একজন। এছাড়া ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয় ২০ সিরিজ ও বস্তু প্রদর্শনী পাঁচটি।

প্রসিকিউশনের আনা আট অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ভারতের মুম্বাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর নাউ’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্দোলনকারীদের বিএনপি-জামায়াত ও সন্ত্রাসী-জঙ্গি হিসেবে আখ্যায়িত করে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগের উসকানি দেন হাসানুল হক ইনু। ১৯ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে হওয়া সভায়ও অংশ নেন তিনি। ১৪ দলীয় জোটের ওই বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত তথা নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে দমনে ‘শ্যুট অ্যাট সাইট’ নির্দেশনা কার্যকরেও ভূমিকা রাখেন জাসদের এই সভাপতি। এছাড়া ২০ জুলাই দুপুরে আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে নিজ জেলা কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা প্রণয়নসহ ব্যবস্থা নিতে ফোনে নির্দেশ দেন। তার এমন নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশসহ ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে গত বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি ছোড়েন তৎকালীন এসপি। তাদের গুলিতে নিহত হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ।

এছাড়া জুলাই আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার, ছত্রীসেনা নামানো, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি ছুড়ে হত্যা, বোম্বিং, আটক-নির্যাতনের ষড়যন্ত্র কিংবা পরিকল্পনাসহ সব ধরনের উসকানি দিয়ে শেখ হাসিনাকে নির্দেশনা দিতেন ইনু। একইসঙ্গে কারফিউ জারির মাধ্যমে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ড সংঘটনসহ নির্যাতন-নিপীড়নকে কৌশলে সমর্থন করেন তিনি। এছাড়া ২৯ জুলাই শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে হওয়া জোটের আরেকটি সভায় উপস্থিত ছিলেন ইনু। সেখানেও নানান উসকানি দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের প্রস্তাব দেন। ফলে এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডারের হত্যাকাণ্ড আর নির্যাতনকে বৈধতা দেন এই আসামি। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের একদিন আগে তথা ৪ আগস্ট কারফিউ জারি করে গুলি ছুড়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যাসহ শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপ অনুমোদন করেন ইনু।

এই বিভাগের আরও খবর
বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক
বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ, সবাইকে নিয়ে তা মোকাবিলা করবো: এনবিআর চেয়ারম্যান
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ, সবাইকে নিয়ে তা মোকাবিলা করবো: এনবিআর চেয়ারম্যান
একটি নতুন থানা ও তিনটি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
একটি নতুন থানা ও তিনটি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
বড় ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে রাজধানীর ৬০ শতাংশ এলাকা, বলছে সমীক্ষা
বড় ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে রাজধানীর ৬০ শতাংশ এলাকা, বলছে সমীক্ষা
১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী
১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে ইনুর রায়
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে ইনুর রায়
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে যানজট মুক্ত রাখতে ডিএমপির ৫ বিশেষ নির্দেশনা
এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে যানজট মুক্ত রাখতে ডিএমপির ৫ বিশেষ নির্দেশনা
পুনর্নির্বাচন হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই আসলাম চৌধুরীর
পুনর্নির্বাচন হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই আসলাম চৌধুরীর
অ্যাপ দিয়ে কী ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত হবে?
অ্যাপ দিয়ে কী ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত হবে?
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
সর্বশেষ খবর
গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নারী-শিশুসহ আহত ২৫
গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নারী-শিশুসহ আহত ২৫

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি প্রক্রিয়া এখনও নড়বড়ে কেন?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি প্রক্রিয়া এখনও নড়বড়ে কেন?

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়ের কাছে হেরে নিজেদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন জার্মান অধিনায়ক
প্যারাগুয়ের কাছে হেরে নিজেদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন জার্মান অধিনায়ক

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে মৌসুমি ফল উৎসব
শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে মৌসুমি ফল উৎসব

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি-নেদারল্যান্ডসসহ ২০ দল
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি-নেদারল্যান্ডসসহ ২০ দল

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্যারাগুয়ের কাছে শক্তিশালী জার্মানির বিদায়, কেপ ভার্দেকে নিয়ে কতটা ভাবছে আর্জেন্টিনা
প্যারাগুয়ের কাছে শক্তিশালী জার্মানির বিদায়, কেপ ভার্দেকে নিয়ে কতটা ভাবছে আর্জেন্টিনা

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক
বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ভেপের উত্থানে চাপে বিএটি, ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা
ভেপের উত্থানে চাপে বিএটি, ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, বন বিভাগের ১৬ জন আহত
শ্রীপুরে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, বন বিভাগের ১৬ জন আহত

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যত্রতত্র উন্নয়নের নামে অর্থ ব্যয় করায় ফান্ড সংকটে ডিএনসিসি : প্রশাসক
যত্রতত্র উন্নয়নের নামে অর্থ ব্যয় করায় ফান্ড সংকটে ডিএনসিসি : প্রশাসক

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় আশুগঞ্জে আলোচনা সভা
মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় আশুগঞ্জে আলোচনা সভা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘ব্রাজিল হারবে’ ভবিষ্যদ্বাণী করা জার্মান অর্থনীতিবিদকে নেইমার বললেন ‌‘আবারও ভুল করলেন’
‘ব্রাজিল হারবে’ ভবিষ্যদ্বাণী করা জার্মান অর্থনীতিবিদকে নেইমার বললেন ‌‘আবারও ভুল করলেন’

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দাম না থাকায় কমছে কাউনের চাষ, লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা
দাম না থাকায় কমছে কাউনের চাষ, লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ, সবাইকে নিয়ে তা মোকাবিলা করবো: এনবিআর চেয়ারম্যান
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ, সবাইকে নিয়ে তা মোকাবিলা করবো: এনবিআর চেয়ারম্যান

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

একটি নতুন থানা ও তিনটি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
একটি নতুন থানা ও তিনটি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

বড় ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে রাজধানীর ৬০ শতাংশ এলাকা, বলছে সমীক্ষা
বড় ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে রাজধানীর ৬০ শতাংশ এলাকা, বলছে সমীক্ষা

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী
১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদ ডিএমপির একার পক্ষে সম্ভব নয়: কমিশনার
ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদ ডিএমপির একার পক্ষে সম্ভব নয়: কমিশনার

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা
বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা

৫৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

জেসিআই ঢাকা ইস্টের নতুন সভাপতি সালমা আক্তার হীরা
জেসিআই ঢাকা ইস্টের নতুন সভাপতি সালমা আক্তার হীরা

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব শীর্ষক সভা
ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব শীর্ষক সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেক্সিকো ঢেউয়ের সামনে ইকুয়েডর
মেক্সিকো ঢেউয়ের সামনে ইকুয়েডর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে নদীতে ভাসমান ফিলিং স্টেশনে আগুন
মুন্সীগঞ্জে নদীতে ভাসমান ফিলিং স্টেশনে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে ইনুর রায়
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে ইনুর রায়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মরক্কোকে আর হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই : ওয়াহবি
মরক্কোকে আর হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই : ওয়াহবি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে অভিভূত সেই গোলরক্ষক
অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে অভিভূত সেই গোলরক্ষক

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার
বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম