শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:২০

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দুই রাষ্ট্রের পক্ষে মেরকেল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথিত প্রস্তাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দুই রাষ্ট্রের পক্ষে মেরকেল

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল। সোমবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক ফোনালাপে নিজ দেশের এমন অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। এক বিবৃতিতে এ ফোনালাপ নিয়ে কথা বলেছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল মুখপাত্র স্টিফেন সেইবার্ট। তিনি বলেন, চ্যান্সেলর দুই পক্ষের সমঝোতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যা উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে। এমন সময়ে মার্কেল দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বললেন, যখন ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকেই অস্বীকার করতে চাইছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের সার্বভৌমত্বের বদলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দেশটিকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী ট্রাম্প। সম্প্রতি ইউরোপের ৩০ জনেরও বেশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ট্রাম্পের ফিলিস্তিন সংক্রান্ত পরিকল্পনার সমালোচনা করা হয়। এতে ইসরায়েলের পাশাপাশি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং উভয় দেশের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, জেরুজালেমকে উভয় রাষ্ট্রের রাজধানী করে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ছাড়া এ সংক্রান্ত যে কোনো পরিকল্পনা ইউরোপের প্রত্যাখ্যান করা উচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকার এবং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথিত ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’তে মূলত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা চলে যাবে মিসরের অধীনে। আর পশ্চিম তীরের একাংশে থাকবে জর্ডানের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব। অবশিষ্ট অংশ শাসন করবে ইসরায়েল। এখানে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েল রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তবে ফিলিস্তিনি নেতারা ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করলে ফিলিস্তিনকে রাজি করাতে এগিয়ে আসেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে সালমানের বাবা এই নীতির বিরোধী। আনাদোলু এজেন্সি।

 


আপনার মন্তব্য