শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:০০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ওপর গড়ে ওঠা শহর ঢাকা

বড় ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে রাজধানীর ৬০ শতাংশ এলাকা, বলছে সমীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বড় ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে রাজধানীর ৬০ শতাংশ এলাকা, বলছে সমীক্ষা

অপরিকল্পিত নগরায়ন, জলাভূমি ভরাট এবং ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ওপর ব্যাপক নির্মাণের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্পে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে ঢাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর বিস্তীর্ণ অংশ এমন মাটির ওপর গড়ে উঠেছে, যেখানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় মাটি তরলসদৃশ আচরণ করতে পারে। এতে ভবন ধসে পড়া কিংবা কাত হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজউক ও বুয়েটের যৌথ এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ঢাকার প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকা উচ্চ ভূমিকম্পজনিত ধসে পড়া বা তরলীকরণ (Liquefaction) ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে এসব এলাকায় প্রকৌশলগত মান অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ না করা হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

রাজউকের আওতাধীন ১,৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা যায়, রাজধানীর অর্ধেকেরও বেশি অংশ তরলীকরণ ঝুঁকি মানচিত্রের রেড ও ম্যাজেন্টা জোনে রয়েছে, যা সর্বোচ্চ ঝুঁকির নির্দেশক।

বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, এসব এলাকায় শুধু তরলীকরণের ঝুঁকিই নয়, ভূকম্পনের তীব্রতা বা গ্রাউন্ড মোশন অ্যাম্পলিফিকেশনও বেশি হতে পারে। এর মূল কারণ হলো আলগা, বালুময় কিংবা কৃত্রিমভাবে ভরাট করা মাটি।

তিনি বলেন, "এই এলাকাগুলোতে উচ্চ ভূকম্পন বিবর্ধনেরও ঝুঁকি রয়েছে, কারণ উভয় ঝুঁকিই আলগা বা কৃত্রিমভাবে ভরাট করা মাটির সঙ্গে সম্পর্কিত।"

বুয়েটের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, শহরকে চারটি তরলীকরণ সম্ভাব্য সূচক (LPI) অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। ১৫-এর বেশি এলপিআই-সম্পন্ন এলাকাকে লাল, ১০-১৫ ম্যাজেন্টা, ৫-১০ নীল এবং ৫-এর নিচে সবুজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আনসারীর ভাষ্য, ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হলে লাল জোনে ব্যাপক ভূমিধস ও ভূমির অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে পুকুর, খাল ও নদীর আশপাশে, যেখানে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর তুলনামূলক উঁচু।

তিনি ১৯৮৫ সালের মেক্সিকো সিটি ভূমিকম্পের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্র প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে হলেও নরম মাটি ভূকম্পনের তরঙ্গকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।

তার ভাষায়, বালুময় ভরাট মাটি তরলীকরণ ও ভূকম্পন বিবর্ধন—দুটিই ঘটায়। অন্যদিকে নরম কাদামাটির ভরাট এলাকায় প্রধানত কম্পনের তীব্রতা বেড়ে যায়। উভয় অবস্থাই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, বালু নদী ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী অনেক নতুন আবাসিক এলাকা ভরাট করা জমির ওপর গড়ে উঠেছে। এসব স্থানে নিরাপদ নির্মাণ সম্ভব হলেও আগে মাটির যথাযথ শোধন বা উন্নয়ন জরুরি। কিন্তু উচ্চ ব্যয়ের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সেই কাজ করা হয় না।

আনসারীর মতে, ঢাকার প্রায় ৯০ শতাংশ ভরাট এলাকায় পার্শ্ববর্তী মাটির উন্নয়ন না করেই শুধু পাইলের ওপর ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

তিনি ভারতের ২০০১ সালের কান্দলা বন্দর ভূমিকম্পের উদাহরণ দিয়ে বলেন, দুর্বল ও পানিসিক্ত মাটিতে স্থাপিত ৬০ ফুট গভীর পাইলের ওপর নির্মিত একটি ভবন প্রায় ১৫ ডিগ্রি হেলে পড়েছিল।

আনসারী জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত সিমেন্ট ইনজেকশন প্রযুক্তি বেলে মাটি শক্তিশালী করতে কার্যকর হতে পারে। তার মতে, ভরাট মাটির গভীরতা ৪০-৪৫ মিটার হলেও উপরের মাত্র ৫ থেকে ৬ মিটার মাটি শক্তিশালী করা গেলে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

তিনি সতর্ক করে বলেন, মাটির উন্নয়ন ছাড়া উপরের ও নিচের দুর্বল স্তর অস্থিতিশীলই থেকে যায়। ফলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে পাইল বাঁকতে পারে এবং ভবন হেলে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান।

তিনি বলেন, ঢাকার মাত্র ৩৫ শতাংশ এলাকা শক্তিশালী লাল প্লিস্টোসিন মাটির ওপর অবস্থিত। বাকি অংশ জলাভূমি, প্লাবনভূমি, পরিত্যক্ত নদীখাত ও নিচু অববাহিকায় গড়ে ওঠায় সেগুলো ভূমিকম্পে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

তার মতে, পুরান ঢাকা, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, খিলগাঁও, মতিঝিল, ফার্মগেট ও মিরপুর তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী মাটির ওপর অবস্থিত।

অন্যদিকে বাসাবো, বাড্ডা, উত্তরখান ও দক্ষিণখানের কিছু এলাকায় মাঝারি মানের মাটি রয়েছে, যেখানে ভূপৃষ্ঠের ১০ থেকে ২০ ফুট নিচে শক্ত লাল মাটির স্তর পাওয়া যায়।

এর বিপরীতে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে নরম কাদামাটি ও সাম্প্রতিক ভরাট মাটির ৮০ থেকে ১৫০ ফুট নিচে লাল মাটির স্তর রয়েছে। ফলে এসব স্থানে নিরাপদ নির্মাণ আরও জটিল হয়ে পড়ে।

জিল্লুর রহমান সতর্ক করে বলেন, সাবেক জলাভূমি এলাকায় ভূকম্পনের তরঙ্গের তীব্রতা দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তাই ভবনের উচ্চতা ও নকশা অবশ্যই স্থানীয় মাটির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে, যাতে অনুরণন (Resonance) এড়ানো যায়।

তিনি বলেন, যেকোনো জায়গায় ভবন নির্মাণ করা সম্ভব। তবে নকশা অবশ্যই মাটির প্রকৃতি অনুযায়ী হতে হবে। নির্মাণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।

বাংলাদেশ আরবান রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রামের সাবেক প্রকল্প পরিচালক আবদুল লতিফ হেলালী বলেন, নরম মাটির ঝুঁকি মানচিত্র অনেক আগেই প্রস্তুত হয়েছে। তবে রাজউক এখনো সেটিকে নগর পরিকল্পনার মূল কাঠামোর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি।

রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ডিএপি)-২০২২ গেজেট হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ এই মানচিত্রটি পেয়েছে।

তিনি বলেন, মানচিত্রটি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। ডিএপি হালনাগাদ করা হলে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এদিকে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, সদস্য ডেভেলপাররা ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ জাতীয় নির্মাণ বিধিমালা (বিএনবিসি) অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ করছেন।

তিনি বলেন, আমরা যে ইস্পাত, সিমেন্টসহ নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করি, সেগুলো ভূমিকম্প প্রতিরোধের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই তৈরি করা হয়।

সম্প্রতি ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর রিহ্যাব একটি কন্ট্রোল রুম চালু করেছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সদস্যদের কোনো প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ৭ মাত্রার বা তার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাব কী হবে, তা আগে থেকে নির্ভুলভাবে অনুমান করা কঠিন।

সূত্র : দ্য ডেইলি স্টার।

এই বিভাগের আরও খবর
বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক
বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ, সবাইকে নিয়ে তা মোকাবিলা করবো: এনবিআর চেয়ারম্যান
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ, সবাইকে নিয়ে তা মোকাবিলা করবো: এনবিআর চেয়ারম্যান
একটি নতুন থানা ও তিনটি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
একটি নতুন থানা ও তিনটি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী
১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে ইনুর রায়
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে ইনুর রায়
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্য দেশের কনসার্নের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে যানজট মুক্ত রাখতে ডিএমপির ৫ বিশেষ নির্দেশনা
এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে যানজট মুক্ত রাখতে ডিএমপির ৫ বিশেষ নির্দেশনা
পুনর্নির্বাচন হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই আসলাম চৌধুরীর
পুনর্নির্বাচন হলে প্রার্থী হতে বাধা নেই আসলাম চৌধুরীর
অ্যাপ দিয়ে কী ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত হবে?
অ্যাপ দিয়ে কী ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত হবে?
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
সর্বশেষ খবর
সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, গ্রেফতার ২
সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, গ্রেফতার ২

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ছেলের কাণ্ডে ‘বাহবা’ নিতে গিয়ে উল্টো সমালোচনার মুখে দিয়া মির্জা
ছেলের কাণ্ডে ‘বাহবা’ নিতে গিয়ে উল্টো সমালোচনার মুখে দিয়া মির্জা

৪৪ সেকেন্ড আগে | শোবিজ

হতাশা নিয়ে বিদায় জার্মানির, আরও বাড়লো অপেক্ষা
হতাশা নিয়ে বিদায় জার্মানির, আরও বাড়লো অপেক্ষা

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কঙ্গোতে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ইবোলা : আক্রান্ত ১,৩০০ ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭৭
কঙ্গোতে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ইবোলা : আক্রান্ত ১,৩০০ ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭৭

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল

১০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বিশ্বনাথে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বনাথে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

দোলনচাঁপার দোলে মোহিত প্রকৃতিপ্রেমী
দোলনচাঁপার দোলে মোহিত প্রকৃতিপ্রেমী

১২ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

টাঙ্গাইলে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড
টাঙ্গাইলে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফুটবলই বিভক্তি ভুলে এক পতাকার নীচে আনল কঙ্গোকে
ফুটবলই বিভক্তি ভুলে এক পতাকার নীচে আনল কঙ্গোকে

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী
বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী

১৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হলেন সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হলেন সরোয়ার হোসেন

১৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

নকআউট থেকে বিদায়, তবুও 'সিদ্ধান্ত' নিয়ে আক্ষেপ নেই কুমানের
নকআউট থেকে বিদায়, তবুও 'সিদ্ধান্ত' নিয়ে আক্ষেপ নেই কুমানের

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শৈলকুপায় সংঘর্ষে আহত ভ্যানচালকের মৃত্যু
শৈলকুপায় সংঘর্ষে আহত ভ্যানচালকের মৃত্যু

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ার সান্তাহার পৌরসভার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
বগুড়ার সান্তাহার পৌরসভার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নারী-শিশুসহ আহত ২৫
গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নারী-শিশুসহ আহত ২৫

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি প্রক্রিয়া এখনও নড়বড়ে কেন?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি প্রক্রিয়া এখনও নড়বড়ে কেন?

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়ের কাছে হেরে নিজেদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন জার্মান অধিনায়ক
প্যারাগুয়ের কাছে হেরে নিজেদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন জার্মান অধিনায়ক

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে মৌসুমি ফল উৎসব
শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে মৌসুমি ফল উৎসব

৩৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি-নেদারল্যান্ডসসহ ২০ দল
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি-নেদারল্যান্ডসসহ ২০ দল

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্যারাগুয়ের কাছে শক্তিশালী জার্মানির বিদায়, কেপ ভার্দেকে নিয়ে কতটা ভাবছে আর্জেন্টিনা
প্যারাগুয়ের কাছে শক্তিশালী জার্মানির বিদায়, কেপ ভার্দেকে নিয়ে কতটা ভাবছে আর্জেন্টিনা

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক
বুধবার থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

ভেপের উত্থানে চাপে বিএটি, ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা
ভেপের উত্থানে চাপে বিএটি, ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, বন বিভাগের ১৬ জন আহত
শ্রীপুরে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, বন বিভাগের ১৬ জন আহত

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যত্রতত্র উন্নয়নের নামে অর্থ ব্যয় করায় ফান্ড সংকটে ডিএনসিসি : প্রশাসক
যত্রতত্র উন্নয়নের নামে অর্থ ব্যয় করায় ফান্ড সংকটে ডিএনসিসি : প্রশাসক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় আশুগঞ্জে আলোচনা সভা
মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় আশুগঞ্জে আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার
বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম