শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুন, ২০১৬ ২৩:০৭

সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে

সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে
ফরিদ উদ্দীন আহমেদ

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ বলেছেন, সব মানুষকে আয় করের আওতায় আনতে অর্থমন্ত্রী হয়তো এ ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটা পাস করা হলে  বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারকে যেমন বেগ পেতে হবে, তেমন সাধারণ মানুষও কিছুটা সংকটে পড়বে। তবে খুব একটা সমস্যা হবে না। কেননা আয়কর রিটার্ন জমা দিলেও তো আর কর দিতে হবে না। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হয়রানিও বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী যারা ১৬ হাজার টাকা স্কেল বা এর বেশি বেতন পান, তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে এটা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য। বিশাল আকারের রাজস্ব আদায় করতে এমন চাপ থেকেই হয়তো অর্থমন্ত্রী এ প্রস্তাব করেছেন। এটা বাস্তবায়ন করতে পারলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। কিন্তু সেই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবার মান বাড়াতে হবে। যেহেতু সাধারণ মানুষ কর দিচ্ছে তাই সেবা পাওয়া তাদের অধিকার। ফরিদ উদ্দীন আহমেদ বলেন, করজালের (ট্যাক্স নেট) মধ্যে এলেই যে কর দিতে হবে ব্যাপারটা এমন নয়। যদি কারও বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম হয়, সে ব্যক্তি কর দেবেন না। শুধু রিটার্ন জমা দেবেন। তবে সরকারের রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে যাদের টিআইএন নম্বর আছে, তাদের সবাই যেন রিটার্ন জমা দেন তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ই-টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবের সমালোচনা করেন তিনি।

ফরিদ উদ্দীন বলেন, ছোট পদের চাকরিজীবীরা সমস্যায় পড়বেন। এ ক্ষেত্রেও বেতনের একটা সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারতেন অর্থমন্ত্রী। কেননা বেসরকারি খাতে তো ১০ হাজার টাকার কম বেতনেও চাকরিজীবী রয়েছেন। এ ছাড়া গার্মেন্টস কর্মীদের বেশির ভাগই অশিক্ষিত এবং তারা বেতনও পান সামান্য, অথচ তাদের ই-টিআইএন করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। এটা বোধহয় আরেকটু ভেবে দেখার সুযোগ রয়েছে।


আপনার মন্তব্য