Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:২৯

ব্রিটেনের নির্বাচনী প্রচারে মরিয়া জনসন ও করবিন

ব্রিটেনের নির্বাচনী প্রচারে মরিয়া জনসন ও করবিন

আর মাস দেড়েক বাকি। এই সময়ে নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও বিরোধী নেতা  জেরেমি করবিন পরস্পরকে আক্রমণ শুরু করে দিয়েছেন। তবে দলের মধ্যে সংকটের ফলে দুই নেতাই অস্বস্তিতে রয়েছেন। আগামী পাঁচ সপ্তাহ ধরে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে তাদের। প্রচারের প্রথম দিনেই জনমত সমীক্ষায় টোরি দল কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। ব্রেক্সিট সংক্রান্ত গণভোট থেকে শুরু করে ব্রিটেনে এমন সমীক্ষা অবশ্য বার বার ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ফলে এবারও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কোনো স্পষ্ট পূর্বাভাসের আশা করছে না রাজনৈতিক মহল।

বুধবার ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে জনসন নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। তার মতে, দ্রুত ব্রেক্সিট কার্যকর করতে হলে টোরি দলকেই ভোট দিতে হবে। তারপর তার সরকার দেশের জন্য জরুরি কাজগুলোতে হাত দিতে চায়। এদিকে নির্বাচনের ঠিক আগে টোরি দলের মধ্যে একের পর এক সংকটের ফলে জনসন কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছেন। এক কেলেঙ্কারির জের ধরে বুধবারই মন্ত্রিসভার এক সদস্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তার ঠিক আগে নিম্নকক্ষে সংসদীয় দলের নেতা জেকব রিস-মগকে ২০১৭ সালের এক অগ্নিকা- সম্পর্কে বেফাঁস মন্তব্য করার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। টোরি দল টুইটারে একটি জাল ভিডিও প্রকাশ করেও সমালোচনার মুখে পড়েছে? নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী জনসন তার প্রধান প্রতিপক্ষ লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিনের কড়া সমালোচনা করে চলেছেন। সংবাদপত্রের লেখনীতে তিনি করবিনকে সোভিয়েত নেতা জোশেফ স্টালিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। জনসনের মতে, করবিন যেভাবে ব্রিটেনের ধনীদের আক্রমণ করছেন, ১৯৩০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নে ধনী চাষিদের ওপর স্টালিনের দমন নীতির কথা মনে করিয়ে দেয়।  লেবার নেতা করবিনও তীব্র ভাষায় জনসনের সমালোচনা করছেন। তার মতে, জনসন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের মুক্তবাজার ও সরকারি ব্যয় কমানোর বিতর্কিত নীতিকে আরও মারাত্মকরূপে কার্যকর করতে চান।  ক্ষমতায় এলে তিনি ধনী শ্রেণির স্বার্থরক্ষার বদলে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চান। তবে দলের নেতা হিসেবে করবিনও কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছেন, কারণ অনেকেই তার কড়া সমাজতান্ত্রিক বুলি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কে অস্পষ্ট অবস্থান মেনে নিচ্ছে না। ডয়েচে ভেলে


আপনার মন্তব্য