শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জুন, ২০১৯ ২২:৪২

বাণিজ্য যুদ্ধ

উত্তরণের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

জি-২০ সম্মেলনে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প ও জিনপিং

উত্তরণের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

সমর যুদ্ধ নয়, বাণিজ্য যুদ্ধে নেমেছে বিশ্বের দুই প্রধান অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। যা গোটা বিশ্বকে একটা অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এর মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। আর এক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে এসেছে বিশ্ব অর্থনীতির বড় দেশগুলোর সংগঠন জি২০ সম্মেলন। আগামী ২৮ ও ২৯ জুন জাপানের ওসাকায় এ জি২০ সম্মেলন হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর মধ্যকার আসন্ন বৈঠককে সামনে রেখে বাণিজ্য ক্ষেত্রে আলোচনার কথা বিবেচনা করছে দুই দেশের কর্তৃপক্ষ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স। মঙ্গলবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, জাপানের ওসাকায় জি২০ সম্মেলনের সাইডলাইনে তিনি চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসবেন। এর আগে চীনের পক্ষ থেকে দুই নেতার সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও ভেন্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় দেশটির কর্তৃপক্ষ।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে টেলিফোনে চমৎকার কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে জাপানে জি২০ সম্মেলনে আমাদের একটি বিশদ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের আগে আমাদের টিম এ ব্যাপারে আলোচনা শুরু করবে।

বিশ্লেষকরা বরছেন, এমন সময়ে দুই নেতার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে উভয় দেশের সম্পর্কে অস্বস্তি বিরাজ করছে। বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র চীনের জনগণের আকাক্সক্ষাকে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির দলীয় সাময়িকী কুয়োশি। গত রবিবার কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শিক এ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক মন্তব্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ নিরসনের আলোচনায় মূল নীতিতে ছাড় দেবে না চীন। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক যুদ্ধের জন্য বেইজিং প্রস্তুত রয়েছে। চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে গত বছর থেকে বেইজিংয়ের রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ আর ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামের কথিত সংরক্ষণশীল নীতির ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প প্রশাসনের এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিংও মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে। এ বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে চলতি বছরের মে মাসে ওয়াশিংটন-বেইজিং আলোচনায় বসলেও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় তা। আসন্ন ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য